Tagged: Margaret Thatcher

মার্গারেট থ্যাচারকে কেন লৌহমানবী বলা হতো?

jiggasha

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, মার্গারেট থ্যাচারের ‘লৌহ মানবী’ খেতাবটুকু তার কর্মের জন্য নয়, তার কঠোর বাগ্মীতার জন্যই দেওয়া হয়েছিল। সেটি ইতিবাচক অর্থে নয় নেতিবাচকভাবেই দেওয়া হয়েছিল। যা হোক, তাকে কখন কীভাবে কেন এবং কে এই খেতাব দিয়েছিল সেটি আজ আর অজানা থাকার বিষয় নয়। মোট কথা হলো, সোভিয়েত রাশিয়ার গণমাধ্যম থেকে তিনি এই খেতাব পেয়েছিলেন, যার কারণে পরবর্তিতে তিনি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছিলেন।

তো দেখি এবার, তিনি কী কথা বলতেন, যার কারণে লৌহ মানবী বা আইরন লেডি’র শব্দযুগল তার নামের সাথে যুক্ত হয়।

 

————-

আমি ভাগ্যবান ছিলাম না, ভাগ্যকে অর্জন করেছি।

আমি অস্বাভাবিক ধৈর্য্যশীল, এই শর্তে যে শেষ মুহূর্তে আমি নিজের সুযোগটি পাই।

জনতাকে অনুসরণ করবেন না, জনতাকে বরং আপনাকে অনুসরণ করতে দিন।

রাজনীতিতে যদি কাউকে দিয়ে কিছু বলাতে চান, তবে একজন পুরুষকে বলুন। যদি কিছু করাতে চান, তবে একজন নারীকে বলুন।

রাজনীতিতে একটি সপ্তাহ বিশাল সময়।

সাধারণত দশ সেকেন্ডের মধ্যেই আমি একজন মানুষ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেই এবং খুব কমই সেটি বদলাই।

অবশ্যই এটি পুরান কাহিনি। সত্য তো একই পুরান কাহিনি।

একটি যুদ্ধকে জয় করার জন্য আপনাকে একাধিকবার যুদ্ধ করতে হতে পারে।

কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কেউ শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে এমন কাউকে আমি জানি না। এটিই উপায়। পরিশ্রম আপনাকে সবসময় শীর্ষস্থানে না নিলেও অন্তত নিকটে গিয়ে পৌঁছাতে পারবেন।

আপনার কাজের পরিকল্পনা করুন, আজকের এবং প্রতিদিনের। তারপর পরিকল্পনাকে কাজে রূপ দিন।

প্রত্যেক নেতার মধ্যে কিছু পরিমান লোহা থাকা উচিত। তাই আমাকে যে ‘লৌহ মানবী’ বলা হয়, সেটি আলাদা কিছু নয়।

————-

 

‘আমি ভাগ্যবান ছিলাম না, ভাগ্যকে অর্জন করেছি।’ এই কথাটি যে কতটা সত্য ছিল, সেটি থ্যাচারের জীবন (১৩ অক্টোবর ১৯৩৫ – ৮ এপ্রিল ২০১৩) থেকে বুঝা যায়। তিনি ১১ বছরেরও বেশি সময় ব্রিটেনের শাসক ছিলেন। ছিলেন নন্দিত এবং নিন্দিতও। অনেকের প্রশ্ন, এত নিন্দিত থাকার পরও কীভাবে এত বছর তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকলেন। যোগাযোগ প্রযুক্তির এই যুগে, তার জীবন কাহিনি আজ সবার জন্য উন্মুক্ত। আমাদের জীবন থেকেও একই সত্যকে বুঝতে পারি। সত্য সবসময়ই পুরান এবং পরিবর্তনহীন। এটিও থ্যাচারের কথা। এটি সবারই কথা। তিনি সত্যই এক লৌহ মানবী ছিলেন।

 

 


উক্তিগুলো বিভিন্ন থেকে সংগৃহীত এবং লেখক কর্তৃক বাংলায় অনূদিত।