Category: বাংলায় ব্লগিং

ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মূল স্রোতে কি মিশতে পারছেন অনলাইন লেখকরা?

Capture

 

নক্ষত্র ব্লগঃ শুভেচ্ছা আপনার জন্য! কেমন আছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ধন্যবাদ। ভালো আছি ঈশ্বরের কৃপায়।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ, ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে সম সাময়িক লেখালেখি নিয়ে আপনার কি মতামত ?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: একটা সময় ছিলো যখন কোন সৃজনশীল লেখা প্রকাশিত হবে কিনা, তা সম্পাদকের মেজাজের ওপর নির্ভর করতো। জীবন-সায়াহ্নে এসে নিজ লেখার মর্যাদা পেয়েছেন অথবা মৃত্যুর পর তার লেখা প্রকাশিত হয়ে মরনোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন, আমাদের সমাজে এমন দৃষ্টান্তও আছে। কিন্তু এখন আমরা আছি অবাধ মত-প্রকাশের যুগে। মতপ্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালি এবং লেখক-বান্ধব মাধ্যম হলো ব্লগ বা ব্লগিং, সাম্প্রতিক কালে যার সংজ্ঞা ও ব্যবহার বিশালভাবে বিস্তৃত হয়েছে। তবে সবকিছুরই ভালো-মন্দ দিক আছে। মুক্তবাণিজ্যে যেমন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায় এবং মানসম্পন্ন পণ্যই টিকে থাকে, তেমনি মুক্ত-প্রকাশের এ সময়ে ভালো এবং মান-সম্পন্ন লেখাই টিকে থাকবে আর সফল হবে। সারভাইভাল অভ দ্য ফিটেস্ট!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ বর্তমানে ব্লগ, ফেসবুকসহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের মাঝে কাদের লেখা আপনার কাছে ভালো লাগে?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকের লেখাই ভালো লাগে। যাদের লেখা ভালো লাগে, তাদের ব্লগীয় আচরণ খুবই নেতিবাচক। ফলে তারা পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছেন না। তাদের লেখার প্রতি সম্মান হেতু নামগুলো উল্লেখ করতে চাই না। এখানে প্রবাসীদের সংখ্যাটি উল্লেখ করার মতো। মাঝে মাঝে মনে হয় যারা প্রবাসে থাকেন, গণতন্ত্র স্বদেশ ঐতিহ্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে আঙ্গুল চালনায় তাদেরই সাহস বেশি। এর পেছনেও কারণ থাকতে পারে!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের সমাজের প্রতি কতটুকু দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করেন? তারা কি তা পালন করছে বলে মনে করেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: তাদের দায়বদ্ধতা নানা কারণেই বেশি। আমার মতে, তারা তা অনেকটাই পালন করছেন। এধারা বজায় রাখতে একটি সুস্থ ব্লগসাইটের খুবই প্রয়োজন আজ। এবিষয়ে অনেক কিছুই বলার আছে, যা এখানে বলে শেষ করা যাবে না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সাম্প্রতিক সময়ের লেখক/ব্লগারদের মাঝে কাদেরকে আপনি প্রতিশ্রুতিশীল বলে ভাবছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ২০০৫, ২০০৬ বা ২০০৭ এর পোস্টগুলো দেখে আমি অনেক চমৎকৃত হই। পোস্টগুলো কালের সাক্ষী হয়ে যুগ-যুগান্তরে ভেসে ওঠবে কমমিউটারের পর্দায়। আমাদেরকে মনে রাখা প্রয়োজন যে, ব্লগাররা নিজের সময় ও অর্থকে খরচ করে, কোন বিনিময়ের আশা না করেই লিখে যাচ্ছেন। তারা লিখে যাচ্ছেন আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছেন একেকটি পদচিহ্ন। তাই সাধারণভাবে সকল ব্লগারকেই প্রতিশ্রুতিশীল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। টিকে থাকা বা নিয়মিত লিখে যাবার প্রশ্নে প্রতিশ্রুতিশীল ব্লগারের সংখ্যা খুব কম বলতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি ব্যক্তিগত, প্রযুক্তিগত বিষয়ে এবং সংবাদ ও তথ্যভাণ্ডার হিসেবে বাঙলা ব্লগের সংখ্যা বাড়ছে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগকে বলা হচ্ছে বিকল্প মিডিয়া? এই বিষয়ে আপনার কি মত?

মাঈনউদ্দিন মইনুল:  ‘বিকল্প’ গণমাধ্যম তো বটেই, কিছুদিনের মধ্যেই এটি হবে একমাত্র গণমাধ্যম।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার পড়া সবশেষ পোষ্ট কোনটি এবং তা কোন ব্লগে পড়েছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: আমাদের ছুটি ব্লগে আন্দামান ভ্রমণ

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগে ফেসবুকে লেখকদের লেখার মান কেমন বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: উন্নত, মাঝারি এবং নিম্ন সব মানের লেখাই ব্লগে আছে। লেখা যত উন্নত, লেখকের সংখ্যাও তত কম। নিম্নমানের লেখাই ব্লগে বেশি, এর কারণ হলো নবীন এবং লক্ষ্যহীন ব্লগারের উপস্থিতি। তবে পাবলিক ব্লগে একে নেতিবাচক হিসেবে আমি দেখছি না। অনেকেই লেখতে লেখতে পড়া শিখছেন, এবং তাতে তাদের লেখারও উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নত লেখা কম হলেও সমস্যা ছিলো না, যদি সেগুলো নিয়মিত প্রকাশিত হতো। ভালো লেখেন এরকম ব্লগাররা অনিয়মিত। তাৎপর্যপূর্ণ আন্তঃযোগাযোগ এবং মিথষ্ক্রিয়া বৃদ্ধি করতে পারলে আর ব্লগকে সৃজনশীল এবং প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের আড্ডাস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, ভালো লেখকদের সংখ্যা যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে নবীন লেখকদের লেখার মান।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মুল স্রোতে কি মিশতে পারছেন লেখক ব্লগাররা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: পত্রিকার মাধ্যমেই সাহিত্যের প্রথম প্রকাশ এবং ‘প্রথম প্রাপ্তি’ হয় – বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই হয়ে এসেছে দীর্ঘ দিন থেকে। পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমটি কিন্তু আজ বিবর্তিত রূপ নিয়েছে। সকলেই জানেন যে, দেশের সবগুলো পত্রিকা এখন গুরুত্বসহকারে অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করে। নিয়মিত আপডেটও করে। এমন পরিস্থিতিতে সাহিত্যের ‘মূল’ স্রোত অবশেষে কোনটি হয়, সে নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের বহুল প্রসারে প্রিন্ট মাধ্যমের সাহিত্য ‘মূল ধারাটিকে’ কতটুকু ধরে রাখতে পেরেছে বা পারবে, সেখানে প্রশ্ন আছে। সাহিত্যের প্রথাগত সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আসন্ন। অতএব অবশেষে ‘কার স্রোতে কে মেশে’ বলা মুশকিল।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সম্প্রতি ব্লগারদের লেখা বিভিন্ন সংকলন/বই প্রকাশিত হচব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে আসছে। এ বিষয়ে আপনার অবস্থান জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: যতদিন পর্যন্ত ব্লগ বা ইন্টানেটে প্রকাশিত লেখাগুলো ‘একমাত্র নির্ভরযোগ্য’ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা না পাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত বই/সংকলন ছাপানো যেতে পারে। পৃথিবীর সকল তথ্য ও সাহিত্য এখন চলে আসছে কমপিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্লগেই থেকে যাবার পক্ষপাতি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ একটি ব্লগ এবং ব্লগারদের ইতিবাচক দিক কোনটি বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রশ্নটি বেশ জটিল, কারণ এর বিভিন্ন উত্তর হতে পারে। এবিষয়ে বিভিন্ন লেখায় অনেক কথা বলেছি। এখানে শুধু এটুকুই বলতে চাই: ব্লগ এবং ব্লগারদের প্রত্যাশিত ইতিবাচক দিকটি হলো, সকল ধারার পাঠক-লেখকের সাথে মিশতে পারা এবং ভিন্নমতের সাথে সহাবস্থান করতে পারা। এটি অক্ষুণ্ন থাকলে বাঙলা ব্লগ আরও এগিয়ে যাবে অদূর ভবিষ্যতে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার শৈশব কোথায় কেটেছে? পারিবারের কথা এবং শিক্ষাজীবন নিয়ে কিছু কথা জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: শৈশব কেটেছে কিশোরগঞ্জের মেঘনা পাড়ে আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। একক পরিবারে আমরা দু’কন্যার জনক ও জননী। শিক্ষা জীবনের অধিকাংশ কেটেছে ঢাকায়। প্রথমে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করি ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। গ্রামীণ শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে ব্যাপ্ত ছিলাম বিগত কর্মজীবনের অধিকাংশ সময়। বর্তমানে ২০,০০০ শিশুর শিক্ষা ও বেড়ে ওঠার অধিকার নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার জীবনের আনন্দময় স্মৃতি কোনটি যা মনে হলে এখনো আপনার ভালো লাগে।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকগুলো। এমুহূর্তে উল্লেখযোগ্যটি মনে করা কঠিন। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্পনসরশিপে কাজাখস্তানে একটি সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্মৃতিটুকু বেশ আনন্দময় ছিলো। কারাখস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এখনও সেখানে সোভিয়েত রাশার জৌলুস দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আলমাতি শহরটি পর্বত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ণ।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ প্রিয় বই এর নাম?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এখানেও দু’একটি বলে শেষ করা যায় না। শুধু উল্লেখযোগ্য একটির নাম হলো: ক্রিস্টোফার মারলো’র ডক্টর ফস্টাস। মন্দের বিপক্ষে মানুষের আত্মিক যুদ্ধের একটি চমৎকার ছবি। এর প্লট ও ডায়ালগগুলো আমি পনের বছর পরও স্পষ্ট মনে করতে পারি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার প্রিয় লেখক কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রিয় লেখক বলা আর প্রিয় রাজনৈতিক দল বলা এখন একই রকম ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু রাজনীতিতে নয়, বই পড়াতেও এখন পলিটিক্স ঢুকে গেছে! রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলকে নিয়ে এখানে ব্যক্তিগত ঝগড়া হতে পারে। আমার প্রিয় লেখকেরা কারও কারও চোখে বিতর্কিত। তাই স্বদেশের অনেক প্রিয় লেখকের নাম বলা থেকে বিরত থাকলাম। প্রিয় কবিদের মধ্যে আছেন শামসুর রাহমান ও রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। আছেন নিমুলেন্দু গুণ। ছাত্র জীবনে আমি ব্রিটিশ লেখক রবার্ট ব্রাউনিং, টেনিসন, কোলরিজ এবং মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ওয়াল্ট হুইটম্যান ও রবার্ট ফ্রস্ট-এর ভক্ত ছিলাম। চলমান জীবনে স্বার্থপরের মতো পেশাগত বই পড়ে যাচ্ছি। তাছাড়া ব্লগারদের লেখা, বিশেষত যারা নবীন, তাদের পোস্ট পড়া আমার প্রিয় অভ্যাস, যদিও সবসময় মন্তব্য দেই না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ অবসর সময়ে আপনি নিশ্চয় সিনেমা দেখেন। আপনি কি জানাবেন আপনার প্রিয় মুভী/সিনেমার নামগুলো?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অবসরে খবর দেখি – বেশিরভাগই ‘বেখবর’! খুব বেশি সিনেমা দেখার সময় হয় না। তারে জামিন পার, রাং দে বাসান্তি, পা, থ্রি ইডিয়টস দেখে দারুনভাবে উপভোগ করেছি। দেশের চলচ্চিত্রে শঙ্খনীল কারাগার, শ্রাবণ বেঘের দিন, মুক্তির গান, থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার বা টেলিভিশনকে আমার কাছে বিশেষ মনে হয়। ইংরেজি Knowing বা 2012 সিনেমা দু’টো আত্মিকভাবে চেতনা-জাগানিয়া বলে মনে হয়েছে।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় গান কোনটি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ‘এমন একটি মা দেনা, যে মায়ের সন্তানেরা… ফেরদৌস ওয়াহিদ।আমি দেশীয় গানের ভক্ত এবং এবিষয়ে সর্বভুক! একটি বললে অনেকের প্রতি অবিচার হবে। বিশেষত লালন, রবীন্দ্রনাথ নজরুলের গানের ভীষণ ভক্ত আমি। আধুনিক গায়কদের মধ্যে এসডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, মান্না দে, ফেরদৌস ওয়াহিদ, নিয়াজ মোর্শেদ, শ্রীকান্ত, তপন চৌধুরি, নচিকেতা, এবং হায়দার হুসেনের গান ভালো লাগে। আইয়ুব বাচ্চু, জেমস বা হাসানের কয়েকটি ব্যান্ড সঙ্গীতও আমার প্রিয়।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় শিল্পী কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এক সাথে বলে দিয়েছি ওপরে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ নক্ষত্র ব্লগ নিয়ে আপনার মতামত/পরামর্শ/উপদেশ কি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অল্প সময়ে অনেক ব্লগারের সমন্বয ঘটিয়ে নক্ষত্র চমক দেখিয়েছে। সঞ্চালনাও এখন পর্যন্ত খুব ভালো। পরামর্শ/উপদেশ তো সকলেই দিতে পারে, উদ্যোগ নিতে পারে ক’জন? তবু জিজ্ঞাসার উত্তর দিচ্ছি: সব বাঙলা ব্লগেই একটি চ্যালেন্জ রয়েছে, নক্ষত্র’রও তাই। সেটি হলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। দ্বিতীয়ত, নিয়মিত বিচক্ষণ এবং ফলপ্রসূ সঞ্চালনা। আর্থিক স্বালম্বীতার জন্য ব্লগ নিজেই নিজের পথ বের করতে পারে – শুধু সুযোগ করে দিতে হবে। লেখার মান নির্ণয় করতে পারেন না বা সাহিত্য/ব্লগ রসিক নন, এমন ব্যক্তি যেন সঞ্চালনা পরিষদে না থাকেন। তবে নবীন ব্লগারদেরকে ওঠিয়ে নিয়ে আসার মতো মেকানিজমও থাকতে হবে ব্লগে। সামাজিক মূল্যবোধ, স্বদেশ চেতনা, মানবাধিকার এবং জলবায়ূ ইস্যুতে বাঙলা ব্লগকে আরও তৎপর হতে হবে।

 

নক্ষত্রঃ আমাদের সময় দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: নক্ষত্র ব্লগে শুভ কামনা করছি।

 

 

 

————-

১৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখের কথা।  তখন নক্ষত্র ব্লগ কেবল শুরু হলো। এখন তারা ই-কমার্সসহ বিশাল এক ওয়েবপোর্টালের মালিক। ব্লগ শুধুই একটি অংশ। নক্ষত্র চাইলো ব্লগারদেরকে প্রেরণা দিতে। আমিও তাদের প্রশ্নের জবাবে সেভাবেই নিজের কথা জানালাম। মূল সাক্ষাৎকারটি এখানে

 

 

 

————-

ব্লগ বিষয়ে সাম্প্রতিক কিছু লেখা

আদর্শবাদী ব্লগার বনাম সৃজনশীল ব্লগার

ব্লগ ও ব্লগিং সম্পর্কে এক্সপার্টদের ৩৯ উক্তি

একটি ব্লগসাইট যেভাবে প্রসার লাভ করতে পারে

Advertisements

লেখার ‘মুড’ না থাকলে আপনি কী করেন/করবেন?

নতুন লেখকরা সবসময় প্রতিষ্ঠিত লেখকদের লেখার প্রেরণা সম্পর্কে জানতে চান। লেখার ‘মুড’ কীভাবে আসে? একজন খ্যাতিমান লেখককে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি যা উত্তরে জানালেন, তা সকলের জন্য প্রেরণার হতে পারে। আবার বিতর্কের বিষয়ও হতে পারে। উত্তর দেবার আগে তিনি একটি প্রশ্ন জুড়ে দিলেন:

লেখক: সত্য বলবো নাকি মিথ্যা বলবো?
প্রশ্নকারী: অবশ্যই সত্য বলবেন!
লেখক: সত্য বললে আমাদের লেখক খ্যাতির কিছু ক্ষতি হতে পারে।
প্রশ্নকারী: তবু বলুন। লেখকের কাছ থেকেই তো সত্য আশা করা যায়!
লেখক: প্রায় সবগুলো লেখাই ‘আউট-অভ্-মুড’ থাকা অবস্থায় লেখা। ইন ফ্যাক্ট, মুড খারাপ থাকলেই আমি লেখতে বসি!

লেখক নম্বর দুই বললেন, লেখকের আবার ‘মুড’ কী? আমি যদি কথা বলতে পারি, তবে লেখতেও পারি। লেখা তো আসলে আমাদের মুখের কথারই লেখ্য রূপ।

লেখক নম্বর তিন: প্রথমেই আমি যা করি, তা হলো ইন্টারনেট ব্রাউজারগুলো সব বন্ধ করা। এগুলো আমার একনম্বর মনযোগ নষ্টকারী।

লেখক নম্বর চার: আরে কী কয়? ব্রাউজার বন্ধ করলে, লেহমু কী? হুনেন, লেহার মুড না থাহলে প্রথমেই আমি ব্রাউজার খুলে দেই। ফেইসবুকে বন্ধুর স্ট্যাটাস থেকে আমি পাই মহকাব্যের প্রেরণা!

লেখক নম্বর পাঁচ: মুডের অপেক্ষায় থাকলে হবে? সম্পাদকের প্রশ্নের জবাবে যদি বলি মুড নাই, তবে মাস শেষে বিলটা আসবে কোত্থেকে? আমি লেখা চালিয়ে যাই সকল অবস্থায়। অতএব, মুড না থাকলে প্রথমেই আমি যা করি তা হলো, লেখা শুরু করে দেই।

লেখক নম্বর ছয়: আমি যেখানেই যাই সেখানেই কবিতার/গল্পের বীজ বুনি। ভালো একটি ভাবনা যখন মনে আসে, তখনই আমার নোটবুকে/স্মার্টফোনে সেটি টুকে রাখি। একেকটি ভাবনা, একেকটি কবিতা/গল্প। লেখতে বসলে সেগুলোকেই সম্প্রসারিত করে যাই। কিছু কিছু ভাবনা অবশ্য লিখিত থাকলেও কিছু সময় পর মরে যায়। মানে, লেখার সময় ওগুলোর কোন সূত্র খুঁজে পাই না আর। [ইন্নালিল্লাহ… বলে, পরবর্তি নোটে দৃষ্টি দেই :( ]

লেখক নম্বর সাত: আমি লেখার চাষ করি। সব ফুল যেমন ফল হয় না, তেমনি সব ভাবনায় লেখা হয় না। অর্থাৎ একটি বিষয়ে লেখবো এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে আমি সবসময় বসি না। আমি সাধারণত লেখতে বসি অনেকগুলো বিষয়ে বিচ্ছিন্ন ভাবনাগুলোকে কাগজবদ্ধ করতে। লেখতে থাকি… লেখতে থাকি। কমপক্ষে দু/তিন পৃষ্ঠা তো প্রতিদিনই লেখি। তা না হলে মনে হয়, আজকের দিনটিই মাটি!

লেখক নম্বর আট: লেখা নিয়ে কোন চাপাচাপিতে আমি নাই। ভাবনা না আসলে নির্ভাবনায় থাকি। টিভি দেখি, পত্রিকা পড়ি, বারান্দায় দাঁড়িয়ে আরামছে বিড়ি টানি! আকাশ দেখি, পাখি দেখি! পাড়ার চায়ের টঙের তেল চিটচিটে বেন্চিতে বসে লাল চা পান করি। বউ/বাচ্চা/বান্ধবির সাথে আলাপে মেতে ওঠি। জীবনে লেখাটাই সব নয় – জীবনবোধেরও দরকার আছে।

লেখক নম্বর নয়: লেখার মুড, নাকি ‘মুডের লেখা’? আমি সকল মুডকে লেখায় প্রয়োগ করি। মুড থাকলেই যদি লেখতে বসি, তবে তো সব লেখা এক রকম হয়ে যাবে! আমি সকল মুডেই লেখতে জানি এবং লেখিও। পাঠক পড়বেন কি না পড়বেন, সেটি অবশ্য আলাদা কথা। আমি লেখি আমার বিচিত্র মুডকে প্রকাশ করার জন্য।

লেখক নম্বর দশ: আমার দরকার তিনটি বিষয়, বিড়ি/কফি, ডেডলাইন, কম্পিউটার।

লেখক নম্বর এগারো: লেখা নিয়ে আমি কখনও ভাবি না। কারণ আমি যা ভাবি, তা লেখি না; যা লেখি তার সবই ভাবি না। লেখা শেষে নিজেই বিস্মিত হই… কী ভাবলাম, কী লেখলাম!

লেখক নম্বর বারো: মুড ছাড়াও আরেকটি জিনিস লাগে, যা প্রায়ই মুডের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। বাধ্যবাধকতা। এটি আসে যখন লেখক অর্থের জন্য লেখেন অথবা ‘অর্জিত সুনাম’ ধরে রাখার জন্য লেখেন। ‘প্রয়োজন’ সকল সৃষ্টির জন্মদাত্রী। বাধ্যবাধকতাও তেমনই একটি বিষয়।


… … …
লেখক নম্বর চারশ’ উনিশ (পোস্টের লেখক): মুড কাহাকে বলে, উহা কত প্রকার, তাহারা কী কী? আমি তো লেখি না, ব্লগিং করি!
লেখক নম্বর চারশ’ বিশ: লেখার মুড না পেলে সবসময়ই আমি যা করি তা হলো, অন্যের লেখা কপি করতে শুরু করে দেই।

আমি কোন লেখকের সাথে রাজি বা গররাজি কিছুই হতে পারছি না। বিষয়গুলো আপেক্ষিক।

লেখক যখন লেখতে বসেন তখন নিশ্চয়ই তিনি একটি ‘মেজাজে’ থাকেন। হতে পারে সেটি চিন্তাশীল অথবা হেঁয়ালী, গম্ভীর অথবা ব্যাঙ্গাত্মক, মনোযোগী অথবা উদাসীন, ক্ষুব্ধ অথবা হৃষ্ট। এই ‘মেজাজ’ নিয়ে তিনি যা লেখবেন, সেটি হয়তো সৃষ্টি করবে প্রেমবোধ অথবা বিষাদ, আনন্দ অথবা বেদনা, আশা অথবা নিরাশা… ইত্যাদি। পাঠক হয়তো মনে মনে হাসবেন, অথবা ব্যথিত হবেন। নিরবে অশ্রু ফেলবেন অথবা অট্টহাসিতেও ফেটে পড়বেন। এসব কিছু নির্ভর করে লেখক তার লেখার সময় ‘কী মেজাজে ছিলেন’ তার ওপর। গল্প হোক বা কবিতা হোক অথবা প্রবন্ধ হোক, লেখার একটি স্বতন্ত্র মেজাজ থাকবেই। আমি মনে করি, মুডই (মেজার) লেখার প্রেরণা বা লেখার সূত্র এনে দেয়। এবিষয়ে আলোচনা চলতে পারে।

পাঠকের কাছে জিজ্ঞাসা:
লেখার ‘মুড’ না আসলে আপনি কী করেন?
আপনি কি রাইটারস ব্লক বা এরকম কিছু মিথে বিশ্বাস করেন?

চলুন, এনিয়ে আলোচনায় মেতে ওঠি।

[চলবে…]

—————————
*ছবিটি libbycole.files.wordpress.com থেকে নেওয়া।

আদর্শবাদী ব্লগার বনাম সৃজনশীল ব্লগার বনাম ফেইসবুকিং ব্লগার বনাম…

কেউ কেউ বলেন, ব্লগার সিজনাল, ব্লগ থাকে চিরকাল। পত্রিকার পাতায় প্রকাশিত লেখা দিনান্তে ভাঁজে পড়ে যায়, কিন্তু ব্লগের লেখা সব সময় থাকে পড়া ও উদ্ধৃতির জন্য প্রস্তুত। বই অথবা সংবাদপত্রের পাতা হারিয়ে যেতে পারে দৃষ্টিসীমানা থেকে, কিন্তু বোদ্ধারা বলেন, ইন্টারনেটে নাকি ইরেজার নেই! ওখানে কোন কিছুই মুছে যায় না। পোস্টদাতা মুছে দিলেও সেটি কোথাও-না-কোথাও থেকেই যায়।

ব্লগারদের মধ্যে একটি বড় অংশ আসে যুবসম্প্রদায়ের কর্মহীন ও স্টুডেন্ট অংশ থেকে। তারা ইন্টারনেটে এসে একটি সামাজিক বন্ধন সৃষ্টি করেন। ব্লগে যতদিন থাকেন চুটিয়ে ব্লগিং করেন: লেখায় প্যাশনেট, মন্তব্যে অনেস্ট। পোস্ট দেন, মন্তব্য দেন এবং এমনকি বিভিন্ন ব্লগারদের পোস্ট নিয়ে সংকলনও বের করেন। তারা নতুন পুরাতন সকল ব্লগারকে জাগিয়ে রাখেন, লেখায়-মন্তব্যে-সংকলনে। অল্পকাল স্থায়ি হলেও একটি ব্লগকে প্রাণচঞ্চল রাখতে এই ব্লগারদের রয়েছে বিরাট ভূমিকা। সকলেই সিজনাল ব্লগার নন। অনেকেই কর্মজীবনে গিয়েও ব্লগিং করছেন।

স্ট্যাটাস লেখতে লেখতে লেখক। ভাষার ভুল আর বানানের ভুল করার একচ্ছত্র অধিকার তারা ভোগ করেন! ব্লগে যদি ভুল না করা যায়, তবে আর কোথায়! আই ডোন্ট মাইন্ড দেয়ার ল্যাংগুয়েজ। নতুনেরা আদর্শ নিয়ে আসুন, গল্প-কবিতা-প্রবন্ধ নিয়ে আসুন অথবা দৈনিক স্ট্যাটাস নিয়ে আসুন, যত বেশি ব্লগে থাকেন ততই হয় সৃষ্টি। আজকের দিনের কোন টিনেজ বালিকার তাৎক্ষণিক একটি প্রতিক্রিয়া, অথবা পাঁচ লাইনের একটি স্ট্যাটাস, আগামি দশ বছর পর হতে পারে একটি ঐতিহাসিক ঘটনার নির্ভরযোগ্য সাক্ষী। অথবা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্য সূত্র। কে জানে!

আমি খুব চাই, ব্লগের সঞ্চালক যেন তাদেরকে কোনভাবেই নিরুৎসাহিত না করেন, অথবা থামিয়ে না দেন। দিনে একাধিক ততোধিক পোস্ট দিলেও না! সামুতে অবশ্য এই কথা বলে দিতে হয় না। ব্লগ হওয়া উচিত তরুণ প্রজন্মের উচ্ছ্বাসে ভরা হইহুল্লাপূর্ণ এক আড্ডাখানা। এখান থেকে বের হয়ে আসুক ভবিষ্যত সমাজের নেতৃত্ব ও মননশীলতার পথনির্দেশ। কিন্তু জীবন ও জীবিকার অদম্য আকর্ষণে তাদেরকে যেতেই হয়। মজার ব্যাপার হলো, পেশা যা-ই হোক ব্লগার নামটি অন্তর থেকে মুছে ফেলেন না তারা! হয়তো তা সম্ভবও হয় না!

২.
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণে ‘বাংলাদেশ’ আর অধিকাংশ তরুণের নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হতে পারে না
। কাজ অথবা বিদ্যালাভের জন্য তারা স্বদেশ ছাড়েন এবং অধিকাংশই (স্থায়ীভাবে) ফেরেন না। কিন্তু স্বদেশকে ভুলে থাকতে পারেন না – বরং দূরত্বের বেদনায় তীব্র স্বদেশপ্রেমে আপ্লত থাকেন অনেকে। গণমাধ্যমে স্বদেশের সংবাদ নেন, সংবাদ বিশ্লেষণ করেন ও অভিমত দেন। ফেইসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদি সামাজিক মাধ্যমে তারা দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক ঘটনাবলীতে জড়িয়ে থাকার চেষ্টা করেন। নিজ দেশের মানুষের সাথে আকাশপথে পরিচিতি গড়ে তোলেন। দূরে থেকেও স্বদেশের আকর্ষণ নতুনভাবে উপলব্ধি করেন।

বলছি প্রবাসী ব্লগারদের কথা। তাদের মধ্যে অনেকের নিকনেইম আজ কিংবদন্তি লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে ছাপে তাদের লেখা। (কেউ আবার বিদেশী নাগরিকত্ব বা দূরত্বের সুবিধা নিয়ে একটু একটু বাড়তি কথা বলার সুযোগ নিয়ে থাকেন। অপমানজনক, দেশপ্রেমহীন এবং দায়িত্বহীন মন্তব্য দিয়ে থাকেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়ে, যা হয়তো স্বদেশে থাকলে সাহস করতেন না।) পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলাভাষী ব্লগাররা ব্লগকে চব্বিশ ঘণ্টা মাতিয়ে রাখেন। ফটোপোস্ট, ভ্রমণ পোস্ট এবং প্রবাসী জীবনের লেখা দিয়ে সমৃদ্ধ করে চলেছেন বাংলা ব্লগকে। ফলে ব্লগ হয়েছে মেধাবী তরুণদের স্বদেশে ফেরার প্রেরণা। জয়তু প্রবাসী ব্লগার!

৩.
ব্লগ লেখার প্রেরণা আসে ‘ব্লগারের উদ্দেশ্য’ থেকে।
তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা, তবে লেখায় থাকে যুক্তি ও তথ্যের সম্মিলন। এখানে নতুন/পুরাতন বলে কোন কথা নেই। তিনি প্রবন্ধ লেখছেন, নাকি নিবন্ধ লেখছেন, নাকি কবিতা লেখছেন – কিছুই যায় আসে না। লেখার মূল বক্তব্যে থাকে আদর্শের প্রতিচ্ছবি। আদর্শবাদী ব্লগাররা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্য হতে আসেন এবং তুলনামূলকভাবে বেশিদিন টেকেন। এঁরা ব্লগের বটবৃক্ষ! অতীত ও ভবিষ্যৎ ব্লগারদের মধ্যে যুগবন্ধনকারী। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ব্লগে তাদের মন্তব্য সাধারণত শ্লেষপূর্ণ ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়।

বলাবাহুল্য, প্রতিক্রিয়াশীলতা পুরোপুরি নেতিবাচক কোন বিষয় নয়। বিপ্লব ও সংস্কারের তাড়না আসে প্রতিক্রিয়াশীলতা থেকে। দেশের প্রচলিত আইন ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রেখে পরিবর্তনের কথা বলা কোন অপরাধ নয়। বাংলা ব্লগের শুরুর সময়টি ছিল আদর্শবাদী ব্লগারদের সোনালি দিন। বর্তমান সময়টিও ফেলনা নয়, তবে সোনালি রুপালি ইত্যাদি ‘রঙ’ দিয়ে এখন আর ব্যাখ্যা করা যায় না!

যা হোক, আদর্শবাদী ব্লগাররা কিন্তু ব্লগের ‘হিট লক্ষ্ণী’। মন্তব্য ১টি, পঠিত ১১,২৮৮বার! অথবা তিন লাইনের একটি লেখায় দেখবেন মন্তব্য পড়েছে মাত্র ৩০২টি! (অবশ্য, ট্যাগিং, বিভক্তি সৃষ্টি এবং দেশের হারিয়ে যাওয়া ও গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ‘অবহেলিত গালিগুলোকে’ একত্রিত করে সেগুলোকে বহুলপ্রচলিত ও জনপ্রিয় করার কাজে কিছু ব্লগারের অবদান অনস্বীকার্য।)

জাতীয় এবং সামাজিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুাতে জনমত সৃষ্টি করা এবং কর্তৃপক্ষকে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছেন এশ্রেণীর ব্লগাররা। নতুন প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি এবং জাতীয়তাবাদের ভিত মজবুত করে চলেছেন তারা। নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে সৃষ্টি করেছেন ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা।

৪.
ব্লগ যেন সৃজনশীলতার চারণভূমি! এখানে সৃজনশীলতা পয়দা হয়!
তাৎক্ষণিক প্রকাশ, তাৎক্ষণিক মন্তব্য আর অভিমতের সুযোগ নিয়ে অনেক স্ট্যাটাস লেখক জীবনমুখী গল্পকার, ছড়াকার বা কবিতে পরিণত হয়েছেন। কেউবা হয়েছেন বিবর্তিত! নাকি মেটামরফোসিস? ছিলেন কবি, হয়েছেন গল্পকার; অথবা ছিলেন ডাক্তার, হয়েছেন কবি! (কেউ কেউ লেখতে লেখতে আরও ভোঁতা হয়েছেন। কিছুই হতে পারেন নি/হন নি, বরং যা ছিলেন, তা হারাবার দশা হয়েছে! নেভার মাইন্ড, তাদের সংখ্যা এতই কম যে খালি চোখে দেখা যায় না!)

ঠিক ব্যাখ্যা করতে পারবো না, কিন্তু ব্লগ থেকে সৃষ্ট লেখকেরা যেন ‘ভিন্ন একটা জেনার’ সৃষ্টি করছেন বাংলা সাহিত্যে। প্রথাগত গ্রন্থকারদের সাথে তাদেরকে পুরোপুরি মেশানো যায় না। তাতে ব্লগারদেরই লস হবে। (অন্যদিকে কেউবা হয়েছেন বনসাঁই – বয়স বাড়লেও অন্যকিছু বাড়ে নি। বছরের পর বছর লেখেও ‘জাতীয়’ বানান লেখতে পারেন না। প্রচলিত শব্দগুলোকে না জেনেই নতুন শব্দগঠনে নামেন। আর, কবিতার কী ছিরি! যাক, এসব বিষয় তত ব্যাপক নয়।)

সৃজনশীল ব্লগাররা ব্লগের সাহিত্য সম্ভারকে গড়ে তুলেছেন। সৃজনশীলেরা একদিনে তৈরি হয় নি। পরিশ্রম, একনিষ্ঠতা, অধ্যয়ন ও জীবনবোধ হলো সৃজনশীল ব্লগারদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। কেউ ব্লগার হয়ে লেখক হয়েছেন, কেউবা আগেই লেখক ছিলেন। তবে ব্লগে প্রথম শ্রেণীর লেখকের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু সকলেরই আদি এবং অন্ত ব্লগ। এঁরা সৃজন করেন। নামের কারনেই সৃজনশীলদের নাম অনেক ওপরে!

ব্লগারদের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। কেউ বলছেন বেড়েছে, কেউ বলছেন কমেছে। জনসংখ্যা আর ইন্টারনেট ইউজার যদি বাড়ে, তবে ব্লগারের সংখ্যা কমে কীভাবে? আমি বলছি, দু’টোই হয়েছে। বেড়েছে ব্লগার এবং ব্লগসাইট; কমেছে প্রতি ব্লগসাইটের নিজস্ব ব্লগারের সংখ্যা। সব মিলিয়ে একটি বৃহৎ ব্লগার কমিউনিটি গড়ে ওঠেছে বাংলা ভাষায়। সংবাদ মাধ্যমের কোন বিষয়ে সন্দেহ বা বিভ্রান্তি থাকলে মানুষ ব্লগে তাকায়, ব্লগের পৌনপুনিক দাবিগুলো অবশেষে মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে গড়ায়। কারও অধিকার ক্ষুণ্ন হলে উভয়ে (অনলাইন ও অফলাইন) সমস্বরে চেঁচিয়ে ওঠে। ব্লগার এবং সামাজিক মাধ্যমের বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৭ [Somewhereinblog.net]

ব্লগের বিশালত্ব – ব্লগ ব্লগিং ও ব্লগার সম্পর্কে এক্সপার্টদের ৩৯ উক্তি

“আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা”
———————————————————

1) সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমে ব্লগিংএর প্রভাবটি খুবই ইতিবাচক এক শক্তি। -গ্যারেট গ্রাফ

2) একটি চমৎকার ব্লগের মালিক হওয়া নয়, এমন ব্লগ লেখুন যা পাঠকের জন্য পড়তে চমৎকার। -ব্রায়ান ক্লার্ক

3) ব্লগারের সর্বশেষ ভোক্তা হলো পাঠক, সার্চ এন্জিন নয়। -গুগল এসইও গাইড

4) ব্লগে ব্যবহার্য মুদ্রার নামটি হলো বিশ্বাসযোগ্যতা আর আস্থা। –জেসন ক্যালকানিস

5) ইন্টারনেটে কোন ইরেজার নেই। -লিজ ‍স্ট্রস

6) একবার একটি হিট পাওযাকে সফল ব্লগিং বলে না – দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুগত ফলোয়ার সৃষ্টি করা চাই। -ডেভিড অ্যাস্টন

7) ইন্টারনেটে প্রচুর তথ্য আছে যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়; আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, নিজের তথ্যসমূহকে ভিন্নতা দেওয়া। -ম্যাট উল্ফ

8) সফল ব্যক্তিরা স্প্যাম করেন না, অর্থাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত লেখা/পোস্ট/ইমেল দেন না। -এডরিন স্মিথ

9) র‌্যাংকিংয়ে ওপরে ওঠার পেছনে অগণিত কারণ রয়েছে – তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভালো কনটেন্ট থাকা। -ডেভিড সিনিক

10) ব্লগার যখন পাঠকের মনোভাব আর দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রভাব সৃষ্টি করে, তখন অবচেতনে তার লেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

11) বাস্তবিক জীবনে সবাই যেখানে মেজাজ দমন নিয়ে চিন্তিত, সেখানে শুধু আঙ্গুল দমন করেই আপনি কিন্তু মহাত্মা ব্লগারে রূপান্তরিত হতে পারেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

12) মন্তব্য ছাড়া নিজের লেখাকে নিজেই আমি চিনতে পারি না। কম বা হালকা মন্তব্যের লেখাগুলোকে যেন অন্যের সন্তানের মতো অচেনা লাগে! (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

13) সবচেয়ে বড় কৌশল হলো ভালো কিছু লেখা, নিশ্চিত হয়ে লেখা এবং সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা কথাটিকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা। অন্যভাবে বলা যায়, পাঠককে উচ্চতর স্থানে রাখা এবং তাকে হেয় জ্ঞান না করা। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“অর্থ আয়/ ব্লগিং ক্যারিয়ার”
———————————————————

14) ‘পেশাদার ব্লগার’ কথাটি এখন আর পরস্পর-বিরোধী বিষয় (oxymoron) নয়। -লুক ল্যাংফোর্ড

15) ব্লগিং করে টাকা বানাতে হলে মাত্র দু’টি কাজ করতে হয়- প্রচুর হিটের ব্যবস্থা করা এবং তা থেকে নিজের আয়কে বাড়িযে তোলা। -জন চউ

16) ক্যারিয়ার হিসেবে ব্লগিং ভালো মাধ্যম। একটি উত্তমভাবে প্রস্তুত ব্লগ আপনাকে নিজ বিষয়ে অভিজ্ঞ করে তুলতে পারে। -পেনিলোপি ট্রাংক

17) শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট

18) আমি আমাদেরকে সাংবাদিকেই মনে করি, আমাদের মাধ্যম হলো ব্লগ। -জশুয়া মিকা রিচিল

19) ব্লগিংকে পেশা হিসেবে নেবার সময় এসেছে। পশ্চিমে ব্লগিং করে জীবিকা অর্জন করছে এরকম ব্লগারের সংখ্যা গুণা যায় না। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

20) নিজের সাথে একটি গোপন চুক্তিতে আসুন। তা হলো, আপনি যে বিষয়ে লিখবেন, শপথ নিন যে তাতে ষোলআনা জেনে শুনেই লিখবেন। অথবা যা জানেন মানেন এবং বুঝেন সেগুলো দিয়েই লিখতে শুরু করবেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“শ্রম, সময় ও আন্তরিকতা”
———————————————————

21) সামাজিক মাধ্যম একটি ধারণা নয়, এটি মানবিক। -গ্যারি ভেইনারচুক

22) ভেতরে আমরা যা দিচ্ছি সেটাই হলো ব্লগ, সংজ্ঞা নিয়ে ব্যস্ত ‍থাকা হলো বোকামি। -মাইকেল কনিফ

23) যদি সব প্রশংসা গ্রহণ করতে পারেন, তবে সব সমালোচনাকেও মেনে নিতে হবে। -ক্রিস ব্রগান

24) আমার ব্লগিং জীবনটি মূলত লক্ষ্যহীন। আমি এর স্বভাবটি পছন্দ করি এবং উল্টোভাবে এটিই ভালো ফল দিচ্ছে। -সেত গোডিন

25) নিজের পোস্ট প্রকাশ করা এবং অন্যের পোস্টে মন্তব্য দেওয়া – মাত্র দু’টি কাজ করেই ইন্টারনেটের ভারচুয়াল সমাজে আমরা নিজেদের অস্তিত্বকে ধরে রেখেছি। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“ব্লগিংয়ের প্রেরণা”
——————————————————–

26) একটি কোমল উপায়ে আপনি নাড়িয়ে দিতে পারেন দুনিয়া । -মহাত্মা গান্ধি (জানতাম না তিনিও যে ব্লগিং করতেন ;) )

27) সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

28) ব্লগিং করুন, নিজের চেতনা ও বিশ্বাসকে প্রকাশ ও পরীক্ষা করার জন্য। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

29) ব্লগিং করি জানাবার জন্য, যোগাযোগ সৃষ্টি করার জন্য, সৃষ্টি করার জন্য এবং প্রেরণার জন্য। (নাম পাওয়া যায় নি)

30) অনেকেই বলেন, লেখার মানটাই আসল। বানান ভুলটুল কোনো ব্যাপার না। আমিও মনে করি লেখার মানটাই আসল। এবং এও মনে করি, নির্ভুল বানান এবং নির্ভুল বাক্যবিন্যাস মানসম্মত লেখার একটি অন্যতম উপাদানঅলওয়েজ ড্রিম

“সামু’র ব্লগারদের ব্লগীয় উক্তি”
———————————————————

31) ব্লগিং নিয়ে যতটুকু জানি, তাতে আমি ভীষণ আশাবাদি। ব্লগ আমাদের আলোচনার জায়গা, শেখার জায়গা, তথ্য আদান প্রদানের জায়গা। প্রফেসর শঙ্কু

32) বাংলা ব্লগিংয়ের সাম্প্রতিক দুঃসময় নিয়ে আমি চিন্তিত নই। সময়টাকে আমি রুপান্তরকরণ হিসাবেই দেখছি। মামুন রশিদ

33) ব্লগের দরকার না ফুরিয়ে বলবো আগের থেকে অনেক বেড়েছে। বড় পোস্ট ফেইসবুকে মানুষ পড়তে চায়না দিতে চায়না। আর তথ্য দেবার জন্য ব্লগ এখনো সেরা মাধ্যম। ফেইসবুকে তথ্য খুঁজে পাওয়া খুবই ঝামেলার। ব্লগে লেখা পড়তে বেশ আনন্দ লাগে। রাজিব

34) আজ ব্লগ এবং ব্লগার এই শব্দ দু’টির বিশেষ মান তৈরী হয়েছে, একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগে। নানান সামাজিক মঙ্গলে, জাতিয় স্বার্থ রক্ষায়, সামাজিক অন্ধকার বিমোচনে ,মানবিকতায় বাংলা ব্লগাররা একত্রিত হয়ে এক অনন্য উদাহরণ তৈরী করেছেন যা বিশ্বের অন্যন্য ব্লগ পরিমন্ডলে দেখা যায়নি।সামু’র নোটিশ বোর্ড

মন্তব্য নিয়ে ব্লগারদের মন্তব্য
———————————————————

35) যেসব ব্লগার অনবরত পোস্ট প্রজনন করেই চলে, আগের পোস্টের মন্তব্যের জবাব না দিয়েই আরেকটি পোস্ট করে – তাদের লেখায় মন্তব্য না দেওয়াই উচিত। এতে দুটো কাজ হতে পারে, তিনি মন্তব্যের জবাবের প্রতি যে দায়বদ্ধ তা বুঝতে পারবেন, ফ্লাডিংটাও কমার সুযোগ থাকে। স্বাধীকার

36) মনোযোগী পাঠকের মন্তব্য সৃজনশীল হতে বাধ্য, যদি সে অকপটে নিজেকে প্রকাশ করে, আর যদি সেইটা লেখার সময় ও ভাব তার থেকে থাকে! … ব্লগের অন্যতম প্রধান শক্তি হচ্ছে এখানে সরাসরি লেখক পাঠকের মিথস্ক্রিয়ার সুযোগ, আর তার প্রধান বাহন হচ্ছে মন্তব্য। ৎঁৎঁৎঁ

37) সত্যিকার অর্থেই শুধু পোস্ট নয়, মন্তব্য একজনের সম্পর্কে আমাদের অনেক ধারণা দেয়। তার ব্যক্তিত্ব, তার ইমেজ সব কিছুই। তাই মন্তব্য হেলাফেলায় করা উচিত নয়। মন্তব্য ছোট হতে পারে। তবুও তা সুন্দর হওয়া উচিত। সমালোচনা করলেও গঠনমূলক হওয়া উচিত। মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব

38) আমি যখন দেখব আনাড়ি ব্যক্তি নিয়মিত কিছু লিখছেন তখন সেখানে গিয়ে তাকে সত্যিকার ভালো মন্দ জানানোটা জরুরি। নতুন হিসেবে তার যদি শেখার মনোভাব থাকে তাহলে সেখানেও তাকে পরামর্শ দেয়া যায়। তবে অনেকেই পরামর্শ ভালো ভাবে নিতে চান না। তাদের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।কাল্পনিক ভালোবাসা

39) পাঠকের একটি চিন্তাশীল মন্তব্যকে আমি নিজের লেখার চেয়েও বেশি মূল্যায়ন করি। পাঠকের মন্তব্য দেখে আমি বারবার ফিরে যাই নিজের লেখায়। নিজেকে অন্যের চোখে দেখে ভীষণভাবে প্রভাবিত হই। একেকটি মন্তব্য যেন নিজেকে দেখার একেকটি আয়না। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

ব্লগ ও ব্লগিং বিষয়ে সামু’তে প্রকাশিত পূর্বের কয়েকটি পোস্ট:

ক. সংকলিত ব্লগ লেখার কৌশল
খ. ৩৯টি ব্লগিং অভিজ্ঞতা
গ. আধুনিক ব্লগারদের ১০টি প্রিয় ভুল
ঘ. লেখকের প্রতি পাঠকের আস্থা
ঙ. অন্যের পোস্টে সৃজনশীল মন্তব্য
চ. ‘মন্তব্য’ নিয়ে সামু’র সহব্লগারদের মন্তব্য
ছ. ব্লগার হিসেবে মালালা ইউসুফজাই
জ. ভারচুয়াল পারসোনালিটি – একটি আলোচনা
ঝ. বাংলা ব্লগের সম্ভাবনা
ঞ. কেন ব্লগিং করবেন…

———————————————————
টীকা: ব্লগারদের মন্তব্যগুলো লেখকের পোস্টে সংশ্লিষ্ট ব্লগারদের মন্তব্য থেকে সংগৃহীত। বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্তিগত অনুসন্ধান থেকে উক্তিগুলো সংগৃহীত। সকল ছবি ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত।

==========================================================================

লেখাটি সামহোয়্যারইন ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তরিত।

==========================================================================

৮৪টি মন্তব্য

১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:ব্লগিং বাংগালীকে লিখতে ও বলতে সাহায্য করছে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এবং আমার ব্লগে স্বাগতম।

২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঢাকাবাসী বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। দেখুন এদেশে অর্ধেকের বেশী লোক অশিক্ষিত, আশি ভাগ লোক গরিব। কিসের ব্লগিং, কে করবে, কিভাবে করবে! একটা দৈনিক পত্রিকার পাঠক ক’জন, সব মিলিয়ে ক’জন পত্রিকা পড়ে অনেকে জানেননা, কারন আসলটা কেউ বলেনা। ভুল বুঝবেননা প্লিয্।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় ঢাকাবাসী, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। একটু ভুল বুঝি নি। আমি সারা বাংলাদেশের লোকদের সাথে কথা বলছি না, আমার ওডিয়েন্স কিন্তু ব্লগার এবং ফেইসবুকার। অতএব…তাছাড়া, আপনি তো ১৫/২০ বছর আগের পরিসংখ্যান নিয়ে কথা বলছেন। দেশের শিক্ষার হার এখন ৬০/৭০ পেরিয়ে ৮০ কাছাকাছি; দরিদ্রমুক্তির হারও প্রায় একই। দৈনিক পত্রিকা এখন ক্ষেতের আঁল পর্যন্ত যায় এবং ১/৩য়াংশের বেশি মানুষের হাতে আছে মোবাইল। তাদের অধিকাংশের হাতে এখন থ্রিজি। তারা ফেইসবুকের মধ্য দিয়ে ব্লগেও উঁকি দিতে শুরু করেছে। আমি কিন্তু গ্রামেরই ছেলে।

আন্তরিক মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ :)

৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫০

জুন বলেছেন: অভিনন্দন আপনাকে শতবর্ষের পোষ্টের জন্য :)
ব্লগিং বিষয়ে সেদিন আমি গুগুলে অনেক কিছু তথ্য দেখলাম কিন্ত আপনার মত করে চমৎকার গুছিয়ে লেখার সাধ্য আমার নেই, তাই শুধু দেখে যাই :)
+

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন:  জুনাপাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার উপস্থিতি সবসময় আনন্দদায়ক।গুগলে তো দুনিয়ার সকল জ্ঞানই পাওয়া যায়। এখন প্রকৃত জ্ঞান হলো, কোন্ জ্ঞান আপনি গ্রহণ করবেন সেটি বুঝতে পারা। হাহাহা!B-) ;)

৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০০

সুমাইয়া আলো বলেছেন: ১০০তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। সাথে আগুন পোস্ট।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন:  ‘আগুন পোস্ট’ ….হাহাহা!অনেক ধন্যবাদ, সুমাইয়া আলো…. ভালো থাকুন সবসময়! :)

৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,ভেবে দেখার মতো বিষয় ।

ব্লগারদের উক্তিগুলোই আমাদের চোখ খুলে দেয়ার জন্যে যথেষ্ট ।

ধন্যবাদ লেখাটির জন্যে ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ আপনাকে জনাব আহমেদ জী এস…শুভেচ্ছা জানবেন :)

৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: 17) শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট23) যদি সব প্রশংসা গ্রহণ করতে পারেন, তবে সব সমালোচনাকেও মেনে নিতে হবে। -ক্রিস ব্রগান

এই মন্তব্য দুটো সবচেয়ে ভাল লেগেছে।

জানতে নন এক্সপার্ট মন্তব্য বলতে কি বুঝিয়েছেন?

পোস্টে প্রথম ভাল লাগা রইল :)

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন:  ১৭ এবং ২৩! ওয়াও… আপনি আমার পছন্দের দু’টি উক্তি বেছে নিয়েছেন, আমি তুমি আমরা!নন-এক্সপার্টের মন্তব্য মানে হলো ‘যে মন্তব্যটি এক্সপার্টের নয়’ ;)

অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা জানবেন……

৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৪

প্রামািনক বলেছেন: আপনার ৩৯উক্তি পড়েছি। আপনি শততম পোষ্টে পা দিয়েছেন জেনে খুশি হলাম। শুভেচ্ছা রইল মইনুল ভাই।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন:  ব্লগিং সম্পর্কে ৩৯ উক্তি পড়ার জন্য এবং শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ, প্রিয় ছড়াকার ভাই….( আগামি শুক্রবার সারাদিনের জন্য বইমেলায় যাচ্ছি। আশা করছি দেখা হবে? )

৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৮

শায়মা বলেছেন: মাত্র ৩৯!!!!!!!!!!B:-/

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন:  মাত্র ৩৯??? এইটুকু বের করতেই ‘নন-এক্সপার্টের’ সহায়তা নিতে হয়েছে। ইন্টারনেটের সবকিছু আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক ছিল না, শায়মা! বাঙালি ব্লগারদের উক্তিগুলো চেখে দেখবেন। ব্লগিং সম্পর্কে ভালো উক্তি বাঙালি ছাড়া আর কে দিতে পারে বলুন?! B-) ;)ভালো থাকবেন…..

৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৩

জামাল হোসেন (সেলিম) বলেছেন: ব্লগে আজকাল আর লিখি না। কোন ব্লগেই না। প্রথম আলো ব্লগটা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এতটাই আঘাত পেয়েছি মনে, ও পথে আর যাচ্ছিনা। বাংলা ব্লগের উপর ব্লগারদের উপর বড় একটা আঘাত করেছে ওরা। I mean প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ। একবার নয়, পর পর দুবার।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন:  বাদ দিন ওসব মুনাফাখোর সামন্তবাদিদের কথা। ওরা মুখে বলে একটা, করে আরেকটা। এখানেই আবার শুরু হোক ব্লগিং, সেলিম ভাই। অনেকদিন পর আপনার সাথে বাতচিত হচ্ছে। ভালো থাকবেন :)

১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৯

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:শততম পোস্টের শুভেচ্ছা। অভিনন্দন গ্রহন করুন প্রিয় ব্লগার।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন:  অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা!

১১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩১

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ভাইজান।
আপাতত অভিনন্দনেই সীমাবদ্ধ রাখলাম। মূল মন্তব্যটা রাতে করবো। :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় বিদ্রোহী বাঙালি :)

১২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪২

কলমের কালি শেষ বলেছেন: শততম পস্টে অভিনন্দন ।চমতকার শেয়ার । উক্তিগুলো যে কাউকেই সফল ব্লগিং করতে অনুপ্রাণিত করবে নিঃসন্দেহে ।

শুভ কামনা । :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাদের মন্তব্য আমার ব্লগ লেখার প্রেরণা। সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১২

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: নিজের কথাগুলো, চিন্তাগুলোকে শব্দের বুননে আবদ্ধ করতে পেরেছি সামুর জন্য। সাথে কিছু গুণী মানুষের আলোচনা সমালোচনায় নিজেকে চিনতে পারছি নতুন করে।তাই ব্লগ আমার কাছে অনেক কিছু।
যা হোক অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তার জন্য দুঃখিত।উক্তিগুলো অসাধারণ। নিজেই অনুপ্রাণিত হলাম। ভালো থাকবেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন:  আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, দিশেহারা রাজপুত্র।আপনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন জেনে আমি আনন্দিত :)

১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন । ব্লগিং বিষয়ে অনেক কিছু জানা গেল । সুনামধন্য ব্লগারদের মতামত জানা গেল । মামুনরশিদ ভা্ইকে মিস করি খুব ।দারুন সব কমেন্ট করতেন তিনি । ভাল লাগলো +

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা আর শুভেচ্ছা!

১৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫০

সুমন কর বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। !:#P!:#Pসবগুলোই মনযোগ দিয়ে পড়লাম। ভাল লাগল।

৩, ৬, ৮, ১২, ১৭, ২০, ২৩, ২৪, ২৫, ২৯, ৩৪, ৩৯ চমৎকার। ;)

শুভ রাত্রি।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন:  সুমন করকে সবসময় একজন মনযোগী পাঠক হিসেবে পেয়েছি। এমন সঙ্গ কার না ভালো লাগে!

১৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৮

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: ব্লগ আমাদের মনের ভাব প্রকাশের একটা মাধ্যম

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:  ঠিক বলেছেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ :)

১৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:১০

রামন বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। এমন তো নয় যে এবারেই ভাল লিখেছেন; আপনার আগের প্রত্যেকটি লেখাকে বলা যাবে সুলেখা,যা ছিল মার্জিত এবং উপভোগ্য। সামুর পাঠকদের জন্য লেখা শততম পরিশ্রমী পোস্টের জন্য আপনাকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:  ওয়াও…. বিশাল বড় প্রশংসা। মন ছুঁয়ে গেলো ভাই রামন!আপনাকেও জানাই আন্তরিকত কৃতজ্ঞতা।

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:০৪

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: শততম পোস্টের শুভেচ্ছা প্রিয় মইনুল ভাই।পোস্ট প্রিয়তে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:  প্রবাসী পাঠককে অনেক ধন্যবাদ। ব্লগে এবং ফেইসবুকে আপনি আমার সঙ্গী হয়ে আছেন। বিষয়টি ভালো লাগার!

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:১৪

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: এক্সপার্টদের উক্তি, নন-এক্সপার্টদের উক্তি, ব্লগারদের উক্তি, সহব্লগারদের ব্লগ সম্পর্কিত কিছু চমৎকার মন্তব্য সব মিলিয়ে শততম পোস্টে দারুণ আয়োজন।
নন-এক্সপার্টটা কেডায়? আমাগো ব্লগরত্ন মইনুল ভাইজান না?:P
আওয়াজ দিয়ে যাই-তে শেয়ার দিয়েছিলাম। মুছে দিয়েছেন মনে হয়। ক্যারে? সরমিন্দা হইছেন নাকি? এই জন্যই কিন্তু আমি ‘বিদ্রোহী বাঙালি’ শেয়ার দিয়েছিলাম। ইট্টু আক্কল আছে অহনো। :)শততম পোস্টের জন্য আবারও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইলো মইনুল ভাই। পথচলা অব্যাহত থাকুক এটাই প্রত্যাশা করছি। নিরন্তর শুভ কামনা রইলো।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন:  হাহাহ!….. অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় বিদ্রোহী বাঙালি। আপনারাই আমার ব্লগ লেখার প্রেরণা হয়ে আছেন। পথচলা এমনভাবেই অব্যাহত থাকবে।শুনুন, আপনি সম্পাদক হিসেবে পোস্ট দেন নি; এজন্য ‘আওয়াজ দিয়ে যাই’ সেটিকে পাশে রেখে দিয়েছে। আমি কিছু মুছি নি।

২০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:৩৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: নন-এক্সপার্টটা কেডায়? আমাগো ব্লগরত্ন মইনুল ভাইজান না? -আবার জিগায়! =p~মন্তব্য ছাড়া নিজের লেখাকে নিজেই আমি চিনতে পারি না। কম বা হালকা মন্তব্যের লেখাগুলোকে যেন অন্যের সন্তানের মতো অচেনা লাগে! (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি) – হাঃ হাঃ হাঃ…বেশ ভাল বলেছেন মিঃ “ননএক্সপার্ট” :)

সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন।(ননএক্সপার্ট-এর উক্তি) -চমৎকার কথা বলেছেন!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন:  লেখার জন্য নিজ হাতে কার্ড বানানো এত বড় শুভেচ্ছা আমি এর আগে পাই নি। এ আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় জাফরুল মবীন…সামহোয়্যারইন ব্লগে আপনার দৃপ্ত পদচারণায় সকলের মতো আমিও গর্বিত।…… শুভেচ্ছা থাকবে সবসময়!

২১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৫০

আরজুপনি বলেছেন:আমি সাধারণত বর্ষপুর্তিতে যত বর্ষ হয় ততগুলি ইমো দেই…এবার শততম পোস্টে কী করবো ?

!:#P ……………………………………………………………………………………..!:#P

অনেক অনেক অভিনন্দন রইল…ছাড়িয়ে যান হাজার পোস্টের সীমানা।

গতরাতে অফলাইনে পুরোটা মন্তব্য সহ দেখছিলাম আর আমিও ননএক্সপার্ট মন্তব্য কার হতে পারে ভাবছিলাম ;)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন:  ইমো-যুক্ত শুভেচ্ছা পেয়ে আমি আনন্দিত। ইমোর সংখ্যা ঠিকই আছে :)আপনার মতো স্টার ব্লগারদের সঙ্গ পেলে হাজার পোস্টের সীমানা ছাড়াবার চেষ্টা থাকবে।

অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় সহব্লগার আরজুপনি!

২২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন:  আপনাকে মন্তব্যে পেলে সবসময়ই আনন্দিত হই। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন :)

২৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৭

দীপান্বিতা বলেছেন: সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকেশততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন:  ধন্যবাদ, দীপান্বিতা!

২৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১৪

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: উপরে যতগুলো উক্তি আছে তার মাঝে আমি প্রথমে রাখব এইটাকেঃ “শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট”বাকিগুলোও চমৎকার। আহেম আহেম নন এক্সপার্ট কিছু মন্তব্য বেশ পরিচিত মনে হলো B-) B-)

মহাত্মা গান্ধীর ব্লগ লিঙ্কটা আছে নাকি আপনার কাছে?? ইনবক্স কইরেন তো;)

শততম পোস্টের জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন প্রিয় মইনুল ভাই। ইয়ে মানে….. শততম পোস্ট আমাকে উৎসর্গ করায় যার পর নাই আনন্দিত এবং কিঞ্চিৎ লজ্জিত :D

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সকল সহব্লগারকেই উৎসর্গ করেছি। একমাত্র আপনার নিকট থেকেই প্রাপ্তিস্বীকার পেলাম। অনেক খুশি হলাম, প্রিয় মহামহোপাধ্যায় :)মহাত্মা গান্ধীর লিংকটি ধরুন ……..

শুভেচ্ছা :)

২৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৩০

সুফিয়া বলেছেন: ব্লগিং সম্পর্কে অনেকের ভিন্নধর্মী মতামত জানা গেল আপনার পোস্ট থেকে।ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।

আর পোস্টে সেঞ্চুরি করার জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন রইল। আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারের আরও অগ্রযাত্রা কামনা করছি।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন:  সুফিয়াকে তার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা!

২৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫

ইছামতির তী্রে বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ‘এক্সপার্টদের চেয়ে দেখি ‘নন-এক্সপার্ট’র’ মন্তব্যেই জটিল লাগছে! হাহাহাযাইহোক, অনেক অনেক অভিনন্দন আপনার শততম পোস্টের জন্য। অবশ্যই এটিও অসাধারণ একটি পোস্ট। আমি প্রথম থেকেই দেখে আসছি যে, আপনি সামু-র একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। আপনাদের জন্যই আমরা এখানে আসি বা আছি।

আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্টের প্রত্যাশায়…।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন:

//শ্রদ্ধেয় ‘এক্সপার্টদের চেয়ে দেখি ‘নন-এক্সপার্ট’র’ মন্তব্যেই জটিল লাগছে!//
8-| ;)//আমি প্রথম থেকেই দেখে আসছি যে, আপনি সামু-র একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। আপনাদের জন্যই আমরা এখানে আসি বা আছি। //
-বিশাল বড় প্রাপ্তি।ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা জানবেন :)

২৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩৪

দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনিঃশেষ শুভকামনা মইনুল ভাই।অন্তর্জালের করণীয় সম্পর্কে সামান্য যা শেখার চেষ্টা করেছি, যাঁদের কাছে, তাঁদের মধ্যে আপনি অন্যতম একজন।

শততম পোস্টের শুভেচ্ছা থাকছে।

শুভকামনা থাকছে অনিঃশেষ।

ভালো থাকবেন। সবসময়।

11) বাস্তবিক জীবনে সবাই যেখানে মেজাজ দমন নিয়ে চিন্তিত, সেখানে শুধু আঙ্গুল দমন করেই আপনি কিন্তু মহাত্মা ব্লগারে রূপান্তরিত হতে পারেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

আঙ্গুল দমনের বিষয়টা নতুন ভাবে মাথায় ঢুকলো!!!

শুভকামনা পুনরায়।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন:  কবি দীপংকর চন্দ কেমন আছেন? আপনার আন্তরিক মন্তব্য সবসময় আমি উপভোগ করি।ননএক্সপার্টের উক্তিটিতে দৃষ্টি দেবার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন….

অনেক শুভেচ্ছা!

২৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৯

আবু শাকিল বলেছেন: ১০০তম পোষ্টের জন্য অভিনন্দন মইনুল ভাই ।ভাল থাকবেন সব সময় ।

ব্লগ ব্লগিং ও ব্লগার সম্পর্কে এক্সপার্টদের দারুন দারুন কথা পড়লাম ।
ধন্যবাদ ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় আবু শাকিল ভাই!ভালো থাকুন আপনিও!

২৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:১৭

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: শুভেচ্ছা মইনুদ্দিন মইনুল , সুন্দর সাবলীল পোস্ট ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন:  ধন্যবাদ, কবি!

৩০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:২০

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: অভিনন্দন| লেখাটার সাথে দেয়া লিঙ্কগুলোর জন্যেও ধন্যবাদ

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আরন্যক রাখালকে অনেক ধন্যবাদ!

৩১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩১

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: এক্সপার্ট-এর চেয়ে, নন-এক্সপার্টের উক্তিগুলো বড়বেশী আপন আপন মনে হলো !!!!আমাদের এই সাদামাটা ব্লগার (নন-এক্সপার্ট) ভাইটি চিরদিন এমনি করেই লিখতে থাকুন !!!

শততম পোষ্টে শত কোটি শুভেচ্ছা !!!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: //আমাদের এই সাদামাটা ব্লগার (নন-এক্সপার্ট) ভাইটি চিরদিন এমনি করেই লিখতে থাকুন!!! //হাহাহাহা!

কামরুন নাহার আপা, সামুতে আপনি আসায় ফুলের শুভেচ্ছা পেতে শুরু করলাম। সেই আন্তরিক সব কথাগুলোও পেতে শুরু করলাম।

অনেক কৃতজ্ঞতা!

৩২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৩৮

নাসরিন চৌধুরী বলেছেন: শততম পোস্টের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।
গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন:  কবি নাসরিন চৌধুরীকে অনেক কৃতজ্ঞতা।ভালো থাকবেন…..

৩৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৫

রোদেলা বলেছেন: এইরকম একটা কঠিন কাজ কেমনে করলেন,সত্যি অসাধারন পোস্ট।প্রিয়তে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন:  প্রিয়তে যেতে পেরে অনেক খুশি হলাম…. কবি রোদেরা আপা!শুভেচ্ছা জানবেন….

৩৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৯

এনামুল রেজা বলেছেন: ব্লগার রাজিবের এই উক্তির সাথে আমি একমত-

ব্লগের দরকার না ফুরিয়ে বলবো আগের থেকে অনেক বেড়েছে। বড় পোস্ট ফেইসবুকে মানুষ পড়তে চায়না দিতে চায়না। আর তথ্য দেবার জন্য ব্লগ এখনো সেরা মাধ্যম। ফেইসবুকে তথ্য খুঁজে পাওয়া খুবই ঝামেলার। ব্লগে লেখা পড়তে বেশ আনন্দ লাগে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন:  নিশ্চয়ই বেড়েছে ৫বছর আগে মাত্র দু’একটা ব্লগ ছিল। এখন অগণিত ব্লগসাইটের মাঝেও ব্লগারদের তেমন কমতি নেই।শুভেচ্ছা জানবেন, এনামুল রেজা!

৩৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪১

হামিদ আহসান বলেছেন: ভাল লাগল ৷ ব্লগার হিসেবে নিজেদের একটা অবস্থান যেন খুঁজে পেলাম৷ ১২ অার ১৩ নং উক্তি দুটি বিশেষভাবে মনে ধরেছে৷ অার ৩২ নম্বর উক্তিটা তো অামার মনেরই কথা৷শুভেচ্ছা মইনুল ভাই …..

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েছেন, বুঝা যায়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন হামিদ ভাই…

৩৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪৪

হামিদ আহসান বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ….

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন:  হাহা! অনেক ধন্যবাদ!

৩৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০৫

টুম্পা মনি বলেছেন: ভালো ব্লগ ভাবনা। 8-| 8-| 8-|সাথে অভিনন্দন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন:  টুম্পা মনিকে থেংকু!

৩৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: শততম পোষ্টের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই ।।
আরও হাজার হাজার পোষ্ট লিখুন আমাদের জন্য …
আমরা সমৃদ্ধ হই …

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন:  “হাজার হাজার পোস্ট” … হাহাহা, ধন্যবাদ।শুভেচ্ছা জানবেন, মনিরা সুলতানা আপা!

৩৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:১২

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ভাল লাগছে, পরিচিত অনেককেই পেলাম বলে।
অনেক দিন পরে জামাল হোসেন সেলিন ভাইকেও পেলাম!!!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন:  সবাই আপনার সুন্দর পোস্ট পেলে… এখানেও ভালো লাগবে।শুভেচ্ছা জানবেন, কামরুন নাহার আপা!

৪০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:২২

এহসান সাবির বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা।আমাদের সাথে থাকুন সব সময়।

শুভ কামনা রইল।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন:  অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এহসান সাবির :)

৪১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:২৮

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
ব্লগের বিশালত্ব ত্ব প্রত্যয়টির সূত্র ধরে আমিও দারুণ আশাবাদী। তবে আঙ্গুল দমন করতে চাইলে স্বভাব ও উদ্দেশ্যও তো নিয়ন্ত্রণ করা চাই। পাঠককে হেয় করে লেখালেখি বেশিদূর এগিয়ে নেওয়া যায় না, ষোলআনা জানাশুনা পাঠক সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন কিন্তু। প্রেরণার বিষয়ে দ্বিমত করছি না। আবার বলতেও হয় তৈলোসঙ্গ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা চাই। রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও চলেছেন ….জনাব,
শুভ কামনায় কোনও কমতি রাখলাম না। ভালো থাকবেন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ক’টি লাইনে আমার পোস্টের মূলবক্তব্য বলে দেওয়া আপনার কাজ, প্রিয় অন্ধবিন্দু।তৈলোসঙ্গ…. চমৎকার শব্দ কয়েন করেছেন…হাহাহা!

জনাব, আপনি কোন কমনি রাখেন না কোন সময়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন… এবং ভালো থাকবেন আপনিও!

 

==========================================================================

ব্লগসাইট যেভাবে ‘ব্লু চিপ স্ট্যাটাস’ লাভ করতে পারে

 

একটি ব্লগসাইট কীভাবে ব্লু চিপ স্ট্যাটাস লাভ করতে পারে? তার আগে চলুন ভেবে নেই, সেরকম একটি ব্লগসাইটের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে। ব্লু চিপ ভূষিত ব্লগসাইট হবে জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত, সর্বমহলের কাছে নির্ভরযোগ্য এবং আস্থাশীল একটি ব্লগিং ও নিউজ প্লাটফরম। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, সেটি হবে আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে শুরু হলেও ব্লগসাইটটি ক্রমান্বয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হবে এবং মানসম্পন্ন লেখার জন্য তারা ব্লগারদেরকে রয়্যালটি দিতেও সক্ষম হবে। সেটি হবে নতুন, পুরাতন এবং পেশাদার ব্লগারদের মিলনমেলা। একই সাথে সংবাদমাধ্যম, তথ্যভাণ্ডার, সাহিত্য সম্ভার এবং রেফারেন্স গাইড।

 

বর্তমান পৃথিবী হলো ‘যা নাই ইন্টারনেটে, তা নাই পৃথিবীতে’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। খবরের কাগজের একটি লেখা বা প্রবন্ধ, দিনশেষে পত্রিকাটি ভাঁজ করলেই লেখার মৃত্যু ঘটলো। কিন্তু অনলাইনের একটি লেখা চিরজীবন্ত এবং রেফারেন্স করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। অন্যদিকে, এযুগের মানুষগুলো সবকিছু ইন্টারনেট থেকে পেতে আগ্রহী। নিজের মোবাইলটি খুঁজতে গেলেও তারা গুগল সার্চ দিতে চায়। অতএব, একটি ব্লগসাইটও লাভজনক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে ব্লগ কর্তৃপক্ষের লক্ষ্যমাত্রা এবং ভবিষ্যতকে পরিমাপ করতে পারার সামর্থ্যের ওপর। সুর্নির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করতে পারলে শুধু ব্লগসাইট যে লাভবান হবে, তা নয়। এখানে যারা প্রদায়ক হিসেবে যারা প্রতিদিন বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে লেখে যাচ্ছেন, তারাও লাভবান হতে পারেন।

 

প্রথমত, মনোভাবের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। ব্লগসাইট সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস ও ধারণাকে ঢেলে সাজাতে হবে একবিংশ শতাব্দির বাস্তবতায়। দেশের অন্যান্য অলাভজনক এবং খুঁড়িয়ে চলা ব্লগসাইটগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। ব্লগসাইটকে ১২ মাসের সুনির্দিষ্ট পরিচালনা দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায়, এই তত্ত্বে বিশ্বাস করতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রিন্ট মিডিয়া আজ ক্ষয়িষ্ণু শিল্পে পরিণত হয়েছে এবং অনলাইন মিডিয়া এখন জ্যামিতিকভাবে ক্রমবর্ধমান।

 

দ্বিতীয়ত, ব্লগে হিট বাড়ানোর জন্য চাই সুর্নিদিষ্ট রোডম্যাপ। চাই অ্যালেক্সা রেটিং এর নিয়মিত বিশ্লেষণ। প্রথম লক্ষ্য হবে সকল ভালো মানের ব্লগারকে একত্রিত করা এবং দ্বিতীয় লক্ষ্য হবে সকল প্রকার পাঠকের মনযোগকে নিজেদের দিকে পরিচালিত করা। তৃতীয় লক্ষ্য হবে বিজ্ঞাপন দাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এই তিন প্রকার হিট বাড়ানোর জন্য চেষ্টাও হবে তিন প্রকার। মাস এবং কোয়ার্টার ভিত্তিক হিট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এবং একই সাথে সমধর্মী ব্লগসাইটগুলোর হিট স্ট্যাটাস নজরে রাখা।

 

তৃতীয়ত, একই সাথে আয়ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা করা, কারণ নিজস্ব আয় ব্যতিরেকে কোন ব্লগসাইট মানসম্মতভাবে দীর্ঘদিন পরিচালিত হতে পারে না। আর্থিক লাভের প্রত্যাশা না থাকলে প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান বাড়ানোরও কোন প্রেরণা থাকে না। অতএব কোন্ সময় থেকে ব্লগের আয় তার ‘সংস্থাপন ব্যয়ের’ সমান হবে, কোন সময় তা মোট ব্যয়ের চেয়ে বেশি হবে এবং কোন সময় ব্লগসাইটের কর্তৃপক্ষ আয় গুণতে শুরু করবেন, সেই মাইলস্টোনগুলো নির্ধারণ করা। সংস্থাপন ব্যয়ের সাথে একজন নিয়মিত সঞ্চালকের একবছরের ভাতা বিবেচনায় রাখতে হবে।

 

চতুর্থত, দেশের আইন এবং প্রদায়কদের লেখার স্বভাবকে বিবেচনায় রেখে ক. লেখা প্রকাশের নীতিমালা (ব্লগারদের জন্য) এবং খ. সম্পাদকীয় নীতিমালা (সঞ্চালকের জন্য) প্রণয়ন করা। সেই ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে ১. ব্লগপোস্ট প্রকাশ করা; ২. লেখা নির্বাচিত করা এবং ৩. লেখা স্টিকি করা।  স্টিকি লেখাকে সাব-এডিটোরিয়ালের মর্যাদা দেওয়া এবং সেভাবেই গুরুত্ব প্রদান করা।

 

ওপরে কেবল একটি অতি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা দেবার চেষ্টা করা হলো। প্রতিষ্ঠান কখনও ‘দেখি কতদূর যায়’ মনোভাব নিয়ে শুরু হয় না। অন্তত ১২ মাসের একটি প্রাক্কলিত খসড়া নিয়ে শুরু হয়।  (সমাপ্ত)

 

 

*********************************

Directly Transferred from Ghuriblog.com

*********************************

 

,    ৯৮ বার পঠিত   সম্পাদনা করুন

12 thoughts on “ব্লগসাইট যেভাবে ‘ব্লু চিপ স্ট্যাটাস’ লাভ করতে পারে”

  1. হামিদ বলেছেন:

    ঘুড়ি ব্লগ ব্লু চিপ স্টাটাস লাভের পথে এগিয়ে যাক সেই প্রত্যাশা রইল ……

    শুভেচ্ছা নিন মইনুল ভাই ৷

  2. আরজু মুন জারিন বলেছেন:

    মনোভাবের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। ব্লগসাইট সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস ও ধারণাকে ঢেলে সাজাতে হবে একবিংশ শতাব্দির বাস্তবতায়। দেশের অন্যান্য অলাভজনক এবং খুঁড়িয়ে চলা ব্লগসাইটগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। ব্লগসাইটকে ১২ মাসের সুনির্দিষ্ট পরিচালনা দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যেই, এই তত্ত্বে বিশ্বাস করতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রিন্ট মিডিয়া আজ ক্ষয়িষ্ণু শিল্পে পরিণত হয়েছে এবং অনলাইন মিডিয়া এখন জ্যামিতিকভাবে ক্রমবর্ধমান।…

    বাহঃ তাইতো..বিজ্ঞাপন পাওয়া গেলে আস্তে আস্তে যে কোন ব্লগ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরীত হতে পারে। তখন ভাল লেখার রয়ালটি দেওয়া যেতে পারে লেখককে।লেখকদের কষ্টের পারিশ্রমিক ও মিলবে। এখন শুধু ব্লগে শুধু কমেন্টস করে প্রেরনা দেওয়া হয়।তাও মাঝে মাঝে ব্লগার সমাবেশ এত কম হয় …কমেন্টস ও খূঁজে পাওয়া যায়না।এ যদি হত নিঃসন্দেহে ব্লগার পাঠক সমাবেশ অনেক বেড়ে যেত ।ব্লগ হত অনেক প্রানবন্ত ..অনেক জনপ্রিয়। চলন্তিকার আনোয়ারুল হক খান কিন্তু চলন্তিকাকে এভাবে চালাচ্ছেন। যার লেখা ষ্টিকি হয় তাকে ,সেরা প্রদায়কদের পুরস্কার এর ব্যাবস্থা করছেন।তা কিন্তু তিনি নিজের পকেট থেকে করছেন । পত্রিকা প্রকাশ করছেন নিজের খরচে।আমি ,কাশেম ভাই টাকা অফার করা স্বত্বেও তিনি নেননি।উনি ও চেষ্টা করছেন বিজ্ঞাপন বাড়াতে।

    খুব ভাল আইডিয়া মইনুল ভাই।ঘুড়িতে তো বরং চলন্তিকার তুলনায় বড় লেখকরা লিখছেন। কতৃপক্ষ অবশ্যই এ নিয়ে ভাবতে পারেন কিভাবে আস্তে আস্তে ব্যাবসায়িক দিকে নেওয়া যায়।এ তে দোষের কিছু নাই।কবি সাহিত্যকরা ও বাস্তব পৃথিবীর মানুষ।তাদের কে ও ডাল চাল কিনতে হয়।:P..

    আর ও লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে …সময় কম..আবার আসছি পরে।শুভকামনা এখনকার জন্য।

  3. আরজু মুন জারিন বলেছেন:

    ব্লগে হিট বাড়ানোর জন্য চাই সুর্নিদিষ্ট রোডম্যাপ। চাই অ্যালেক্স রেটিং এর নিয়মিত বিশ্লেষণ। প্রথম লক্ষ্য হবে সকল ভালো মানের ব্লগারকে একত্রিত করা এবং দ্বিতীয় লক্ষ্য হবে সকল প্রকার পাঠকের মনযোগকে নিজেদের দিকে পরিচালিত করা। তৃতীয় লক্ষ্য হবে বিজ্ঞাপন দাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এই তিন প্রকার হিট বাড়ানোর জন্য চেষ্টাও হবে তিন প্রকার। মাস এবং কোয়ার্টার ভিত্তিক হিট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এবং একই সাথে সমধর্মী ব্লগসাইটগুলোর হিট স্ট্যাটাস নজরে রাখা…*****************

    আমি ও আশা করছি ঘুড়ি ব্লগ ব্লু চিপ ষ্ট্যাটাস অর্জনে এগিয়ে যাবে।অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাই ব্লগ সম্পর্কে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা ঘুড়ি ব্লগের সাথে সাথে। আপনরা দুজনে আস্তে আস্তে ব্লু আইকনে পরিনত হন এই কামনা রইল।

  4. এম এ কাশেম বলেছেন:

    বর্তমান পৃথিবী হলো ‘যা নাই ইন্টারনেটে, তা নাই পৃথিবীতে’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। খবরের কাগজের একটি লেখা বা প্রবন্ধ, দিনশেষে পত্রিকাটি ভাঁজ করলেই লেখার মৃত্যু ঘটলো। কিন্তু অনলাইনের একটি লেখা চিরজীবন্ত এবং রেফারেন্স করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। অন্যদিকে, এযুগের মানুষগুলো সবকিছু ইন্টারনেট থেকে পেতে আগ্রহী। নিজের মোবাইলটি খুঁজতে গেলেও তারা গুগল সার্চ দিতে চায়। অতএব, একটি ব্লগসাইটও লাভজনক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে ব্লগ কর্তৃপক্ষের লক্ষ্যমাত্রা এবং ভবিষ্যতকে পরিমাপ করতে পারার সামর্থ্যের ওপর। সুর্নির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করতে পারলে শুধু ব্লগসাইট যে লাভবান হবে, তা নয়। এখানে যারা প্রদায়ক হিসেবে যারা প্রতিদিন বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে লেখে যাচ্ছেন, তারাও লাভবান হতে পারেন।

    চমৎকার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষন

    শুভেচ্ছা সতত।

  5. sabuj ahmed বলেছেন:

    দারুণ প্রবন্ধ দারুণ

  6. নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

    আগের মতোই চমৎকার তথ্যবহুল সিরিজ
    ধন্যবাদ মইনুল ভাই ব্লুচিপস সম্পর্কে
    অনেক কিছু জানার সুযোগ করে
    দেবার জন্য।

  7. কামাল উদ্দিন বলেছেন:

    খুবই মূল্যবান কথাগুলো বলেছেন, এবার কর্তৃপক্ষ যদি এসব বিবেচনায় নেয় তাহলে ঘুড়ি ব্লগই হতে পারে সেরা।

  8. ১. নিজের মোবাইলটি খুঁজতে গেলেও তারা গুগল সার্চ দিতে চায়।
    ২. ‘যা নাই ইন্টারনেটে, তা নাই পৃথিবীতে’

    একটি ভাল ব্লগ প্লাটফর্মের আশায় আমরা।

  9. সোহেল আহমেদ বলেছেন:

    জানার নেই শেষ
    জানার জন্য বড়োই সুন্দর
    আহা আহা বেশ।

    শুভেচ্ছা মইনুল ভাই

  10. রব্বানী চৌধুরী বলেছেন:

    ” একটি ব্লগসাইট কীভাবে ব্লু চিপ স্ট্যাটাস লাভ করতে পারে? তার আগে চলুন ভেবে নেই, সেরকম একটি ব্লগসাইটের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে। ব্লু চিপ ভূষিত ব্লগসাইট হবে জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত, সর্বমহলের কাছে নির্ভরযোগ্য এবং আস্থাশীল একটি ব্লগিং ও নিউজ প্লাটফরম। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, সেটি হবে আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে শুরু হলেও ব্লগসাইটটি ক্রমান্বয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হবে এবং মানসম্পন্ন লেখার জন্য তারা ব্লগারদেরকে রয়্যালটি দিতেও সক্ষম হবে। সেটি হবে নতুন, পুরাতন এবং পেশাদার ব্লগারদের মিলনমেলা। একই সাথে সংবাদমাধ্যম, তথ্যভাণ্ডার, সাহিত্য সম্ভার এবং রেফারেন্স গাইড।”

    বৈশিষ্টগুলি পড়ে মনে হচ্ছে এর সবই থাকছে আমাদের ঘুড়িতে, প্রবন্ধটি তবে বাঁধাই করে রাখা হলো। জীবনের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হোক , প্রযুক্তির এই সংযোজন শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন মইনুল ভাই।

  11. রুকসানা হক বলেছেন:

    // বর্তমান পৃথিবী হলো ‘যা নাই ইন্টারনেটে, তা নাই পৃথিবীতে’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। খবরের কাগজের একটি লেখা বা প্রবন্ধ, দিনশেষে পত্রিকাটি ভাঁজ করলেই লেখার মৃত্যু ঘটলো। কিন্তু অনলাইনের একটি লেখা চিরজীবন্ত এবং রেফারেন্স করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। অন্যদিকে, এযুগের মানুষগুলো সবকিছু ইন্টারনেট থেকে পেতে আগ্রহী। নিজের মোবাইলটি খুঁজতে গেলেও তারা গুগল সার্চ দিতে চায়। অতএব, একটি ব্লগসাইটও লাভজনক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে ব্লগ কর্তৃপক্ষের লক্ষ্যমাত্রা এবং ভবিষ্যতকে পরিমাপ করতে পারার সামর্থ্যের ওপর। সুর্নির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করতে পারলে শুধু ব্লগসাইট যে লাভবান হবে, তা নয়। এখানে যারা প্রদায়ক হিসেবে যারা প্রতিদিন বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে লেখে যাচ্ছেন, তারাও লাভবান হতে পারেন। //

    খুবই মুল্যবান একটি লিখা । শুভকামনা ।

  12. মাহমুদ০০৭ বলেছেন:

    আপনার সাথ একমত ।
    আর আমার মতে ব্লগ ভালভাবে চালানো কোন ব্যাপার না ।সবাই ভাল কন্টেন্ট পড়তে চায়।
    প্রয়োজন খোলামন আর সদিচ্ছা র। ইউজাররা যাতে সহজে স্বচ্ছন্দে
    ব্লগসাইট ব্যবহার করতে পারে তার ব্যবস্থা রাখা।

    ঘুড়ি ব্লগ এখনো ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়নি । তাই এখানে প্রাণপণে চাইলে ও মন বসাতে পারছি না।
    আশা করি সঞ্চালকরা এসব বিষয় বিবেচনায় রাখবেন ।

    বাংলা ভাষার ভূগোল ও ভোক্তা অনেক বিস্তৃত । এর ভেতরেও কেউ ব্যবসা করতে না জানলে এটা তার ব্যর্থতা ।
    আসলে চলছে চলুক মানসিকতা দিয়ে বেশিদুর আগানো যায় না । ব্লগ এর ব্যাপারে এখনো সেই
    মেন্টালিটি র প্রয়োগ দেখছি ।

    ভাল থাকবেন মইনুল ভাই । ব্লগ সাইট ব্লু চিপস হোক । ব্লগীয় বাজার বুল মার্কেটে পরিণত হোক।;)

কমিউনিটি ব্লগ: কেন এখনও মন্তব্য দেবেন – কেন এখনও ব্লগিং করে যাবেন!

১) কেন ব্লগিং করবেন

ব্লগিং করুন, নিজের চেতনা ও বিশ্বাসকে প্রকাশ ও পরীক্ষা করার জন্য। আমাদের কিছু বিশ্বাস শক্তি যোগায়, অধিকাংশই শক্তিকে রোধ করে! কিছু সংস্কার অস্তিত্বের কথা বলে, অধিকাংশই কুপমুণ্ডুক করে তোলে। কিছু ধারণা পথনির্দেশ হয়ে কাজ করে, অধিকাংশই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। কিছু বিষয়ে আমাদের জ্ঞান পর্যাপ্ত, অধিকাংশ বিষয়েই আমরা জানি না। জানা ও না জানার মধ্যে উপযুক্ত সেতুবন্ধন এনে দেয় আত্মপ্রকাশের। আত্মপ্রকাশ না ঘটলে আত্মমূল্যায়ন হয় না। বিভিন্ন বয়সের বৈচিত্রময় রুচির বাঙালিকে নিয়ে গড়ে ওঠেছে বাংলা ব্লগ। আত্মপ্রকাশের সুপরিসর মাধ্যম! সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন। ব্লগিং করি সৃষ্টির জন্য। সমাজকে শুদ্ধতার পথে এগিয়ে নেবার জন্য।

২) কীভাবে ব্লগিং করবেন

ব্লগিং করার প্রযুক্তিগত বিষয় সম্পর্কে বলার আর কিছু নেই। টাইপিং আর ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক বিষয়গুলো জানা থাকলেই হয়। তাছাড়া, যে কোন ব্লগসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে লেখতে শুরু করা যায়। কেউ কেউ ফেইসবুকেও ব্লগিং জুড়ে দেয়। টুইটারে নিজের মনের কথা প্রকাশ করা যায় – ওটাও ব্লগিং। মাইক্রো ব্লগিং। নিজস্ব ব্লগসাইট থাকতে পারে ব্লগস্পট অথবা ওয়ার্ডপ্রেসে।

ব্লগিং করতে গিয়ে কী বিষয়ে লিখতে হবে, কীভাবে মন্তব্য করতে হবে এবিষয়ে ধারণা না থাকলে অবশ্য প্রযুক্তির দক্ষতা খুব কাজে আসে না। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে লেখা ও মন্তব্য করা প্রায় সমান গুরুত্বের। বাকি থাকলো, লেখার বিষয় ও লেখার মান। সৃজনশীল লেখক হলে লেখার গুণগত মান ‘প্রেরণা’ থেকেই আসে। কবিতা, ছড়া বা গল্প লেখায় হাত থাকলে শুধু লেখে গেলেই সেটাকে এক প্রকার ব্লগিং বলা যায়। কিন্তু পাবলিক ব্লগে ভালো লেখার পাশাপাশি কিছু বেইসিক এটিকেটও মেনে চলতে হয়।

৩) সৃজনশীল লেখক না হলে কী করবেন

নিজের স্বাভাবিক আগ্রহ অনুসারে যে ধরণের লেখা ভালো লাগে, সেগুলোতে নিয়মিত দৃষ্টি দেওয়া যায়। কারও কবিতা ভালো লাগলে, তিনি একান্তই কবিতার প্রতি মনযোগ নিবদ্ধ রাখতে পারেন। কবিতা পড়ে কবিতায় মন্তব্য দিন। মন্তব্য দিন আন্তরিকভাবে – প্রকাশ করুন নিজের অনুভূতিকে। কবিতার অর্থ লেখক আর পাঠকের জন্য ভিন্ন হতেই পারে। নিঃসঙ্কোচে নিজের মন্তব্য দিলে সেটি হতে পারে আত্মপ্রকাশের প্রথম মাধ্যম। একই কথা গল্প, ছড়া, ট্রাভেলগ অথবা প্রবন্ধের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

৪) লেখার ‘বিষয়’ কোথায় পাই

লেখার জন্য চাই পর্যাপ্ত পড়া এবং জীবনকে দেখার সুযোগ। যারা স্ব স্ব জীবনের অধিকাংশই দেখতে পেরেছেন, তারা হাতে কলম নিলেই তা যেকোন এক প্রকার লেখা হয়ে যায়। কিন্তু এটি একমাত্র পথ নয়। বই/সংবাদপত্র পড়ার আগ্রহ থাকলে, প্রিয় বই/খবরটি পড়ে তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা যায়। কোন বিষয়ে ভালো ধারণা থাকলে, সেটি পোস্ট আকারে প্রকাশ করা যায়। কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রমণ করলে, তার বিবরণ লেখা যায়। দেখা সিনেমাটি মনে ‘দাগ কাটলে’ সেই দাগগুলো লেখায় ফুটিয়ে তোলা যায়। আজ একটি মজার/দুঃখের অভিজ্ঞতা হলো, সেটি নৈর্ব্যক্তিকভাবে লিখে রাখা যায়। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি সবসময়ই অন্যের জন্য কৌতূহলের বিষয়। নিজের দেখা সমাজ ও রাজনীতি ভালো ও মন্দ দিক নিয়ে বস্তুনিষ্ঠভাবে লেখে গেলে, সেটি হবে নাগরিক সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মন্তব্যও এক প্রকার ব্লগিং। প্রাথমিক স্তরে থাকলে, নিজের পছন্দ মোতাবেক অন্যের পোস্টগুলো পড়া যায়। পড়ে সেখানে সুন্দর করে একটি প্রতিক্রিয়া রেখে আসা যায়। একটি মন্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্লগারের পক্ষে একটি ‘ব্লগচিহ্ন’। ব্লগের কোন লেখা পড়ে তাতে আন্তরিক মন্তব্য দিলে একজন সুহৃদ বন্ধু লাভ করা যায়। তিনি আপনার মন্তব্যটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পড়ে তাতে প্রতি-মন্তব্য দেবেন। এখান থেকে মৌলিক লেখার হাতেখড়ি পাওয়া যায়।

৫) মন্তব্য কীভাবে দেবো

মন্তব্য হবে মনের মতো। যেভাবে আপনার মন চায়, সেভাবেই দেবেন মন্তব্য। তবে কোন লেখা পড়ে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হলে, সেখানে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করাই হবে বিচক্ষণতা। প্রতিক্রিয়া করলে প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হবে। প্রতিপক্ষ বানাবার মতো স্বার্থবাদী প্রয়োজনীয়তা ইন্টারনেটে কখনও সৃষ্টি হয় না। নেহায়েত আত্ম-অহংকারের বিষয়। তাই এবিষয়ে একটিই নীতি, কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নয় – নো রিএকশন নীতি। পঠিত লেখাটি পুরোপুরি নেতিবাচক হলে, তাতে মন্তব্য না দেওয়াই উত্তম। আংশিক নেতিবাচক হলে, ইতিবাচক দিকটি নিয়ে মন্তব্য করা যায়। অন্যদের মন্তব্য পড়ে সংশ্লিষ্ট লেখক সম্পর্কে ধারণা হবে এবং মন্তব্য দেবার জন্যও নির্দেশনা মিলবে। এখানে একটু সতর্ক থাকতে হবে: অন্যের মন্তব্যের অনুকরণে নিজের মন্তব্যটি লেখা হবে বিপদজনক পদক্ষেপ। হিতে বিপরীত হতে পারে। অন্যের মন্তব্য দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত না হয়ে লেখায় নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশেই বেশি মনোযোগী হলে ভালো। অনেক সময় ব্লগারদের মধ্যে বিশেষ ইতিবাচক/নেতিবাচক সম্পর্ক থাকার কারণে তাদের বিশেষ মন্তব্য থাকতে পারে। তাই মন্তব্য অনুকরণে সাবধান!

৬) মন্তব্যের উত্তর না দিলে কী করা উচিত

সততার বিকল্প নেই। অনলাইনে সততার ভাবমূর্তি সৃষ্টি করলে তাতে লাভ ছাড়া ক্ষতির কিছু নেই। লেখার জন্যই যদি মন্তব্য দেওয়া হয়, তবে মন্তব্যের প্রতি-উত্তর না পেলে ক্ষতি কি? লেখার মানবিচারে মন্তব্য দিয়ে যাওয়াই হবে সততার পরিচয়। মন্তব্য না দেবার একমাত্র কারণ হতে পারে, লেখকের লেখাটি যথেষ্ট মানসম্পন্ন না হওয়া। এই যদি হয় মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্য, তবে নতুন লেখকদের লেখাতেও দৃষ্টি দেওয়া উচিত। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য দেওয়া উচিত। নতুন লেখকদেরকে প্রেরণা দেবার জন্য একটু পক্ষপাতিত্ব করা যেতে পারে। অর্থাৎ ভালো লেখার চেষ্টা করা হলেও, সেটিকে স্বীকৃতি দিয়ে মন্তব্য দেওয়া যেতে পারে। নতুন লেখকেরা মন্তব্যের যথাযথ উত্তর নাও দিতে পারেন। নতুন লেখক বলতে নতুন নিবন্ধিত লেখক বুঝাচ্ছি।

৭) নতুন নিবন্ধনকারী লেখকদের প্রতি কেমন আচরণ থাকা উচিত

নতুন নিবন্ধনকারী মানেই যে নতুন লেখক, তা কিন্তু নয়। নতুন নিবন্ধিতরা অনেক ভালো লেখকও হতে পারেন। হয়তো কর্মজীবনের ব্যস্ততা অথবা ব্লগ সম্পর্কে না জানার কারণে আসতে পারেন নি। ব্লগে নতুন হলেও তাদের লেখায় পরিপক্কতা থাকতে পারে। অন্যদিকে অনেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং পুরাতন লেখকের লেখাও বালখিল্যতাপূর্ণ হতে পারে। কাউকেই তাচ্ছিল্যপূর্ণ বা অসম্মানজনক মন্তব্য করা উচিত হবে না। অন্যদিকে কমবয়সী লেখকের মধ্যেও থাকতে পারে প্রাপ্তবয়স্কের পটুতা। পুরোটাই জীবনবোধের ওপর নির্ভর করে। সকল অবস্থায় পোস্টের কনটেন্টসই হোক মান যাচাইয়ের মাধ্যম। ২০০৫ থেকে ২০১০ এর মধ্যে যারা ব্লগিংয়ে জড়িয়েছেন, অথবা যারা বিগত ৪/৫ বছর যাবত ব্লগিং করছেন, বয়সে কম হলেও তাদের অনেকে মন্তব্যে দুর্বিনীত বা অহংকারী হতে দেখা গেছে। এসব প্রবণতা নতুন ব্লগারদের আসা ও থাকার পরিবেশকে বৈরী করে তোলে।

৮) নিজের লেখায় প্রেরণাদায়ক/প্রাসঙ্গিক মন্তব্য পেলে কী করা উচিত

আন্তরিকভাবে এবং যথাসম্মানে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্য যা-ই হোক লেখকের জন্য এটি বিরাট পাওয়া। প্রকৃত লেখকের কাছে একটি মন্তব্য একটি প্রেরণা। অন্যের দৃষ্টিতে নিজেকে দেখা যে কতটা আনন্দের, সেটি ভালো লেখকমাত্রই বুঝতে পারেন। নিজের লেখায় অন্যের উপস্থিতিকে সম্মান করার মানে হলো মেহমানের সেবা করা। যথাসময়ে মন্তব্যের উত্তর দেওয়া উচিত এবং প্রতি-উত্তর হওয়া উচিত মন্তব্যের ক্রমানুসারে। ২০নম্বর মন্তব্যকারী যত গুরুত্বপূর্ণই হোক না কেন তিনি যেন ১২নম্বর মন্তব্যকারীর আগে উত্তর না পান। মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরি হতে পারে, কিন্তু পরাম্পরায় যেন ভুল না থাকে। কেউ মন্তব্য দিতে শুরু করেও কিছু সময় বিরতি দিয়ে দিয়ে একেকজনের উত্তর দেন। পাঠক তার চতুরতা বুঝতে পেরে দুঃখ পান। পাঠকের মন ভাঙ্গা ব্লগ লেখকের জন্য কল্যাণকর নয়, কারণ এটি একটি ইন্টারএকটিভ ফোরাম। একদিন দু’দিন দেরি হতে পারে, অনলাইনে আসতে না পারলে মাসাধিকও দেরি হতে পারে। কিন্তু সময় নিয়ে একসাথে সকলের উত্তর দেওয়া এবং দেরিতে উত্তর দিলে দুঃখ প্রকাশ করা উত্তম স্বভাব।

৯) নিজের লেখায় পাঠকের পরামর্শ/সংশোধন পেলে কী করা উচিত

পরামর্শটি সঠিক না হলেও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা উচিত কারণ, পাঠকের উদ্দেশ্য যা-ই হোক, সকলের কাছে এর অর্থ হলো লেখার মানউন্নয়ন করা। পাঠকের পরামর্শকে ভুল বলার আগে বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই করে নিতে হবে, সকল দৃষ্টিকোণ থেকে সেটি ভুল কিনা। পরামর্শটি একান্তই ভুল হলে, বিনীতভাবে এবং অল্প কথায় সেটি বলা যেতে পারে। সঠিক হলে তো কোন কথাই নেই, ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা না বলে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। তবে যারা চোখ বন্ধ করে ইতিবাচক-নেতিবাচক সকল সংশোধন সম্মানের সাথে গ্রহণ করেন, তারা অনেক বিচক্ষণ।

১০) নিজের লেখায় তাচ্ছিল্যপূর্ণ/অসম্মানজনক/অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য হলে কী করা উচিত

‘নো রিএকশন নীতি’ মোতাবেক কিছুই করা উচিত নয়। (কারণ যতই লেখবেন, ততই ক্যাচাল বাড়বে। শেষে দেখবেন শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে দু’একটা কিল-গুঁতো দেবার খায়েস জাগতেছে। কিন্তু সেটি তো সম্ভব নয়। অতএব, অহেতুক খায়েস জাগিয়ে লাভ কী!) অন্য লেখক/পাঠকেরাই তার মূল্যায়ন করবেন। অন্তরটা একটু বড় থাকলে ধন্যবাদ বা শুভেচ্ছাও দেওয়া যেতে পারে, কারণ তার একটি মন্তব্য মানেই লেখার জন্য একটি ইতিবাচক সাড়া। মন্তব্যকারীর অসম্মানজনক মন্তব্য প্লাস লেখকের ধন্যবাদ: এর যোগফল যায় লেখকের পক্ষে। প্রতিক্রিয়া দেখালে সেটি অন্য লেখকদের মনেও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। সবচেয়ে ক্ষতিকর বিষয়টি হলো, এতে লেখকের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। একান্তই যদি ‘রিএকশন নীতি’ অনুসরণ করতে হয়, তবে সম্মানের সাথে ‘মাত্র একবার’ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা যেতে পারে। এরপর একাধিকবার মন্তব্য আসলেও আর উত্তর দেবার প্রয়োজন নেই। এসব বিষয় খেয়াল করেই প্রথম প্রতিক্রিয়াটি পরিপূর্ণভাবে দেওয়া উচিত।

১১) ব্লগসাইটের ব্যবস্থাপনায় বা সঞ্চালনায় অভিযোগ থাকলে কী করা উচিত

পাবলিক ব্লগ একটি সামাজিক ক্ষেত্র। বাস্তবিক জীবনে যেমন সমাজে আছে সমাজপতি আর মোড়ল, ব্লগেও তেমনি আছে। কুমিরের সাথে ঝগড়া করেও জলে বাস করা যায়। তবে কুমিরের মতো স্বভাব ও শক্তি থাকতে হয়। সেটি না থাকলে এবং ভবিষ্যতে মোড়ল হবার দুরারোগ্য ব্যাধি (মজা করে বললাম) না থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্লগসাইটের বিধি মোতাবেক কর্তৃপক্ষকে জানানোটাই উত্তম পন্থা। এ নিয়ে আরেকটি পোস্ট খরচ করার মতো মোড়ল ব্লগারও আছেন। তাদেরকে সেটি করতে দেওয়াই উত্তম। তবে মজার ব্যাপার হলো, ব্লগ কর্তৃপক্ষের বিপক্ষে পোস্ট দিলে তাতে প্রচুর হিট পাওয়া যায় এবং সহজেই বিখ্যাত হওয়া যায়। এসবের ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। ভালো দিকটি তাৎক্ষণিকভাবে আসে কিন্তু থাকে না। মন্দটি থাকে গোপনে অনেকদিন, চিরদিন। বিধিমোতাবেক জানাবার পরও কোন ফল না হলে এবং সমস্যাটি দুঃসহ ও সর্বজনব্যাপী হলে, সবকিছু মূল্যায়ন করে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া যেতে পারে। সেটি অভিযোগ পোস্ট হিসেবে নয়, স্থায়ি এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রবন্ধ আকারে দেওয়া যেতে পারে। (৫ ডিসেম্বর ২০১৪)

উৎসর্গ: ৬ষ্ঠ বাংলা ব্লগ দিবস ২০১৪। ব্লগ ও ব্লগারের জন্য গতানুগতিক কিছু চিন্তাকণা উপহার হিসেবে নিবেদন।

——————————
ব্লগ ও ব্লগিং বিষয়ে সামু’তে প্রকাশিত আরও কয়েকটি পোস্ট:
ক. সংকলিত ব্লগ লেখার কৌশল
খ. ৩৯টি ব্লগিং অভিজ্ঞতা
গ. আধুনিক ব্লগারদের ১০টি প্রিয় ভুল
ঘ. লেখকের প্রতি পাঠকের আস্থা
ঙ. অন্যের পোস্টে সৃজনশীল মন্তব্য
চ. ‘মন্তব্য’ নিয়ে সামু’র সহব্লগারদের মন্তব্য
ছ. ব্লগার হিসেবে মালালা ইউসুফজাই
জ. ভারচুয়াল পারসোনালিটি – একটি আলোচনা
ঝ. বাংলা ব্লগের সম্ভাবনা

————————–
‘কেন ব্লগিং করবেন’ শীর্ষক অনুচ্ছেদটি লেখকের অন্য একটি লেখা থেকে উদ্ধৃত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ব্লগ দিবস; ব্লগিং ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাঙলায় ব্লগিং  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

২১৫ বার পঠিত১২৪৮১১

=======================================================================================
পোস্টটি প্রথমে সামহোয়্যারইন ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকেই সরাসরি স্থানান্তরিত!
=======================================================================================

 

৪৮টি মন্তব্য

১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৩৯

বাড্ডা ঢাকা বলেছেন: সুন্দর এবং খুবয় উপকারী একটি পোষ্ট ।

পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম ।

পোষ্টটি কৃতপক্ষ স্টিকি করলে সকল ব্লগারের জন্য ভাল হতো ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে!
শুভেচ্ছা জানবেন :)

২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:৪৫

তোমোদাচি বলেছেন: গবেষনা মূলক লেখা; সময় নিয়ে পড়তে হবে; সংগ্রহে রেখে দিলাম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রফেসর :)

৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৫২

ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্টে প্রথম লাইক সহ প্রিয়তে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে….. ইমতিয়াজ১৩ :)

৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৭

ডি মুন বলেছেন:

পাবলিক ব্লগে ভালো লেখার পাশাপাশি কিছু বেইসিক এটিকেটও মেনে চলতে হয়।

মন্তব্য দিন আন্তরিকভাবে – প্রকাশ করুন নিজের অনুভূতিকে।

নিঃসঙ্কোচে নিজের মন্তব্য দিলে সেটি হতে পারে আত্মপ্রকাশের প্রথম মাধ্যম।

মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নয় – নো রিএকশন নীতি। পঠিত লেখাটি পুরোপুরি নেতিবাচক হলে, তাতে মন্তব্য না দেওয়াই উত্তম। আংশিক নেতিবাচক হলে, ইতিবাচক দিকটি নিয়ে মন্তব্য করা যায়।

যথাসময়ে মন্তব্যের উত্তর দেওয়া উচিত এবং প্রতি-উত্তর হওয়া উচিত মন্তব্যের ক্রমানুসারে।

মজার ব্যাপার হলো, ব্লগ কর্তৃপক্ষের বিপক্ষে পোস্ট দিলে তাতে প্রচুর হিট পাওয়া যায় এবং সহজেই বিখ্যাত হওয়া যায়। এসবের ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। ভালো দিকটি তাৎক্ষণিকভাবে আসে কিন্তু থাকে না। মন্দটি থাকে গোপনে অনেকদিন, চিরদিন। বিধিমোতাবেক জানাবার পরও কোন ফল না হলে এবং সমস্যাটি দুঃসহ ও সর্বজনব্যাপী হলে, সবকিছু মূল্যায়ন করে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া যেতে পারে। সেটি অভিযোগ পোস্ট হিসেবে নয়, স্থায়ি এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রবন্ধ আকারে দেওয়া যেতে পারে

সকালবেলা ব্লগে লগ ইন করতেই মইনুল ভাইয়ের দিক নির্দেশনামূলক পোস্ট, এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে। :)

পুরো লেখাটাই এক কথায় অসাধারণ। তবে এই পোস্টের শুরুটা অর্থাৎ প্রথম প্যারাটা আমার কাছে দুর্দান্ত মনে হয়েছে। প্রত্যেকটি শব্দ, বাক্য ভালো লেগেছে। সার্থক উপস্থাপনা/ভূমিকা যাকে বলে।

পোস্টে উল্লিখিত অনেককিছুই মেনে চলা হয়, আবার অনেক বিষয়ে আরো নজর দিতে হবে। নিজেকে আরো সংযত ও সহনশীল করতে হবে।

নতুন পূরাতন যে কেউ এই পোস্টটি থেকে উপকৃত হবেন বলে আশাকরি।

প্লাসসহ প্রিয়তে++++

শুভসকাল মইনুল ভাই
ভালো কাটুক সারাদিন
:)

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন:

ডি মুন আপনার স্বভাবজাত আন্তরিক ও বিশ্লেষণী মন্তব্য আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয় নি।

বাংলা ব্লগ হোক স্বদেশপ্রেমে উজ্জীবিত…. এরকম আশা থেকেই প্রকাশ করে যাচ্ছি আদর্শ ব্লগের স্বপ্নগুলো….

আপনাদের মতো প্রতিশ্রুতিশীল লেখকেরাই পারেন বাংলা ব্লগের নতুন গতিপথ নির্ধারণ করতে।

অনেক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানবেন…. :)

৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৮

শাহরীয়ার সুজন বলেছেন: বাহ…ব্লগিং বিষয়ে অনেক কিছু শিখে ফেললাম। ধন্যবাদ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

আপনাকেও ধন্যবাদ…
শুভেচ্ছা জানবেন :)

৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১২

জুন বলেছেন: ব্লগ সম্পর্কে ধারণালাভের জন্য গুরুত্বপুর্ন পোষ্ট

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

জুনাপা, থেংকু :)

৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১৬

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: দারুণ উপকারী পোস্ট।

প্রিয়তে রাখলাম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

থ্যাংকস :)

৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২১

মামুন রশিদ বলেছেন: লেখাটিকে একটি ‘ব্লগিং গাইডলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় । ব্লগিংয়ের জরুরী সবগুলো ব্যাপার সুন্দর এবং সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন ।

মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

উপরের কথাটি শতভাগ সত্য ।

শীতের মিষ্টি সকালের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ, জনাব মামুন রশিদ ভাই :)
অফিস থেকে ফিরে মন্তব্যের উত্তর লিখছি…..
শীতের মিষ্টতা না থাকলেও আছে সন্ধার স্নিগ্ধতা….
তা দিয়েই আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই :)

৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪৫

আবু শাকিল বলেছেন: ব্লগ সম্পর্কে জানার জন্য চমৎকার ।

মামুন ভাইয়ের সাথে একমত।

” লেখাটিকে একটি ‘ব্লগিং গাইডলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় । ব্লগিংয়ের জরুরী সবগুলো ব্যাপার সুন্দর এবং সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন ।”

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, আবু শাকিল ভাই :)

১০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৮

ইছামতির তী্রে বলেছেন: ‘ব্লগিং ম্যানুয়াল’।

খুব ভাল লিখেছেন। আমাদের অনেকের উপকারে আসবে এটি।

স্বচ্ছ, সুন্দর এবং মননশীল ব্লগিং পরিবেশ কামনা করি।

ভাল থাকবেন।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন:

অনেকের উপকারেই আসলেই আমি খুশি….

ধন্যবাদ আপনাকে, ইছামতির তীরে.. :)

১১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:২৪

মোঃরাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আমাদের নতুন নিবন্ধিত ব্লগাদের জন্য এ রকম একটি শিক্ষামূলক পোষ্ট দেওয়ার জন্য।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন:

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা :)

১২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০৬

সুমন কর বলেছেন: ব্লগিং করার জন্য এ পোস্টটি সকলের পাঠ করা অাবশ্যক।

অতি প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট দেবার জন্য মইনুল ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ।;)

প্লাস সহ প্রিয়তে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে, সুমন কর….!

বিজয় দিবসের শোভাযাত্রায় আপনাদের অনেককেই খুঁজলাম….
পেলে আনন্দ আরও জমতো…. :)

১৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৪

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্টে অনেক অনেক ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ, লায়লা আপা :)
ভালো থাকুন এই শীতে!

১৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:০৬

ঢাকাবাসী বলেছেন: খুবই সুন্দর দরকারী শিক্ষনীয় একটা পোস্ট, লেখককে ধন্যবাদ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন:

ঢাকাবাসীকেও অনেক ধন্যবাদ……
ভালো থাকবেন :)

১৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৬

আলম দীপ্র বলেছেন: চমৎকার শিক্ষণীয় পোস্ট । শিক্ষকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা । B-)) B-))

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন:

হাহাহাহা! শিক্ষক না, শিক্ষামন্ত্রী! (পদবি ভুলে গেলে কিন্তু পদত্যাগ করবো! ;) )

ধন্যবাদ আপনাকে, দীপ্র :)

১৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৭

এনামুল রেজা বলেছেন: সাস্থ্যকর পোস্ট মইনুল ভাই।
ব্লগিং এর সময় এসমস্ত বিষয়ের সবটা মাথায় রেখে যদি কাজ করা যায়, ব্লগারের উৎসাহ, সৃজনশীলতা কিংবা সততা সব কিছুই গতী পাবে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন:

‘স্বাস্থ্যকর পোস্ট’……. হাহাহাহা!
সবার ব্লগীয় স্বাস্থ্য ভালো থাকুক…. এই আমি চাই।
আপনাকে পেয়ে খুশি হলাম, এনামুল রেজা :)

১৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৫

চিরতার রস বলেছেন: ওয়াউ :D

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন:

আপনাকে পাওয়া তো ভাগ্যের বিষয়, জনাব চিরতার রস!
আপনারা না থাকলে নতুনেরা পথ পাবে কীভাবে?

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা :)

১৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০১

কৌশিক বলেছেন: অসাধারণ!

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন:

একমাসে ১০৫ পোস্ট….মে ২০০৭
কে দিয়েছেন? ব্লগার কৌশিক
সেরা দশ হিট ব্লগারের মধ্যেও ব্লগার কৌশিকের নাম!

কী তুখোড় ব্লগিংয়ে আপনার জড়িয়েছিলেন একেকজন… আপনার সেদিনের কথার সাথে মেলাতে চেষ্টা করলাম।

নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আপনাদের সময়ের ব্লগিং ছিলো অনেক আনন্দময় ও রোমাঞ্চকর….
বেনামী থাকার মধ্যে আরেকটি মজা আছে….

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, কৌশিক ভাই :)

১৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০১

তুষার কাব্য বলেছেন: দারুন একটা পোস্ট..ব্লগিং নিয়ে যাদের আগ্রহ বিশেষ করে যারা নতুন তাদের জন্য তো পথ প্রদর্শকের কাজ করবে…শুভকামনা ভাই….

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে, তুষার কাব্য :)

২০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:২৩

কলমের কালি শেষ বলেছেন: অনেক চমৎকার চমৎকার বিষয় লেখায় উঠে এসেছে। ++++++

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে :)

২১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,

একটি “মইনুলীয়” লেখা ।
বরাবরের মতোই গোছানো, বক্তব্য সমৃদ্ধ । প্রতিটি উপপাদ্যই নিজস্ব ঢংয়ে সয়ম্বরা ।

শুভেচ্ছান্তে ?

২২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

অথৈ শ্রাবণ বলেছেন: আমার মত নতুন ব্লগারের জন্য খুবই কাজের পোস্ট ।

ভালো থাকবেন ভাইয়া ।

২৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৪৬

দীপংকর চন্দ বলেছেন: অন্তর্জালের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আপনার লেখা ভীষণ শিক্ষণীয় আমার নিজের ক্ষেত্রে।

অনেক অনেক ভালো লাগা জানবেন।

শুভকামনা অনিঃশেষ।

ভালো থাকবেন। সবসময়।

২৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৩৯

সোহানী বলেছেন: হুম… কথা ঠিক………. সাথে ++++++

২৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫২

এমএম মিন্টু বলেছেন: পোষ্টে প্লাস++++++++++++

এবং প্রিয়তে

২৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:০৯

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন: শুভ ব্লগ দিবস!!! !:#P !:#P !:#P

২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৮

হামিদ আহসান বলেছেন: দরকারী এবং শিক্ষণীয় একটি পোস্ট।

বাংলা ব্লগ দিবসের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

২৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:১০

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ভালো লাগলো ভ্রাতা।।

ভালো থাকবেন সবসময় :)

যে ৫টি প্রশ্ন আপনার ব্লগপোস্টটি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখাবে!

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

 

ব্লগার হয়ে কখনও পোস্ট দিয়ে হতাশ হয়েছেন কি? এমন কি কখনও হয়েছে যে, অনেক যত্ন করে একটি ব্লগ পোস্ট দিলেন, কিন্তু তাতে মাত্র দু’একটি রিসপন্স পেয়েছেন, অথবা একদমই কোন সাড়া মিলে নি? অনেক খাটাখাটনি করে একটি ব্লগ পোস্ট লেখে তাতে পাঠকের সাড়া না পেলে মন খারাপ হবারই কথা। ভবিষ্যতে এধরণের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য মাত্র ৫টি প্রশ্ন করুন আপনার পরবর্তি পোস্টটি ‘পাবলিশ’ করার পূর্বে।কয়েকটি পোস্টে এরকমভাবে চেক করলে, পরবর্তিতে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে:

 

১) পোস্টটিতে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় (key point) আছে কি না?

২) পোস্টের লেখা কীভাবে পাঠককে উপকৃত করতে পারে?

৩) পোস্টের লেখককে কতটুকু/কীভাবে উপকৃত করতে পারে?

৪) পোস্টে লেখা ও তথ্যের বিন্যাস (format) ঠিক আছে কি না?

৫) পোস্টের শিরোনামটি কি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে?

 

 

পোস্টদাতা তার লেখার ধরণ ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ি লেখার মান যাচাই করবেন। অনলাইন লেখক হিসেবে পরিপক্কতা অর্জন করলে স্বাভাবিকভাবেই কিছু কলা-কৌশল আয়ত্তে চলে আসে। বিষয়গুলোকে অভিজ্ঞ ব্লগাররা বিভিন্নভাবে দেখে থাকবেন। নিচে সংক্ষিপ্তভাবে উপরোক্ত বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

 

  • একটি কেন্দ্রীয় বিষয় থাকা: প্রাসঙ্গিকভাবে অন্য বিষয় বা সাব-সেকশন থাকতে পারে, কিন্তু মূল বিষয় থাকা চাই একটি। একটি শিরোনামে একটি বিষয় নিয়েই লিখুন।

 

  • পাঠককে উপকৃত করতে পারা: নিজের চিন্তা ও জীবনাচারণের সরাসরি মার্কেটিং না করে পাঠক কী চায়, তাতে গুরুত্ব দিতে হবে। পাঠকের মনে কী প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, তার জবাব লেখায় তুলে ধরতে হবে।

 

  • লেখকের নিজস্ব সুবিধা: পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা, তবু লেখকের একটি উদ্দেশ্য আছে। তার বাস্তবায়ন থাকতে হবে। নতুবা তা হবে শুধুই সময় আর অর্থের অপচয়। পাঠকের কোন করণীয় থাকলে, তা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক এবং উপযুক্ত ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে।

 

  • লেখা ও তথ্যের বিন্যাস: ছাপানো বই হলে কাজটি প্রেসওয়ালাই করতো, কিন্তু অনলাইন লেখককে খেয়াল রাখতে হবে, লেখাটি কমপিউটার স্ক্রিনে দেখতে কেমন দেখাবে। সাব-সেকশনগুলো আলাদাভাবে দেখানো হয়েছি কিনা, বোল্ড ইটালিক আন্ডারলাইন টিক আছে কিনা, উদ্ধৃতিগুলো দেখানো হয়েছে কিনা, তথ্যসূত্র সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি চেক করেই ‘পাবলিশ’ বাটনে চাপ দিতে হবে।

 

  • আকর্ষণীয় শিরোনাম: লেখার শিরোনাম দেখেই পাঠক ঠিক করবেন, আপনার লেখাটি পড়বেন কি না। অতএব ভালোভাবে চিন্তা করে শিরোনাম নির্ধারণ করুন। শিরোনামকে লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশও বলা চলে। তবে চটকদার শিরোনাম দিয়ে লেখায় তার প্রতিফলন রাখতে না পারলেও উল্টো ফল হয়।

 

প্রিন্ট মাধ্যমের কথা আলাদা, কিন্তু অনলাইন লেখকের জন্য পাঠক-প্রিয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। লেখার মান ঠিক রাখার জন্য পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে নিজের ব্লগ পড়া এবং অন্যের ব্লগ দেখার বিকল্প নেই।

 

লেখাটি কেবল ব্রেইন স্টর্মিং করার জন্য চিন্তার খোরাক হিসেবে তুলে ধরা হলো। উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরও অনেক বিষয় আছে, যা ব্লগের মান বৃদ্ধি করবে। উপরোক্ত কোন্ বিষয়টিকে আপনি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন, তা তুলে ধরতে পারেন। অথবা, আরও কোন প্রশ্ন আপনার মনে আসলে, তা মন্তব্যের ঘরে লিখে দিতে পারেন। তাতে লেখাটিকে ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ করা যেতে পারে।

 

ঘুড়ি ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তরিত ]

——————-

*বর্তমান যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে, নাগরিক সাংবাদিকতা একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। এটি ক্রমেই সম্প্রসারণ হচ্ছে।  পরামর্শের আকারে লেখা বর্তমান পোস্টটি সৃজনশীল লেখার ক্ষেত্রে ততবেশি প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে।

প্রিয় ব্লগ সংকলন: প্রথম আলো ব্লগ (closed)

*প্রিয় ব্লগ সংকলন: ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ৮ (মূল শিরোনাম)

ব্যক্তিগত প্রিয় তালিকার পোস্টগুলো নিয়ে এই সংকলন। সংকলিত লেখাগুলো অনেকেরই আগ্রহের বিষয় হবে, এবিশ্বাস থেকেই আলাদা পোস্ট দেওয়া। এবং আশা করছি নতুন পুরাতন সকলের জন্যই মজাদার হবে। কিছু লেখা এমনভাবে বিদগ্ধ করেছে যে, সেটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে চাইলাম। সহব্লগারদের অধিকাংশ লেখাই আমার প্রিয় – প্রিয় তালিকা এখানে চূড়ান্ত নয়। তাছাড়া সব সময় প্রিয়তে নেবার কথা মনেও থাকে না।

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না। এটি আমার স্বভাবও না। মন্তব্য করার ক্ষেত্রেও কাউকে অযাচিতভাবে খুশি করার চাপে আমি থাকি না। সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি। তবে একদম খারাপ লাগে এরকম লেখা খুবই কম পেয়েছি। সাধারণভাবে প্রায় সব লেখাই মঙ্গলজনক। চূড়ান্ত করার জন্য ব্লগে অনেক সমঝদার লেখক আছেন।

প্রথম সংকলন নিয়ে আরেকটু বলছি। নতুন, পুরাতন, অতি পুরাতন এবং প্রয়াত ব্লগারের উৎকৃষ্ট পোস্টগুলো (সংকলকের মতো) নিয়ে এই পোস্টটি সংকলিত হয়েছে। এবার শুধু ‘প্রিয় তালিকার’ পোস্টগুলো দিলাম, পরবর্তিতে প্রিয় ব্লগারদের লেখাগুলো নিয়ে সংকলন দেবার ইচ্ছা আছে।

ব্লগ ও লেখালেখি বিষয়ক পোস্টগুলো

নতুন এবং পুরোনোদের বলছি: একটি ব্লগ আলোচনা: সাইফ ভূঁইয়া (প্রয়াত!) [৩২]

চুম্বক অংশটুকু: প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ব্লগার তথা নিক নিবন্ধন হচ্ছে। এদের অনেকের লেখা বেশ মান সম্মত। চর্চাটা অব্যাহত রাখলে তাঁরা একসময় ব্যাপক নন্দিত হতে পারেন। সুযোগটা কেউ কেউ নিচ্ছেন না যে তা কিন্তু নয়। অন্যের লেখা পড়ে,সুচিন্তিত মতামতের মাধ্যমে এরা এক ধরনের আত্মিক বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এর ভিন্নতাও দেখি। সেটাই বেশি ভাবায়। অনেকে লেখা দিয়ে অপেক্ষা করেন তাঁর লেখায় কত মন্তব্য আসে। তাঁর চিন্তা চেতনা শুধু নিজেকে ঘিরে, চারপাশে কি হচ্ছে তা নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই। (প্রথম আলো ব্লগ এবং সামহোয়ারইন ব্লগের একজন জনপ্রিয় ব্লগার। তার অকাল প্রয়ানে সামুতে অনেক দিন শোকবার্তা লাগানো ছিলো। প্রথম আলো ব্লগেও ছিলো শোকের ছায়া। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রবাসী ছিলেন।)

ব্লগিং কি এমন হতে হবে? সুস্থ ধারার ব্লগিং কাকে বলবো? মুক্তমন৭৫ [২১৪]

চুম্বক অংশটুকু: আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আমি প্রায়শই দেখছি, ব্লগিং এ ব্লগার কত দিন ধরে ব্লগে লিখছেন সেই জিনিসটিকে যতখানি মুল্যায়ন করা হয়, তার চেয়ে অনেক অনেক কম মুল্যায়ন করা হয় এখানে ব্লগের তার লিখাটিকে। এই ঘটনার বহিঃপ্রকাশ আমি অনেক আলোচিত আর সমালোচিত পোস্টে প্রায়শই করতে দেখছি অনেক ব্লগারকে। কেউ একজন কোন কিছুতে মন্তব্য করলে তার বিপরীতে উত্তর হিসেবে এখানে লিখা হচ্ছে, কত মাস বা কত দিন ধরে কতটি পোস্ট এসেছে আর মন্তব্য এসেছে সেই ব্লগারের। তার মন্তব্যটিকে গুরুত্ব না দিয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে তার অবস্থান আর মেয়াদকে। এটি কি ঠিক বলে আপনারা মনে করেন? সেক্ষেত্রে সেই নবীন ব্লগারের মনবল আপনারা কতখানি দুর্বল করে ফেলছেন, তা আপনারা অনেকেই অনেক অনেক প্রবীন ব্লগার হবার পরেও ভুলে যাচ্ছেন। আমার কাছে এই বিষয়টি একদম অনুচিত মনে হয়েছে। লেখার যোগ্যতা পরিমাপ করা উচিত লেখার মান বিশ্লেষণ করে লেখকের লেখক জীবনের বয়সকালকে হিসেবে নিয়ে নয়। (মুক্তমন৭৫ বাস্তবেও একজন মুক্তমনা ব্লগার। সমস্যা হলো উনি সাগর বাসিন্দা হবার কারণে সবসময় ইন্টারনেট পান না। ফলে আমরাও তাকে নিয়মিত পাই না। )

মন্তব্য বিষয়ক ইতিহাস ও বর্তমান: নীল সাধু [৭৬]

চুম্বক অংশটুকু: এক সময় আমাকে ব্লগ পাহারাদার বলা হত। কারন দিনের সবটূকু সময় আমি ব্লগে থাকতাম। ব্লগার সুজন ছিল মন্তব্যের ব্যাপারে সবার আগে। তার আগে মন্তব্য করা ছিল কঠিন। এমন কোন ব্লগার নেই যার ওখানে তিনি মন্তব্য করেননি। মধ্যে আমি তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিলাম। আমি চেষ্টা করেছি সবার ব্লগে যেতে মন্তব্য বা কিছু একটা বলে তাদেরকে উৎসাহিত করতে। মন্তব্যের ব্যাপারে ব্লগার সুজনের সঙ্গে পেরে উঠিনি আমি। তিনি সেরা মন্তব্যকারী। ইদানীং তিনি ব্লগে আসেন না। … ব্লগার দেবদাস যিনি এই ব্লগে পরিচিত ছিলেন কিং অফ কমেন্ট হিসেবে। যার পোষ্টের চেয়ে আমাদের কাছে মুল্যবান ছিল মন্তব্য। এমন মজার বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য এই ব্লগে খুব কম এসেছে। দুঃখজনক তিনি ব্লগে এখন অনিয়মিত। তীব্র বিদ্রুপ এবং অসাধারন সব মন্তব্য দিয়ে তিনি তার অবস্থান তৈরী করেছেন সবার হৃদয়ে। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি আমার কথা বলতে পারি আমি যখনই দেখতাম দেবদাস কোথাও মন্তব্য করেছে আমি সঙ্গে সঙ্গে সেই মন্তব্য দেখার জন্য ছুটে যেতাম সেই ব্লগে।… আ শ ম এরশাদ যিনি মন্তব্যের আর এক রাজকুমার। দীর্ঘ, সমালোচনামুলক, বিশ্লেষনধর্মী, মজার কথা- সব ধরনের মন্তব্যে ইনি পারদর্শী। যেখানেই তিনি মন্তব্য করেছেন সংস্লিষ্ট ব্লগার খুশী মনে তা গ্রহন করেছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক মতাদর্শের পোষ্টগুলোতে ব্লগার খালেদ এবং ব্লগার আ শ ম এরশাদ এই দুজনের মন্তব্য ছিল দারুন ইনফরমেটিভ। চুলচেরা বিশ্লেষনধর্মী মন্তব্যের জন্য ব্লগার এরশাদ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। (আ শ ম এরশাদের একটি পোস্ট আমার প্রিয় তালিকাভুক্ত।)

কী লিখবো, কীভাবে লিখবো: মাহবুব আলী [১২]

চুম্বক অংশটুকু: প্রথমেই যদি এই প্রশ্ন ধরে চিন্তা করি যে, কী উদ্দেশ্যে লিখছি? তাহলে অনেকেই হয়তো জবাবে সহজবোধ করবেন না। কেননা, বনের পাখি আপন মনে গান গায়, তার আবার উদ্দেশ্য কী? কিন্তু যৌক্তিক কথা এই যে, পাখি কিন্তু এমনি এমনি গান গায় না। তার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো উদ্দেশ্য আছে। গানের পাখি কোকিল গাছের ফাঁকে লুকিয়ে যখন ডাকে বা গান গায় মানুষ হিসেবে তা শুনে আমরা মুগ্ধ হলেও ওই পুরুষ কোকিলের উদ্দেশ্য বায়স-ফিঙেকে তার বাসা থেকে বের করে আনা, যাতে স্ত্রী কোকিল সেখানে ডিম পাড়তে পারে। তাই প্রতিটি লেখার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য অবশ্যই আছে। লেখককে সেই উদ্দেশ্যের সঙ্গে কাদের জন্য লিখছেন তার সমন্বয় ঘটাতে হয়। (সাথে আছে ১০টি চমৎকার টিপস!)

বাংলা ব্লগ কোন পথে: আ.শ.ম. আরশাদ [১৩৮]

চুম্বক অংশটুকু: ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গের দেবাশীষ ও সুকন্যা বাংলা ভাষায় অনলাইন ব্লগিং শুরু করেন এবং পরিচিতজনদের ব্লগিংয়ে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন বলে কথিত হয়। কিন্তু তখন বাংলা ভাষায় ব্লগিং করাটা খুবই ঝামেলার ছিলো। ফন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকেই ব্লগিংয়ে আগ্রহী হতেন না। এখনও সে সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি। ২০০৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর “বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ” বাংলাদেশী ব্লগসাইট হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। হাসিন ও এমরান এমবেডেড এডিটর ব্যবহার করে বাংলার প্লাটফর্ম সমস্যার সমাধান করে দেন। এখন ভার্চুয়াল কীবোর্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই ফোনেটিক বাংলা লেখা যায়। ২০০৬ সালে ব্লগটিকে ইউনিকোডে নিয়ে আসা হয়। মূলত তখনই একটি বিপ্লব ঘটে যায়। (২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলা ব্লগের একটি ডায়েরি হিসেবে বিবেচনা করা যায় লেখাটিকে।)

এক নজরে প্রথম আলো ব্লগ মিট আপ: First to Last: ইঊসুফ [৪৩]

চুম্বক অংশটুকু: কিছুদিন আগে হয়ে গেল প্রথম আলো ব্লগের প্রথম মিট আপ। …এই দীর্ঘ সময়ে ছিল কত পোষ্ট, কত মন্তব্য… কত সুখ, কত দুঃখ… কতগুলো মানুষের অনুভূতি, প্রচেষ্টা আর প্রেরণা কাজ করেছে এ মিট আপকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে.. সেগুলোকে এক জায়গায় একত্রিত করার ইচ্ছায়ই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। এতে মিট আপের প্রস্তাবনার শুরু থেকে মিট আপের পর পর্যন্ত প্রায় সব পোষ্টের লিংক একত্রিত করার চেষ্টা করেছি। (২০০৯ সাল পর্যন্ত ব্লগারদের পারস্পরিক সাক্ষাৎ করার বিষয়টি ছিলো রোমাঞ্চকর এবং বহুল প্রত্যাশিত। তার পূর্বে থাকতো অনেক আনুষ্ঠানিকতা ও প্রস্তাবনা।)

বইপড়া; সাহিত্য আলোচনা, কবিতা, ছড়া, ভ্রমণ, ব্যক্তিত্ব

বাঙালির পাঠ্যাভ্যাস: মেহেদী হাসান মঞ্জুর [৮]

চুম্বক অংশটুকু: একদিনের একটা ঘটনা বলি, যাতে বিষয়টা আরেকটু স্পষ্ট হয়ে উঠবে । মেট্রো রেলে যাতায়তের সময় দেখি, ষ্টেশনের এক কোনে দাঁড়িয়ে একজন ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে; তার পায়ের কাছে একটি টুপি রাখা, সেখানে লোকজন রুবল(রাশিয়ান মুদ্রা) ফেলছে, তার বাম হাতে ধরা একটি কার্ড, যেখানে লেখা ‘পামাগাত মিনিয়া’ (আমাকে সাহায্য করুন) এবং ডান হাতে ধরা একটি বই। হাজার কোলাহলের মাঝখানেও লোকটি বই পড়ে যাচ্ছে । টুপিতে কতগুলো রুবল জমা হচ্ছে, সেদিকে তার কোন খেয়ালই নেই। বাংলাদেশের কোন জায়গায় এরকম দৃশ্য, আমরা সম্ভবত কল্পনাতেও আনতে পারবনা। (এই ব্লগারকে এখন আর বাত্তি লাগিয়ে পাত্তা পাওয়া যায় না )

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ওপর বাংলাদেশ এবং লালন সাঁইজির প্রভাব: জমির হায়দার বাবলা[২০]

চুম্বক অংশটুকু: রবি ঠাকুর বাংলাদেশের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন বলেই তাঁর জীবনে “বাংলাদেশ” অধ্যায়টি সাহিত্য সৃষ্টির রত্নগর্ভা হয়ে আছে। এ অধ্যায়ের কারণে রবি ঠাকুর তাঁর সাহিত্যে ঝুলিতে অসংখ্য মানিক তুলে নিতে পেরেছিলেন। এ অধ্যায়েই রবি ঠাকুর সৃষ্টি করেছেন করেছেন অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম। (বাবলা ভাইয়ের সাহিত্য-বিষয়ক প্রবন্ধগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।)

ভং ছাড়ো কাঙ্গাল: বিধুভূষণ ভট্টাচার্য্য [১০০]

চুম্বক অংশটুকু:

আমরাউ চাষাভূষা
আমরাউ বাঙ্গাল
অউ দেশ আমরার
ভং ছাড়ো কাঙ্গাল

ছড়াকারের কথা: এই ছড়াটি সিলেটের স্বনামধন্য আবৃত্তি সংগঠন মৃত্তিকায় মহকাল-এর প্রধান, বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সংগঠক সৈয়দ সাইমূম আঞ্জুম ইভান (প্রথম আলো ব্লগের ‘সাইমূম ইভান’)-এর অনুরোধে রচিত এবং গত বছর ও চলতি বছর নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মৃত্তিকায় মহকাল কর্তৃক মনমুগ্ধকর ভাবে পরিবেশিত হয়েছে। আলো ব্লগের বন্ধুদের জন্য এখানে নিবেদন করলাম। (আমার ব্লগে আসার প্রথম সময়টিতে বিধু’দা এতই নিয়মিত ছিলেন যে, সর্বোচ্চ মন্তব্যকারীদের তালিকায় তার নাম থাকতো। তখন জিনজির নামেও আরেকজন ব্লগারকে খুব দেখা যেতো।)

ঈদের ছুটিতে ভারত ভ্রমণ: রব্বানী চৌধুরী [৫৫]

চুম্বক অংশটুকু: গত ৩০শে অক্টোবর ছিল প্রকৃতির ভূ-স্বর্গ মানালিতে আমাদের শেষ দিন। বিকাল পাঁচটায় পর্যটকদের বাসে করে দিল্লীতে যাওয়ার সময়সূচি। সকাল থেকে আমাদের অবসর, আর মালানি ও পুরাতন মানালি ঘুরে দেখার দিন। বাজার-ঘাট, পার্ক, আর টুকি-টাকি সোপিং। ঝকঝকে রোদে হোটাল থেকে তোলা পাহাড়ে রোদের বন্ধুত্ব। (যুক্ত আছে বেশকিছু চমৎকার ছবি। পেয়ে যাবেন জনপ্রিয় এই ব্লগারের সুখময় পারিবারিক জীবনের সচিত্র প্রতিবেদন।)

আদিবাসী নারী: এইচ এস মং মারমা [৪০]

চুম্বক অংশ:
অগ্নিমাখা বিস্তীর্ণ প্রান্তরে ক্রমান্বয়ে তুমি
হারিয়ে যাও, হারিয়ে যেতে থাকো;
একদিন তুমি আর ফিরে আসো না,
কল্পনা চাকমাও আর ফিরে আসেনি।

কবিকে আমি এই বলে সেদিন অনুভূতি জানিয়েছিলাম: “এতো আহত আমি আর কখনও হই নি।” ব্লগ থেকে মং মারমা ভাইয়ের অন্তর্ধান নিয়ে একবার আলাদা পোস্ট দিয়েছিলাম। তারপর তিনি ছিলেনও কয়েকদিন। তারপর আবারও উদাও! আদিবাসীদের ওপর যতবার উপদ্রুব এসেছে ততবারই তাদের বিবেকের প্রতিনিধি হয়ে কবি মং মারমা আমাদের সাথে তার কবিতায় কেঁদেছেন। কাঁদিয়েছেন আমাদেরকেও। ভালো থাকুন কবি!

শৈল্পিক হাততালী: কবি কুহক [৬২]

চুম্বক অংশ: “টুপ করে খসে পড়ে তার নব যৌবন
সুযোগ বুঝে বাতাসী উড়িয়ে দেয় মার্কসবাদী চুল”

কবির সাথে আমার কথোপকথন:
আমি: হাহাহা, ভালো লাগলো সমগ্র কবিতাটি। কোন এক সময় আরও বিস্তারিত বলার ইচ্ছা আছে।
কুহক: দুহাই লাগে আর বিস্তারিতো কিছু কইয়েন না। পুরাই লজ্জায় পইড়া যামুগা।আমি:

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: তুহিন সরকার [১০০]

চুম্বক অংশটুকু: বান্দরবন জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি আছে, এলাকার বাসিন্দাদের মুখে প্রচলিত রূপকথায় অত্র এলাকায় এ সময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশ মুখে ছড়ার পাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অতি বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পেলে বানরের দল ছড়া পাড় থেকে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পার হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে জায়গাটি “ম্যাঅকছি ছড়া” হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মার্মা ভাষায় ম্যাঅক শব্দটির অর্থ হল বানর আর ছি শব্দটির অর্থ হল বাধঁ। কালের প্রবাহে বাংল ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম বান্দরবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তবে মার্মা ভাষায় বান্দরবনের প্রকৃত নাম “রদ ক্যওচি চিম্রো’।

মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান: নূর মোহাম্মদ নূরু [১৬]

চুম্বক অংশটুকু: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদের স্মরণে হামিদুর রহমানের নকশা অনুসারে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। উল্লেখ্য হামিদুর রহমানের রূপকল্পনা অনুসারে ১৯৬২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়। (কৃতী মানুষের জীবনী লেখে এই ব্লগার বাংলা ব্লগকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছেন মহাকালের জন্য।)

রেলপথ ধরে বাংলাদেশ ভ্রমণ: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, লক্ষ্য আখাউড়া [২৩]

চুম্বক অংশটুকু: সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাঁটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাঁটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাঁটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব । এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি চিটাগাংএর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি চিটাগাং পৌঁছতে পারি । (ব্লগের ট্যুরিস্ট ব্লগার কামাল উদ্দিন ভাইয়ের একটি জনপ্রিয় আয়োজন এটি।)

ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ৭
ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ১

——————————
*‘প্রিয়’ কথাটি নিয়ে কৈফিয়ত এবং এপোলজি আছে: সকল ‘প্রিয়কে’ এক সংকলণে আনা যায় নি। আগেই বলেছি তালিকার বাইরেও অনেক প্রিয় পোস্ট আছে। প্রিয় ব্লগারের তালিকাটিও এক্ষেত্রে আমার সহায়ক। তাই পাঠক যেন মনে না করেন যে প্রিয় তালিকা এখানেই শেষ। পরে আরও আসবে।

.
.
.
.
.
[লেখাটি প্রথম আলো ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তর করা হয়েছে। ২৮ অগাস্ট ২০১৪]

৬৫ টি মন্তব্য
sagar923রফিকুল ইসলাম সাগর১৭ মে ২০১৪, ২১:১৩

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।
সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি।
আপনার সাথে একমত।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

অনেক ধন্যবাদ
fardoushaফেরদৌসা১৭ মে ২০১৪, ২১:১৪

চুম্বক অংশটুকু পড়ে উনাদের পুরো পোস্ট পড়ার লোভ হচ্ছে। যদিও রব্বানী ভাই আর কামাল ভাইয়ের পোস্ট দেখা আছে ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

চুম্বক অংশ নেবার মতলবই হলো আকর্ষণ করা… হেহেহেধন্যবাদ ফেরদৌসা আপা

MirHamidহামি্দ১৭ মে ২০১৪, ২১:১৮

সময় নিয়ে পড়তে হবে। প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট…………………………….
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৫

হামিদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
neelsadhuনীল সাধু১৭ মে ২০১৪, ২১:২০

বাহ। চমৎকার।আপনার প্রিয় পোষ্ট মানে অনেক কিছু। আমার প্রায় পোষ্ট পড়া আছে।
একটি পোষ্ট পড়ে আসি। সেটা চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল মনে হচ্ছে।

এভাবেই আমরা ভালো লেখাগুলোকে সবার সামনে নিয়ে আসতে পারি। মুল্যায়িত হতে পারে সেরা/প্রিয় পোষ্টগুলো।

ধন্যবাদ জানবেন।
ভালোবাসা সহ

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৬

অনেক ধন্যবাদ নীলসাধু ভাই…
শুভেচ্ছা
ANIKA2012আমির হোসেন১৭ মে ২০১৪, ২১:২১

বিশাল আলোচনা কখন পড়ুম ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৭

ধন্যবাদ
shohel121পরানের কথা১৭ মে ২০১৪, ২১:২৩

অনেক ভালো লাগলো এই আলোচনা । আমার মতো নতুনদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
ধারাবাহিকের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রলাম।অফুরান আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৮

পরানের কথা, মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
neelsadhuনীল সাধু১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

ইহা একটি বিজ্ঞাপন মন্তব্য

প্রথম আলো ব্লগে চলছে “প্রথম আলো-ঘুড়ি প্রিয় চিঠি আয়োজন ২০১৪”

মে ১৫ থেকে পোষ্ট-কৃত সকল চিঠি এই আয়োজনের জন্য বিবেচিত হবে। চিঠি পোষ্ট করার শেষ সময় জুন ১৫।

চিঠি লিখুন। চিঠি পড়ুন।
প্রথম আলো ব্লগে পোষ্ট করুন আপনার নিজের লেখা চিঠিটি!

ধন্যবাদ।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৮

Mzarin31আরজু মুন জারিন১৭ মে ২০১৪, ২১:৪২

কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না। (*চমৎকার মইনুল ভাই।আপনার সব লেখায় আমার মুগ্ধতা সিল মেরে বলে দিলাম।আমার লেখায় যখন আমি আপনার কমেন্টস দেখি নিজেকে সন্মানিত বোধ করি গুরুত্বপূর্ন মনে করি।কমেন্টসে বুঝতে পারি আপনার উদারতা।পুরা লেখা নিখূঁতভাবে পড়ছেন বিশ্লেষন করছেন।কিন্তু কমেন্টস করার সময়ে লেখককে আপনি তাই বলছেন যা তাকে প্রেরনা দেওয়ার মত আপনার দৃষ্টিতে প্রেরনা পাওয়ার মত।আপনার এই মানসিক গঠনকে আমার শ্রদ্ধা।

আর লেখাতো সবসময় অসাধারন লিখেন।আপনার লেখা বিশ্লেষন করার স্পর্ধা আমার নাই।অনেক ভাল লাগা/মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম।

ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য।অনেক শুভকামনা রইল আপনার চলার পথে।ভাল থাকবেন কেমন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৫

আরজু মুন জারিন আপা, আপনার উদার প্রশংসায় কৃতজ্ঞা জানাই।অনেক শুভেচ্ছা জানবেন

PulakBiswas67পুলক বিশ্বাস১৭ মে ২০১৪, ২১:৪৫

ব্লগিং মুক্তভাবে লেখার ও মত প্র্রকাশের দারুণ এক প্লাটফরম হতে পারে যদি আমরা একটু ধীরস্থিরভাবে শুদ্ধ-অশুদ্ধ যাচাই করে নিজের পোস্টটাকে সমৃদ্ধ করি। আমাদের মতো নতুনদের নিজের জায়গা তৈরি করে নিতে একটু সময় লাগবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এটা নিয়ে আমার কোন খেদও নেই। অগ্রজদের, ভাল লেখকদের মূল্যায়ণ করা যেমন জরুরি তেমনি নতুনদের ভাল লেখাকেও অনেকে মূল্যয়ণ করেন যা আমাদেরকে অণুপ্রাণিত করে সবসময়।মইনুল ভাইকে অনিঃশেষ শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন।

sularyআলভী১৭ মে ২০১৪, ২১:৫৫

এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী পোষ্ট আশা করছি আমার মত সবার ভালো লাগবে। এক পোষ্টেই অনেক কিছূ জানা সম্ভব বিশেষ করে যারা নতুন ব্লগার তাদের জন্য অনেক ভালো লাগবে কারন আমাদের পুরাতন অনেক প্রিয় ব্লগা্র আজ যারা ব্লগে যে কারনেই হোক সক্রিয় না তাদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানা সম্ভব হচ্ছে। ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৭

পুলক বিশ্বাস ভাই, সংকলনটি সেজন্যই দেওয়া হয়েছে, যেন নতুন পুরাতন সকলেই কিছু বাছাইকৃত লেখার স্বাদ পান।মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৮

হ্যাঁ আলভী ভাই, লেখাটি ঠিক সেজন্যই।আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা

শুভেচ্ছা জানবেন

BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা১৭ মে ২০১৪, ২২:১০

প্রথমে মইনুল ভাইকে ধন্যবাদ জানাই অনেকগুলো পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
এ পোস্টগুলো বাছাই করতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে সাথে বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়েছে। ব্লগিং নিয়ে পোস্টগুলো প্রত্যেকটিতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।আগের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের সম্পের্কে ধারনা পেলাম।আপনি যেই পোস্টগুলোর কথা লিখলেন সেই পোস্টগুলোর সূত্র ধরে আগামীতে আরো আগাতে পারবো।
মইনুল ভাইকে আমাদের বড়বেশী দরকার। কারণগুলোর একটি আজকের মতো পোস্টগুলি।
শুভকামনা।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১২

লেখার মান নিয়ে লেখক যত অসন্তুষ্ট থাকবেন, তার লেখা ততই ভালো হবে।
তাই আমার দৃষ্টিতে ভালো লেখকদেরকে সামনে তুলে ধরলাম।আপনার মন্তব্য সবসময়ই আমার লেখাকে সমৃদ্ধ করে। এবারও

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, বাবলা ভাই

BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা১৭ মে ২০১৪, ২২:২০

কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না,
যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।মাঝে মাঝে কিছু পোস্টে সতর্কতার সাথে “দারুন” “অসাধারণ” কথাগুলো না লিখে কেবল কোথায় বা কোন কথাগুলো ভালো লেগেছে তা উল্লেখ করেই বলি “ভালো লেগেছে”।
আমি মাঝে মাঝে মনে করি-ডাহা মিথ্যাচারিতা না করে উৎসাহমূলক মন্তব্য ব্লগিং এ তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে মনে হয় না। অনেকে উৎসাহিত হতে পারেন।
“ব্লগরত্ন” কথাটি আবারো প্রমানিত হলো।
শুভেচ্ছা মইনুল ভাইকে।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১৪

সহব্লগারদের কাছে নিজের অবস্থানটুকু পরিষ্কার রাখার দায় থেকে মুক্ত হলাম আরকি !আপনার মন্তব্যের ধরণ আমি বুঝি।

অনেক শুভেচ্ছা আবারও

sularyআলভী১৭ মে ২০১৪, ২২:২৭

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১৪

Rabbaniরব্বানী চৌধুরী১৭ মে ২০১৪, ২২:৪৩

অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানবেন প্রিয় মইনুল ভাই।
“লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না।”একজন লেখক কতটা নিরপেক্ষ, মেধার বিচারে, দক্ষতার কলম দিয়ে লিখে থাকেন উপরের কথাগুলি খুব স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে। এ লেখার যোগত্যা নিয়ে যারা চিন্তা করবেন আমার ধারণা মতে তাঁরা একদিন লেখকের খাতায় নাম লেখাবে। আমাকে দিয়ে যে এমন লেখা হবে না, এ আমার সৌজন্যতা করে বলা নয়, মন থেকেই বলা তবে আমারও নাম লেখকের খাতায় উঠতে পারে যদি আমার যোগ্যতা আমাকে লিখায়।

এ পোষ্টটি আমাদের শিখাবে এক একটি পোষ্ট থেকে আর একটি পোষ্টের পার্থক্য কত !! আপনার প্রিয় কিছু পোষ্ট যুক্ত করে দিয়ে আমাদের পড়ার পরিধী বাড়িয়ে দিলেন। আর আমরা বুঝে নিলাম কোন পোষ্টগুলিকে কি ভাবে গুরুত্ব দিতে হয়, নবীন কবি ও লেখকদের জন্য একটি ভুবন তৈরী করে দিলেন অতীতকে জানার।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো ভালো থাকবেন মইনুল ভাই।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২০

//একজন লেখক কতটা নিরপেক্ষ, মেধার বিচারে, দক্ষতার কলম দিয়ে লিখে থাকেন উপরের কথাগুলি খুব স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে। এ লেখার যোগত্যা নিয়ে যারা চিন্তা করবেন আমার ধারণা মতে তাঁরা একদিন লেখকের খাতায় নাম লেখাবে।// বিশাল বড় প্রশংসা আমার জন্য। সহব্লগারদের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চাই। এজন্যই ভূমিকাটুকু দিলাম।

//আপনার প্রিয় কিছু পোষ্ট যুক্ত করে দিয়ে আমাদের পড়ার পরিধী বাড়িয়ে দিলেন। আর আমরা বুঝে নিলাম কোন পোষ্টগুলিকে কি ভাবে গুরুত্ব দিতে হয়, নবীন কবি ও লেখকদের জন্য একটি ভুবন তৈরী করে দিলেন অতীতকে জানার। //

ঠিক এজন্যই এই সংকলন। প্রথম সময়ের লেখাগুলো অনেক দিক দিয়ে ভিন্ন রকম। তখনকার ব্লগাররা একটু বেশিই সংগ্রামী ছিলেন মনে হয় : )

প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই, আপনার মন্তব্যে সবসময়ই পাই আন্তরিক কিছু মূল্যায়ন। এটি যেকোন লেখকের জন্য শক্তি।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

kabirbdboyকাছের মানুষ১৭ মে ২০১৪, ২২:৫৯

চমৎকার একটা পোষ্ট, এর মাঝে কিছু পোষ্ট আগেই পড়েছিলাম !!চুম্ভক অংশটি দিয়ে আবারো লেখা গুলো পড়ার জন্য লোভ বাড়িয়ে দিলেন।

আপনার এই উদ্দগটি ব্লগারদের লেখার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং লেখার প্রতি উৎসাহ এই বিষয় গুলোতে গুরুত্বপূর্ন্য ভুমিকা রাখবে ।

আপনার পোষ্ট মানেই ভিন্ন কিছু পাই, এবারো তার ব্যাতিক্রম হল না

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২২

//আপনার এই উদ্দগটি ব্লগারদের লেখার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং লেখার প্রতি উৎসাহ এই বিষয় গুলোতে গুরুত্বপূর্ন্য ভুমিকা রাখবে।//-এটাই সংকলনের উদ্দেশ্য। প্রিয় কাছের মানুষকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

baganbilas1207কামরুন্নাহার১৭ মে ২০১৪, ২৩:১৭

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।
সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি।

আপনার এই লেখাটুকু আবারও প্রমাণ করলো আপনিই ব্লগরত্ন।
আপনার গঠনমূলক মন্তব্য, সমালোচনা, একজন লেখককে কতখানি অনুপ্রাণিত করে তা’ একবাক্যে সবাই স্বীকার করবেন। এমনটাই সবার প্রয়োজন। যা আপনি দিয়ে আসছেন, দিচ্ছেন, দিতে থাকবেন।
আপনার লেখায় ডাহা-মিথ্যাচার করবার প্রশ্নই আসে না। আপনি এমন করে লিখতে থাকুন, ব্লগকে এগিয়ে নিয়ে চলুন তার পরিপূর্ণতায়, প্রাপ্তিতে।

আপনি সে সব ঐতিহাসিক লেখাগুলো আবারও আমাদের সামনে এনে দিলেন, তা’ সত্যিই অসাধারণ !!
ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য।অনেক শুভকামনা রইল। এমনটাই আরো চাইব, এ আমার দাবি।

baganbilas1207কামরুন্নাহার১৭ মে ২০১৪, ২৩:১৮

**** আপনার লেখা পড়তে যেয়ে লগ আউট হয়ে গেলাম যে !!!
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৫

লেখাগুলো সত্যই ‘ঐতিহাসিক’। ওখান থেকে অনেক কিছু জানার ও শেখার আছে। এজন্যই শেয়ার করলাম সংকলনের মাধ্যমে।আমার লেখা ও মন্তব্য সম্পর্কে যে মূল্যায়ন করেছেন, তাতে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ আমি।
কামরুন্নাহার আপার মন্তব্য, ব্লগারের জন্য প্রেরণার।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৫

এরকম সমস্যা তো সকলেরই হয়। তবে আজকাল একটু কম
KohiNoorমেজদা১৮ মে ২০১৪, ০১:১৯

বিভিন্ন জনের কথা জানলাম। ভাল লাগলো। কয়েকজনকে চিন্তে পারি নাই। সেটা আমার ব্যর্থতা। ধন্যবাদ মঈনুল ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৭

অনেক আগের ব্লগার আছেন কয়েকজন।
প্রাসঙ্গিকতার বিচারে তাদের লেখাগুলো আমার কাছে দরকারী মনে হয়েছে।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, মেজদা

missildhakaভোরের মিছিল১৮ মে ২০১৪, ০১:২৪

ভাল লাগলো
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৭

ধন্যবাদ, ভোরের মিছিল
lnjesminলুৎফুন নাহার জেসমিন১৮ মে ২০১৪, ০১:২৯

বেশ কিছু পোস্ট আগেই পড়েছিলাম । আজ আবার একটু করে উকি দিয়ে এলাম । না পড়াগুলো পড়ে ফেলতে হবে খুব তাড়াতাড়ি ।
এমন অসাধারণ আর সময়সাপেক্ষ চিন্তা মাথায় এনে তা আবার প্রকাশ করার সময় পান কিভাবে ? আসলেই যারা গুণী তারা সবদিকেই তার ছাপ রাখে । শুধু আমার মত বে গুণীরা চেয়ে চেয়ে দেখে আর অবাক হয় ।আর বেশি কিছু কইতে পারুম না । আমার স্টক অল্প থাকে আপ্নে জানেন । এই নিয়ে এক মজার ঘটনা বলি । আমাদের এখানে এক ভাবীর( পলাশের কলিগ ) বিদায় উপলক্ষে আমরা সবাই মিলে একসাথে হলাম । ভাবী চলে যাচ্ছে তাই সবাই তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলছিলেন । দুই তিনজন বলার পর আমার পালা এলো । আমি অল্প কথার মানুষ । দুই লাইন বলেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে দিলাম । এরপর আর বেশিক্ষণ কথা চলে নি । কিন্তু আমার ঐ দুই লাইন সবাইকে আবেগাক্রান্ত করে দিল ।

ওরে বাবা অনেক কথা বলা হয়ে গেল । ভাল থাইকেন

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৯

হাহাহা, অনেক তো বলে দিলেন জেসমিন আপা। আপনার মন্তব্য সম্পর্কে যা বলার আলাদাভাবে একদিন বলেছি।মজার ঘটনাটি সত্যিই মজার…. বক্তব্য কত দীর্ঘ তাতে কিছু যায় আসে না, সেটি তাৎপর্যপূর্ণ হলেই হলো

আপনি ঠিক সেরকম একজন ব্লগার।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

Hafizplpহাফিজুল ইসলাম১৮ মে ২০১৪, ০২:০৮

এইসব ঘোড়ার ডিম না কইরা যা করলে সমাজের কোন কামে লাগে হেইডা করতে পারেন না? মানুষের মধ্যে কোন রকম সচেতনতা ছড়াইতে পারেন না? বড় একখান পোস্ট দিছেন তাতে আবার এত্ত প্রশংসা! ভাই, ব্লগটারে খাজুইরা আলাপের আর গুছানো কিছু মিষ্টি কথার বিতরণের স্থান না বানাইয়া পারলে কামের কাম কিছু করেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি তুইলা ধরেন, সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন নইলে সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে মিষ্টির মাঝে যেমনে ওষুধ খাওয়ায়- তেমনে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেন।
আর সহজ বাংলায় মন্তব্য করলে কি মাইনষের কষ্ট হয়? “ভালোলাগা রেখে গেলাম, শুভেচ্ছা শতত, পাশে রইলাম” এইসব আঁতেল মার্কা কথা বাদ দিয়া লেখার ব্যাপারে সরাসরি মন্তব্য করতে পারেন না? লেখার মান বা লেখার বিষয়- এইসব নিয়া?
বহুত তো করছেন, এইবার ভণ্ডামি বাদ দেন। পাগলের বোর্ড বসাইছে একলগে। আর ব্লগরত্ন আবার কী? ফাইজলামির টাইটেল??
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:৪৪

আপনার মনের কথা অবিকৃতভাবে প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি ভালো লেগেছে।মন্তব্য সম্পর্কে যা বলেছেন, সেটি আমারই কথা।

তাছাড়া অন্যান্য যা বললেন, তা অনেক ভারি এবং সিরিয়াস, কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক। এটি তো একটি সংকলন।
আমি কেবলই একজন ব্লগার। লেখকও নই, সমাজ সংস্কারকও নই।

ভারি কথা লিখার আগে আমার পূর্বের লেখা ও মন্তব্যগুলোতে একটু চোখ বুলাতে পারতেন না, হাফিজুল ইসলাম?
অন্তত আমার নামটি লিখে সার্চ দিলেও তো বুঝতে পারতেন আপনার অভিযোগটুকু কতটুকু প্রাসঙ্গিক

হাফিজুল ইসলামকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

neelsadhuনীল সাধু১৮ মে ২০১৪, ১৫:৩৩

হাফিজুল ইসলাম ভাই আপনি দড়ি ছিড়া কই থেইকা বাইর হইলেন?
কে ছাড়লো আপনারে?
এতো জ্ঞান নিয়ে সাগরে ঝাপ না দিয়ে ব্লগে কি করেন?

এমন বেয়াদপি মন্তব্য আমি অনেকদিন পর দেখলাম।
ভ্রাতা মাঈনউদ্দিন খুব ভদ্র এবং সজ্জন একজন মানুষ। তাই বেঁচে গেলেন। আমাদের হাতে পড়লেতো ভাই মাফ চাইয়া কুল পাইতেন না। আপনারে একটা উপদেশ দেই। দৌড়ের উপর থাকেন। নিজের চিন্তা করেন।
ইয়াহ নাফসি ইয়াহ নাফসি করেন।

আশা করি বুঝেছেন।
আপনার এমন অশালীন কুরুচিপুর্ন মন্তব্যের প্রতিবাদে আমার রুঢ মন্তব্য- মাঈনদ্দিন ভাই এর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

missildhakaভোরের মিছিল২০ মে ২০১৪, ০১:৪৫

Hafizplp
হাফিজুল ইসলাম
১৮ মে ২০১৪, ০২:০৮
এইসব ঘোড়ার ডিম না কইরা যা করলে সমাজের কোন কামে লাগে হেইডা করতে পারেন না? মানুষের মধ্যে কোন রকম সচেতনতা ছড়াইতে পারেন না? বড় একখান পোস্ট দিছেন তাতে আবার এত্ত প্রশংসা! ভাই, ব্লগটারে খাজুইরা আলাপের আর গুছানো কিছু মিষ্টি কথার বিতরণের স্থান না বানাইয়া পারলে কামের কাম কিছু করেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি তুইলা ধরেন, সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন নইলে সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে মিষ্টির মাঝে যেমনে ওষুধ খাওয়ায়- তেমনে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেন।
আর সহজ বাংলায় মন্তব্য করলে কি মাইনষের কষ্ট হয়? “ভালোলাগা রেখে গেলাম, শুভেচ্ছা শতত, পাশে রইলাম” এইসব আঁতেল মার্কা কথা বাদ দিয়া লেখার ব্যাপারে সরাসরি মন্তব্য করতে পারেন না? লেখার মান বা লেখার বিষয়- এইসব নিয়া?
বহুত তো করছেন, এইবার ভণ্ডামি বাদ দেন। পাগলের বোর্ড বসাইছে একলগে। আর ব্লগরত্ন আবার কী? ফাইজলামির টাইটেল??
এই সব সবুজ ঘাস খোর পুলা পাইন পাইলে চটকায়তে মন চায়

দেখেন এই জ্ঞানীর অবস্থা

অবস্থানDhaka
ব্লগে আছেন৩ বছর, ৮ মাস, ১ দিন, ১ ঘন্টা, ৫৬ মিনিট
সর্বমোট পোস্ট৫৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য৮১ টি

Hafizplpহাফিজুল ইসলাম২৮ মে ২০১৪, ২০:১০

ক্যান নীলসাধু সাহেব, কলিজায় লাগলো সত্যকথাগুলান? আর আপনে নিজেই তো বেশি পণ্ডিত। আর আপনের কাছে মাপ চাইতাম মানে? আপনে তো মিয়া একটা চামচা। চামচামির বাইরে কিছু বুঝেন নাকি পারেন? সারদিন তো শুধু আজাইরা লেখা লেইখাই কাম সারেন।
আর শোনেন, বলদামি সবার লগে করন ঠিক না। আমি আপনার মত চামচামি পছন্দ করি না আর করিও না। বুঝছেন? আপনি না কইছেন আমি বেয়াদব? আমি মনে করি আপনি একখান আসল আঁতেল। আর মনে রাইখেন, দেশে ব্লগ কিন্তু একটা না।
Hafizplpহাফিজুল ইসলাম২৮ মে ২০১৪, ২০:১৩

ভোরের মিছিল, আপনি আবার কে ভাই? আমি ব্লগে কয়দিন আছি আর কয়টা মন্তব্য করছি তাতে আপনার কী? আপনি নিজের পথ দেখেন।
আর চটকাইতে মন চায়? তাইলে চটকানোর বহুত কিছু আছে, দরকারে নিজের কান চটকান।
আর আতলামি না কইরা থাকতে কী খুব কষ্ট লাগে?? নাকি চুলকায়??
kamaluddinকামাল উদ্দিন১৮ মে ২০১৪, ০৭:২৫

ব্লগ ও ব্লগারদের নিয়ে আপনার এমন গবেষণা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। আমি সব সময় হালকা ব্লগিং করি, আমার মাঝে কখনো আপনাদের মতো গভীরতা খুজে পাবেন না, কারণ সবাকে দিয়ে সব কিছু হয়না। ধন্যবাদ মইনুল ভাই।………………………………………………………………………………………………………………..
(ব্লগের ট্যুরিস্ট ব্লগার কামাল উদ্দিন ভাইয়ের একটি জনপ্রিয় আয়োজন এটি।)

আমি নিজেকে কখনো টুরিষ্ট ব্লগার বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি না, আমি আমাকে ট্রাভেলার ব্লগার হিসাবেই ভাবতে চাই।

এবার দেখে নেই টুরিষ্ট আর ট্রাভেলারের পার্থক্য
টুরিস্ট আসলে কারা? টুরিস্ট হচ্ছে, অবকাশ যাপন আর সাথে বিনোদনের জন্য যারা ছুটিতে ঘুরতে বেড়োয়। টুরিস্টদের সাথে থাকে কাঁধে ঝুলানো ক্যামেরা, জামা কাপড়ে ফিটফাট-কেতারদুস্তর। বেড়ানোর জায়গাগুলো হয় বিখ্যাত সব স্থান অথবা স্থাপনা। টুরিস্টরা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের ফ্রেমে বন্দী হয়ে একটি সীমাবদ্ধ গণ্ডীতে আনন্দ খুঁজে বেড়ায়। এরা ফিটফাট বাবু সেজে স্থান অথবা স্থাপনা’র সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলতে ব্যাস্ত থাকে ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন (নাকি প্রমাণ) ধরে রাখতে। টুরিস্টরা ব্যাস্ত থাকে ভালো মানের হোটেলে থাকা, আরামদায়ক যানে ভ্রমণ আর সাথে সুস্বাদু লোভনীয় মুখরোচক খাবারের স্বাদ নেয়ায়।

ট্রাভেলার

১. ট্র্যাভেলার সবসময় যে কোন পরিস্থিতিতে নিজের মত করে খাপ খাইয়ে নেয়। একজন টুরিস্ট প্ল্যান মোতাবেক ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু ট্র্যাভেলারের স্বাতন্ত্র্য হল সে প্রতিনিয়ত প্ল্যান আপডেট করতে থাকে সময়ের দাবী মেনে।

২. টুরিস্ট মাত্রই যে কাজটি বেশী করে তা হল, সব দর্শনীয় স্থান কাভার করতে হবে, তাই মিনিট পাঁচেকের জন্য হলেও সেখানে যেতে হবেই। কিন্তু একজন ট্র্যাভেলারের কাছে স্থান বা স্থাপনার কাভারেজ সংখ্যা মুখ্য নয়। মুখ্য সেগুলোর পরিপূর্ণ রূপসুধা পান করতে সক্ষম হওয়া।
৩. ছোট ছোট সেই সব বিষয়ে লক্ষ্য করা যা সাধারণত চোখ এড়িয়ে যায়।
৪. পায়ে হেটে অথবা সাইকেলে বা লোকাল পরিবহণে করে ভ্রমণের স্থানের চারিপাশ, লোকালয়, জনবসতি ঘুরে দেখা।
৫. খুব বিখ্যাত নয়, সচরাচর কেউ তেমন একটা বেড়াতে যায় না এমন জায়গাগুলোতে ভ্রমণে বের হওয়া।

এক কথায়, বেড়াতে গিয়ে যারা টুরিস্টদের থেকে দূরে পালিয়ে যান, তারাই ট্রাভেলার!

ANIKA2012আমির হোসেন১৮ মে ২০১৪, ০৯:৩৩

কামাল ভাই টুরিষ্ট ও ট্রাভেলার জটিল সংজ্ঞা দিয়েছেন।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৩

প্রিয় কামাল উদ্দিন ভাই, ‘লেখার বিষয়’ নিয়ে নয় কিন্তু আপনার ‘উপাধিটি’ নিয়ে এত দীর্ঘ একটি মন্তব্য দিলেন – মজা পেলাম! কিন্তু একটু বিশ্লেষণ যদি না করি, তাহলে ট্যুরিজম সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতার প্রতি অবিচার হবে। না হলে পাবলিক ব্লগে সাধারণ পাঠক বিভ্রান্ত হবেন। প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই, কারণ আমার লেখায় মন্তব্য দিয়ে আজ আপনি দু’টি রেকর্ড করে ফেলেছেন।

প্রথম রেকর্ড: আমার লেখায় সবচেয়ে দীর্ঘ মন্তব্যটি আজ দিলেন; দ্বিতীয় রেকর্ড – আমার লেখায় প্রথম স্ববিরোধী মন্তব্যটিও আজই দিলেন!

আপনি হালকা ব্লগিং করেন এবং সেখানে গভীরতা পাওয়া যাবে না – এটি আপনার কথা। কিন্তু ভ্রমণ বিষয়ে আজ এতো গভীর মন্তব্য দিলেন যে, শুধুমাত্র ভ্রমণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরাই এর তাৎপর্য বুঝার চেষ্টা করবে। অতএব আপনি যে প্রকৃতপক্ষে হালকা ব্লগিং করেন না, তা একই মন্তব্যে ফুটে ওঠলো।

আপনি নিজেকে ‘ট্রাভেলার’ ভাবতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। আপনার যুক্তিতেও দ্বিমত নেই। কিন্তু ট্যুরিস্ট বলে আপনাকে আমি ছোট করি নি, বরং অপেক্ষাকৃত বড় উপাধিটিই আপনাকে দিয়েছি।

ট্রাভেলার শব্দটি ট্যুরিস্ট-এর একটি বিশেষায়িত নাম। যেমন: মেডিসিন স্পেশালিস্ট ‘ডাক্তার’-এর বিশেষায়িত নাম।কোন দেশে ট্রাভেলার শিল্প নেই – আছে ট্যুরিজম বা পর্যটন শিল্প। তাতে ট্রাভেলাররা অপমানিত হন না। ট্যুরিজম/ট্যুরিস্ট-এর মধ্যে ট্রাভেলার এবং ট্যুরিস্ট উভয়ই আছে।

যারা ভ্রমণ করেন, ছবি তুলেন, সাংস্কৃতিক বা ভৌগলিক বৈচিত্র নিয়ে দেশ-দেশান্তরে স্থান-স্থানান্তরে যান, তারা স্থানীয়/আন্তর্জাতিকভাবে পর্যটক/ট্যুরিস্ট হিসেবে পরিচিত, ট্রাভেলার হিসেবে নয়।

এবার ট্যুরিস্ট এবং ট্রাভেলারের আভিধানিক অর্থটি দেখুন: tourist> যে ব্যক্তি travel করে, বিশেষত আনন্দের জন্য। traveler> ব্যক্তি বা বস্তু, যা travel করে। এই অর্থ কিন্তু আমার বানানো নয়। শুধু ট্রাভেল শক্তটিকে আমি বাংলায় অনুবাদ করি নি। শব্দগুলো ডিকশনারি ডট কমে গিয়ে পেস্ট করলেই পেয়ে যাবেন।

ভ্রমণকে আপনি ভালোবাসেন। তাই এরজন্য আলাদা আবেগ, আলাদা কিছু ব্যাখ্যা আপনার থাকতেই পারে। আপনার সেই জায়গাটিতে আমি সবসময় শ্রদ্ধা জানিয়েছি এবং জানাবো। কিন্তু আপনার দেওয়া পার্থক্যে আমি একমত হতে পারলাম না, কিন্তু আপনার উপস্থাপনায় মুগ্ধ হয়েছি।

আমার কোথাও ভুল হলে আপনি কিন্তু সংশোধন করে দেবেন। ভ্রমণ বিষয়ে এত গভীরভাবে আমি ভাবতে পারি না। সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় না – আপনিই তো বললেন!

আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন ফটো ভাই….

kamaluddinকামাল উদ্দিন২০ মে ২০১৪, ০৭:৩১

ডিকশনারী আমাকে মাইর দিয়ে দিয়েছে, এবার দেখলেন আমার ব্লগিং হালকা না পাতলা
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২০ মে ২০১৪, ১৯:০৯

শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন, প্রিয় ফটো ভাই
nuru07নূর মোহাম্মদ নূরু১৮ মে ২০১৪, ০৯:৩২

অনেক যত্ন নিয়ে, অনেক খাটুনির
অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।
আশা করি
যারা গবেষণাধর্মী কাজের সাথে সম্পৃক্ত
তাদের উপকারে আসবে।
ধন্যবাদ মাইনুল ভাই
আপনার অসাধারণ
লেখার জন্য।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৪

নূরু ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
ssangrammগোলাম মোস্তফা১৮ মে ২০১৪, ১৫:১০

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৫

সংগ্রাম ভাইকে একরাশ ভালোবাসা
Ami123আমি..১৮ মে ২০১৪, ১৭:৪৬

সঞ্চালক ভাই,সালাম, আমি “আমি মেজদা” নাম নিয়ে লেখা লেখি করতে চাই। এটার সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। প্রথম আলো ব্লগে আমি নতুন। শুরুতেই এরকম একটি ধাক্কা খেয়ে আমি হতাশ। -আমি কালপুরুষ- যদি কালপুরুষ নামের সাথে লেখালেখি করতে পারে তবে আমি নই কেণ? এখানে সকলের স্বাধীনতা রয়েছে। প্রথম আলো মুক্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আপনি আমার পূর্বের নামটি ফিরিয়ে দিন। এটা ব্লগারদের প্রতি জুলুম। আমার নাম ঠিক করে না দেয়া পর্যন্ত আমি আন্দোলন চালিয়ে যাব। ইশ্বর আমার সাথে আছেন।

আমি মেজদা

khalidumarখালিদ উমর১৮ মে ২০১৪, ১৮:০৪

কেমন আছেন মইনুল ভাই?
অসাধারণ একটা বিশ্লেসনি প্রবন্ধ লিখেছেন। একেবারে বাস্তব চিত্র এঁকেছেন। বোঝাই যাই অনেক দিন ধরে পর্যবেক্ষনের ফল।
ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৬

হাই… খালিদ উমর ভাই! ভালো আছি ভাই
আপনি ভালো তো?বেশি কিছু করি নি ভাই, প্রিয় তালিকা থেকে কপি এবং পেস্ট

আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন

PARVESহাসান পারভেজ১৮ মে ২০১৪, ১৯:৩৮

অামার মত নতুন ব্লগকর্মীর জন্য এটা নিশ্চয়ই দরকারী পোস্ট। তাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা মাঈন ভাইকে।
প্রিয়তে যুক্ত হ’ল।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২০ মে ২০১৪, ১৯:১০


‘ব্লগকর্মী’
ভালো বলেছেন….

অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় হাসান পারভেন

mukto75মুক্তমন৭৫২২ মে ২০১৪, ১৭:১৯

অনেকদিন পর প্রিয় মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাইকে ব্লগে লিখছি।
ফেসবুকে না গেলে জানতেও পারতাম না আপনার এত সুন্দর পোষ্ট এর কথা, যেখানে আমার নিজের লেখাও একটা পোষ্ট দেখতে পারছি।যাহোক, কর্মক্ষেত্রের প্রচন্ড চাপে এবং সেই সংগে অনিয়মিত নেট কানেকশনের জন্য বেশ কঠিনভাবেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছি আপনাদের থেকে।

তবে চেষ্টা থাকবে যখনই নেট পাবো, অন্তত হাই হ্যালো বলে যাবো

শুভকামনা রইলো। ভালো থাকবেন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২২ মে ২০১৪, ২১:৩৪

আমিও অনেক দিন পর প্রিয় মুক্তমন৭৫ ভাইকে ব্লগে পেয়েছি।
আপনি যে ব্লগের গুরুত্বপূর্ণ এক ব্লগার ছিলেন, তা অনুপস্থিতিতে বুঝেছি।
বুঝার পালা শেষ। এবার ফিরে আসুন ভাই… নেট পেলেই যেন একবার ঢু মারেন….অনেক শুভেচ্ছা…
সমুদ্রনিবাসে ভালো থাকা হোক… প্রিয় নাবিক

mukto75মুক্তমন৭৫২৩ মে ২০১৪, ০২:২৬

অবশ্যই প্রিয় মঈন ভাই।আমিও খুব মিস করি আপনাকে সহ সহ ব্লগার সকলকেই।

নেট পেলেই পাশে পাবেন ফ্রি সময় গুলোতে।

ভালো থাকবেন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২৩ মে ২০১৪, ০৮:২৮

আপনাকে দেখে মনে পড়লো, ব্লগারদের কলকাকলিতে কত গরম ছিলো প্রথম আলো ব্লগ

Shimi12ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী)০৯ জুন ২০১৪, ০৮:২৯

আপনার ব্যক্তিগত প্রিয় তালিকার পোস্টগুলো নিয়ে এই সংকলনে লেখা আপনার মূল্যবান কথাগুলো পড়ে খুবই ভালো লাগলো এবং চুম্বক অংশটুকু পড়ে অনেক কিছু জানা হলো। আপনাদের মত গুণীজনেরাই পারেন সেরা/প্রিয় পোষ্টগুলো সঠিক মূল্যায়ন করতে। আপনার প্রিয় পোষ্টগুলো শেয়ার করার জন্য এবং আমাদেরও দেখার সৌভাগ্য করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ মইনুল ভাইকে। আপনাকে সহ আপনার প্রিয় পোষ্টের লেখকদের জন্যও রইলো অনাবিল শুভেচ্ছা।

অন্যের লেখায় ভুল ধরবো, নাকি ধরবো না…?

11111

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

 

[   নভেম্বর ৯, ২০১৪   ৬:০২ অপরাহ্ন   ৯০টি মন্তব্য]

 

১) নতুন-পুরাতন, নবীন-প্রবীণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পেশাদার-অপেশাদার, লেখক-পাঠক, রসিক-সমঝদার, সমাজদার সকলের সমাবেশ এই কমিউনিটি ব্লগ। ‘দৃশ্যমান সমাজের’ (virtual society) বৈশিষ্ট্য নিয়ে এব্লগে সহাবস্থান করছেন সব রকমের এবং সব বয়সের লেখক ও পাঠক। পথ, মত ও আদর্শের ভিন্নতার মধ্যেই একটি পাবলিক ব্লগের সৌন্দর্য্য। কিন্ত এসৌন্দর্য্যকে অক্ষুণ্ন রাখার কাজে প্রধান সহায়ক হলেন সহব্লগাররা।

.

ভাষাগত ভুল ধরা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কর্ম। এধরণের ভুলগুলো অনেক সময় আপেক্ষিকও – আমার কাছে যা ভুল, অন্যের কাছে তা সঠিক। একটি প্রতিষ্ঠিত দৈনিক পত্রিকা যাকে লিখছে ‘ইতোমধ্যে’ সকলে সেটিকে দিব্বি ‘ইতিমধ্যে’ লেখে যাচ্ছেন। আমি ভাবতাম ‘ঐকমত্য’, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত লেখকরা এটিকে ভুল না বললেও তাদের লেখায় ‘ঐক্যমত্য’ লেখে যাচ্ছেন। ‘সম্মানকে’ অধিকাংশ মানুষ ‘সন্মান’ লেখছে এবং বলছেও। বড় বড় সমঝদার ব্যক্তি আজকাল ‘সন্মান’ বলেন। বিখ্যাতে লেখকরা আত্মাকে লেখছেন ‘আত্না’, সত্ত্বাকে সত্বা, দ্বন্দ্বকে দ্বন্ধ ইত্যাদি। একে বলে আগ্রাসন – ভাষার নীতিতে বিদ্রোহ। ‘আগ্রাসন’ হলো ভাষা বদল বা বহমানতার একটি বড় কারণ। বেশির ভাগ সময়েই ‘আগ্রাসন’ হয় না জানা এবং না মানার কারণে। ‘আমি মানলাম না আপনার ভাষারীতি, হয়েছে?’ এভাবে ‘অবাধ্য ভাষাভাষীদের’ সংখ্যা অধিক হলে এবং কয়েকটি প্রজন্ম অতিক্রম করলেই সেটি অবধারিতভাবে অভিধানে ওঠবে।

.

অনেকেই অভিধান আর ব্যাকরণের কথা বলেন। ব্যাকরণের গায়ে জোয়ালি রেখে তারা অন্যদের চর্চিত ভাষার ক্ষেত্রে আরামে মই দেন। ব্যাকরণ আর অভিধান কুরানের (বাইবেলের/ গীতার/ ত্রিপিটকের) বাণী নয়। অভিধানের কথা বলি: অভিধান সঠিক শব্দটি বলার জন্য নয়, সকল প্রচলিত শব্দকে তালিকাবদ্ধ করার জন্য। ব্যাকরণের কথা বলি: এর প্রধান কাজ মানুষের ভাষাকে শুদ্ধ করা নয়, মানুষের প্রচলিত ভাষাকে শ্রেণীবদ্ধ ও গ্রন্থবদ্ধ করে তা প্রজন্মের জন্য ব্যবহার-উপযোগী করা। আজকের ‘মাইরালা আমারে’ হয়তো একদিন অভিধানে ওঠবে, সেদিন আমরা থাকি বা না থাকি। অভিধানের শব্দটি হলো একদল মানুষের সুচিন্তিত এবং আলোচনাপ্রসূত সংজ্ঞা। একে ‘অর্থ’ বলাটাও সেটি আপেক্ষিক। আকাশ থেকে এসে পড়ে নি। ফলে সেটি অকাট্য বা অলঙ্ঘনীয় নয়।

.

.

.

২) ভুল ধরবো কার? তিনি কি আমার সংশোধন গ্রহণ করবেন? বা সেটি গ্রহণ করার অবস্থানে আছেন? তিনি কোন্ কিবোর্ড ব্যবহার করেন, এর ওপরও অনেকটা নির্ভর করে, তার ভুলটি ইচ্ছাকৃত কিনা। তাছাড়া আছে বয়সের ব্যাপার; সামর্থ্যের ব্যাপার। লেখকের নামটি দেখলেই কিন্তু বুঝা যায় না, লেখক কোন্ স্তরের। বুঝা যায় না, তিনি কোন্ বয়সের। দেখা যাবে যে, ‘পরিমিত ভাষাজ্ঞান’ অর্জনের সময়ই লেখকের হয় নি, অথবা পেশাগত কারণে সেদিকে বেশিদূর হাঁটতে পারেন নি। কিন্তু আমি একটি তুচ্ছ ভুল ধরে, তার লেখার স্পৃহাকে নষ্ট করে দিলাম অথবা আত্মবিশ্বাসকে বেলুনের মতো ফুটো করে দিলাম।

.

ভুল ধরা এক বিষয়, আর নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করা ভিন্ন বিষয়। সামান্য বানান বা ভাষার ভুলের জন্য বিশাল বড় যুক্তি দেবার প্রয়োজন আছে কিনা, মাঝে মাঝে ভাবি। রূপক উপমা ভাষাগত ভুল থাকলে, বা লেখার মধ্যে পরস্পর-বিরোধী বিষয় থাকলে, সেটি যদি উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করা না যায়, তবে নিরবে এড়িয়ে যাওয়াই অনেক সময় ভালো মনে হয়। পর্যাপ্ত দৃষ্টান্ত ও ব্যাখ্যা সহকারে এর মূল্যায়ন করা যায়, যেখানে থাকবে লেখার সবল এবং দুর্বল দিকের ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা

.

রাজনৈতিক তথ্য, দেশের মৌলিক ইতিহাস, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি বিষয়ে লেখকের অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকলে, সেক্ষেত্রে ভুল সংশোধন সুযোগ সৃষ্টি হয়।

.

কিন্তু আমি সত্যিই ভুলটি ধরবো কি না, সেটা নির্ভর করছে বেশ কিছু পরিস্থিতির ওপর। যথা:
• ভুল বা নেতিবাচক বিষয়টি সব দৃষ্টিকোণ থেকে যথার্থ কিনা
• লেখকের সাথে সম্পর্ক বা বোঝাপড়া
• লেখক কতটুকু বুঝতে পারবেন, সেই সম্ভাবনা
• লেখক নিজেই সেটি সংশোধন করবেন কিনা, সেই পরিস্থিতি
• ভুলটি পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গিকে ভুলপথে পরিচালিত করার আশঙ্কা আছে কিনা ইত্যাদি

আমরা কেউই সর্বজ্ঞ যেমন নই, তেমনই সকলেই পেশাদার ক্রিটিকও নই। তাই সাহিত্য-বিষয়ক ভুল থাকলে, সেখানে ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন থাকতে হবে। শুধু ভুল দেখালে সেটি একপেশে হয়ে যায়।

.

বিশাল বড় ভুল না হলে এবং তা লেখার মেসেজকে বদলে না দিলে প্রথমত না ধরাই শ্রেয়, যদি সেরকম বোঝাপড়া না থাকে লেখকের সাথে।

.

তারপরও পাবলিক ব্লগ হিসেবে যদি ভুল ধরতেই হয়, সেখানে যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু থাকে। যিনি একটু বেশি জানেন, তাকে এ-ও প্রমাণ করতে হবে যে, তার জ্ঞান তাকে বিনয়ী করতে পেরেছে। প্রকৃত জ্ঞানের মানে যেহেতু ‘নিজের অজ্ঞনতার পরিমাপ’ সেহেতু জ্ঞানের প্রথম বহিঃপ্রকাশ হলো বিনয়ে।

.
.

.

৩) আমি খুব চাই, পাঠক আমার লেখার প্রতি ক্রিটিকেল হোক। অনেক লেখার নিচে ‘নির্দয় সমালোচনা’ করার জন্য একটি নিমন্ত্রণপত্রও জুড়ে দেই। কিন্তু অনেকেই সেরকম মন্তব্য করেন না। এপর্যন্ত যারা করেছেন, তারা আমার খুবই আপনজন এবং ঘনিষ্ট ব্লগার। বুঝা গেলো, আপনজনই কেবল সংশোধনের কথা বলেন। এতে পুরোনো একটি বিশ্বাসই আরও দৃঢ় হচ্ছে। তা হলো, যারা ভুল ধরিয়ে দেন, তারা লেখকের উপকারই করেন। যারা নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করেন, তারা গভীরভাবেই লেখাটি পড়েন।

.

বড় ভুল বড় পরিণতি ডেকে আনে। একটি প্রজন্মকে বিভ্রান্ত, সমাজকে বিপথে পরিচালিত করতে পারে। অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারে এরকম লেখা পেলে, অরাজনৈতিক বিষয় হলে, সেসব লেখার প্রতিবাদ করেছি। লেখক যা-ই মনে করুন, সামাজিক ব্লগে এটি প্রতিটি ব্লগারের দায়িত্ব।

.

নেতিবাচক দিক নিয়েও আমি কিছু লেখায় মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়েছি। বেশ সোজাসুজিভাবেই তা করেছি। সৌভাগ্যবশত, আমার সাথে কারও সম্পর্ক নষ্ট হয় নি এবং আজ তারা আমার অনেক ভালো বন্ধু। এর কমপক্ষে দু’টি কারণ থাকতে পারে: ক) লেখক প্রাজ্ঞ এবং উন্নয়নকামী এবং/অথবা খ) আমার সাথে তার ভালো সম্পর্ক আছে। তাছাড়াও, সমালোচনাটি গ্রহণ করার জন্য লেখককে কমপক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে।

.

সবশেষে কথা হলো, সমালোচনা যেন সত্যিই হয় ‘সম আলোচনা’: ইতিবাচক এবং নেতিবাচক বিষয়ের সুষম বিন্যাস। কারও দুর্বল দিকের উন্নয়ন করতে গিয়ে তা যেন ব্যক্তিগত রেষারেষিতে গিয়ে না ঠেকে। সমালোচনা হবে সাহিত্য সমালোচনা এবং যুক্তি ও মননশীলতার সুসমন্বয়।
.
.
.

——————-
পরিমার্জন ছাড়াই প্রকাশ করা হলো।

  • নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

    না জানা দোষের নয়
    তবে জানতে না চাওয়া ক্রাইম!
    সুতরাং ভুল ধরা বা শুধরে দেওয়া
    সকল সচেতন ব্লগার ও পাঠকের
    দ্বায়বদ্ধতা। সুতরাং ভুল ধরুন, শুধরে দিন,
    পরামর্শ সাদরে গ্রহীত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
    ধন্যবাদ মইনুল ভাই।

  • ঘাস ফুল বলেছেন:

    পোস্ট পড়লাম মইনুল ভাই। কিন্তু মন্তব্যটা কী দেবো সেটা নিয়ে ভাবছি। কারণটা মনে হয় আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনারই কথা, বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। আপাতত

    সঞ্চালককে পোস্টটা স্টিকি করার অনুরোধ করে গেলাম।

    পরে আবার বিস্তারিত মন্তব্য নিয়ে আসছি। আলোচনা সমালোচনা চলতে থাক (সম ভাবে)।

  • কামাল উদ্দিন বলেছেন:

    মইনুল ভাই, আমি গোবেচারা মানুষ……..জ্ঞাণী কথাগুলো আমার মাথায় ঢোকে কম। তবে আমি মনে করি, কেউ ভুল করলে অন্য কারো যদি সঠিকটা জানা থাকে তাকে সেটা জানানো উচিৎ, সেটা সে মানুক কিংবা না মানুক। তবে সবই হতে হবে মাধুর্য্যতা রক্ষাকরে, কারো মনে কষ্ট দিয়ে নয় (আমার এখানে কয়টা ভুল আছে সেটাও জানতে চাই)

  • আলভী বলেছেন:

    বানান ভীতির কারনেই লিখতে সাহস পাইনা!
    এখানে ক’টা ভুল করেছি মইনুল ভাই?

  • আলভী বলেছেন:

    ‘মাইরালা আমারে’ এটা দারুন লেগেছে আমার কাছে!

  • আলভী বলেছেন:

    ভুলের ভয়ে হয়না লেখা
    মনের ভিতর রাখি
    কেমন করে প্রকাশ করি
    লজ্জায় মরে আঁখি!

  • আলভী বলেছেন:

    সাহস দিলে লিখবো আবার
    নিজের মত করে
    আশা করছি ভুলগুলো সব
    দিবেন আপনি ধরে।

  • সুমন আহমেদ বলেছেন:

    শিরোনামে যে প্রশ্ন রেখেছেন তার উত্তর পোস্টেই আছে। খুব গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো এবং প্রাসঙ্গিক। মনে করি মন্তব্যে উপস্থাপনার ধরনের ওপর নির্ভর করে বিষয়টি। পাশাপাশি যে বিষয়গুলো স্মরণে রাখা ভালো বলে মনে করি –

    ১। উপযুক্ত যুক্তি বিনয়ের সাথে উপস্থাপন।
    ২। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রেফারেন্স ব্যবহার।
    ৩। সমালোচনার প্রকৃত অর্থ বুঝে সমালোচনা করা।
    ৪। ভুলটাকে সরাসরি তুলে না ধরে ইঙ্গিতে কিংবা “এমন না হয়ে এমন হলে কি ভালো হয়?” -এভাবে বলা।

    ৫। পাঠক অথবা লেখকের যুক্তি যদি উভয়ের কাছে উপযুক্ত না মনে হয় তাহলে পুনরায় পারষ্পারিক যুক্তি তুলে ধরা। এটা না মনে করা আমি বললাম মানলো না! আর বলবো না।

    ৬। পরষ্পরে মন্তব্য আদান-প্রদানে শ্রদ্ধাবোধ রাখা।
    ৭। মন্তব্য গ্রহণ ও প্রদানের মানসিকতা থাকা।

    ৮। কোনো লেখকের লেখা প্রথম পাঠের সময় নিজের পাঠকযোগ্যতাকে উপযুক্তভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে লেখকের মনে একটি আস্থা তৈরি করে নেওয়া, যা থেকে লেখক পাঠকের জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে একটা ধারণা লাভ করবেন।

    ৯। লেখক-পাঠক উভয়ে পারষ্পারিক সু-সম্পর্ক তৈরি করে নেওয়া।
    ১০। পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব থেকে ব্লগিং করা।

    খুব দৃষ্টিকটু না হলে বানান ভুল না ধরাই ভালো (কেননা বানানরীতি নিয়ে মতপার্থক্য স্বয়ং ব্যাকরণবিদগণের মধ্যে) আবার লেখকেও সজাগ থাকা দরকার যে তিনি এমন এক স্থানে লেখছেন যেখানে, সব ধরনেরই পাঠক রয়েছেন। এ-ক্ষেত্রে লেখককে নিজেই নিজের লেখার সমালোচকের ভূমিকা নেওয়া অথবা লেখা পোস্ট করবার আগে এ-বিষয়ে তার চেয়ে ভালো জানা-শোনা আছে এমন কাউকে দিয়ে দেখিয়ে নিয়ে পোস্ট করা।

    লেখকে মনে রাখা একজন ভালো সমালোচক হচ্ছে তার প্রকৃতবন্ধু। সমালোচনার আড়ালে আসলে তিনি তাকে সতর্ক এবং সহযোগিতাই করে চলেছেন। আর একজন সমালোচকের মনে রাখা যে, তিনি যা বলছেন তা খুব ভেবে-চিন্তে বলছেন (ভুল ধরার ক্ষেত্রে) এবং সমালোচকের মতামত প্রতিষ্ঠা করার মতো উপযুক্ত যুক্তি তার রয়েছে।

    ব্লগিং শিখতে যেয়ে আমার এ-উপলব্ধিগুলো হয়েছে। আর আপনি যা বলেছেন তাতে শতভাগ সমর্থন রয়েছে।
    ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকবেন।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      সুমন আহমেদ ভাই, যথাযথ নির্দেশনা দিয়ে যেমন ভুল সংশোধনের বিষয়টিকে স্পস্ট করেছেন, তেমনি লেখাটিকে দিয়েছেন সমৃদ্ধি।

      আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

      শুভেচ্ছা জানবেন………

  • রোদের ছায়া বলেছেন:

    খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন দেখে ভাল লাগল। আপনার এই পোস্ট পড়ে আগামীতে হয়ত কারো লেখায় ভুল ধরতে গেলে সেটা যতোই আন্তরিক ভাবেই হোক না কেন, কিছুক্ষণ ভাবতে হবে। তবে আমার লেখায় সবাইকে ভুল ধরার অবাধ স্বাধীনতা দেয়া হোল।

  • মেজদা বলেছেন:

    এটা তো ভুল ধরা না, এটা সংশোধন করে দেওয়া। যত পারেন আমাকে সংশোধন করে দিন, মাইন্ড খাবো না। এ আমার প্রমিজ ও প্রতিজ্ঞা।

  • জেসমিন বলেছেন:

    কি বলবো বুঝতে পারছি না । অনেকদিন কিছু না বলার অভ্যাস , যেটুকু বলার ছিল তাও খুঁজে পাচ্ছি না । যাই হোক , পড়ে নিজের যেটুকু নেওয়ার সেটুকু নিয়ে নিলাম ।
    বাকি কথা পরে

  • এটা তো ভুল ধরা না, এটা সংশোধন করে দেওয়া। যত পারেন আমাকে সংশোধন করে দিন, মাইন্ড খাবো না। এ আমার প্রমিজ ও প্রতিজ্ঞা।

  • এনামুল হক মানিক বলেছেন:

    আমি মেজদার সাথে একমত । শুভেচ্ছা সবাইকে ।

  • ফেরদৌসা রুহি বলেছেন:

    আপনার এই পোস্ট পড়ার সময় আকিফ তার পড়া নিয়ে এসে বলে ”মা আমার পড়া ধরেন”। আমি বললাম ”আমি খুব ইম্পরট্যান্ট একটা লেখা পড়ছি, এখন ডিস্টার্ব করবেনা”।
    এবার বুঝেন কত গুরুত্ব দিয়ে পড়লাম।
    আপনার প্রতিটা কথার সাথেই একমত তাই আর কিছু কইলামনা ।

  • সোহেল আহমেদ বলেছেন:

    “আজকের ‘মাইরালা আমারে’ হয়তো একদিন অভিধানে ওঠবে, সেদিন আমরা থাকি বা না থাকি। অভিধানের শব্দটি হলো একদল মানুষের সুচিন্তিত এবং আলোচনাপ্রসূত সংজ্ঞা। একে ‘অর্থ’ বলাটাও সেটি আপেক্ষিক। আকাশ থেকে এসে পড়ে নি। ফলে সেটি অকাট্য বা অলঙ্ঘনীয় নয়।”
    =====================
    সুন্দর বলেছেন। হয়তো তা হবে। আমরা আজ যেভাবে লিখি, বঙ্কিম আমলে এ লেখা সাহিত্যে দুরস্ত হতো না। আর অভিধান নিয়ে আপনার ব্যাখ্যাও যুক্তিগ্রাহ্য।

  • রব্বানী চৌধুরী বলেছেন:

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানবেন মইনল ভাই।

    যারা ব্লগে লিখেন তাদের জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ লেখা, আমি মনে হয় একটি ব্লগের কথা জানি যেখানে সামান্য বানানের ভুল খুব বড় করে দেখা হয়, ফলে ব্লগটি এখন দৈউলিয়া দশায় পড়েছে, লেখার মান রাখতে গিয়ে ব্লগ যদি লেখক শূণ্য হয়ে পড়ে বা ভুল বানানের কারনে বা ভয়ে লেখক যদি লেখায় ইতি টানে তবে সেটা সুখকর উন্নতি নয় যদিও আমার এই মতামতটি বাংলা সাহিত্যের বেলায় একটি কু-ফল দিক।

    তবে সবার সঠিক বানানে সঠিক ভাষায় লেখা উচিত, বাবানে বা ভাষায় ঘাটতি থাকলে তা উন্নতি করা দরকার আর যিনি সাহিত্যিক হবে তিনি তো সাহিত্যে অনেক জ্ঞানের অধিকারী হবেনই।

    ঘুড়িতে এক জন লেখক একটি লেখা লিখলেন একজন পাঠক তা পড়ে শুধু মন্তব্য করলেন সৃতি বানানটি ভুল সঠিক হবে স্মৃতি, এমন মন্তব্য কাম্য নয়। পাঠকের উচিত অনেক দক্ষতায় লেখকের ভুলটি তুলে ধরা। তা ছাড়া প্রযুক্তির নানান লেখার অপসনের কারণে অনেকে সঠিক অক্ষর ফুটিয়ে তুলতে পারেন না।

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      রব্বানী ভাইয়ের পর্যবেক্ষণটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

      ভাষাগত শুদ্ধতা যেন আমাদের মানবিক শুদ্ধতাকে অতিক্রম না করে ফেলে।

      সুন্দর মন্তব্য দিয়ে আলোচনায় যুক্ত হবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  • ঘাস ফুল বলেছেন:

    আলোচনা, সমালোচনা, গঠনমূলক, বিশ্লেষণ, পর্যালোচনা এগুলো সবই প্রকারন্তে একসূত্রে বাঁধা, যা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অপরিহার্য। বিশেষ করে বাংলা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে। কারণ বাংলা ব্লগিং এখন আর ব্যক্তিগত ব্লগিং এর পর্যায়ে পরে না। এটা সাহিত্য চর্চার বিকল্প মাধ্যম হিসাবে ইতিমধ্যেই সুপ্রতিষ্ঠিত। এটা বললেও মনে হয় অত্যুক্তি হবে না যে, বাংলা ব্লগিং এখন বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার সাথে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলছে। যার প্রমাণ হিসাবে বই মেলায় ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকাই যথেষ্ট, যেখানে ব্লগগুলো সরাসরিও অংশগ্রহণ করছে। তাই ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের ওপর আলোচনা ও সমালোচনা সবই হওয়া উচিৎ এবং এগুলো সবাইকে ইতিবাচক হিসাবেই গ্রহণ করা উচিৎ এবং এগুলো গ্রহণের মন মানসিকতাও আমাদের মধ্যে গড়ে উঠা উচিৎ। যদি সেটা করতে আমরা ব্যর্থ হই, তবে বাংলা ব্লগিং একদিন হয়তো হারিয়ে যাবে কিংবা সাহিত্য চর্চার মাধ্যম হিসাবে আর পরিগণিত হবে না, যা আমাদের জন্য সুখকরও হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

    আপনি নিজেই যথেষ্ট সুন্দর করে এবং গুছিয়ে লিখেছেন, সেখানে সংযোজন খুব একটা জরুরী নয়। পাশাপাশি সুমন ভাইও চমৎকার একটা মন্তব্য দিয়ে আপনার পোস্টকে ইতিমধ্যেই বেশ বিস্তৃত করে দিয়েছেন। যা অনুধাবন এবং প্রয়োগ করতে পারলেই আপনার পোস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটা পূরণ হয়ে যাবে।
    আপনি নিজেই আমার পোস্টের মন্তব্যে বলেছিলেন, আজকাল প্রমাণ ছাড়া কেউ কিছু মেনে নিতে চায় না। তাই কিছুটা প্রমাণ দেয়ার চেষ্টা করছি কেবল।
    আপনি বলেছেন, “ভুল ধরা এক বিষয়, আর নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করা ভিন্ন বিষয়।” সুমন ভাই একই কথাকে একটু ভিন্নভাবে বলেছেন। তিনি বলেছেন, “পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব থেকে ব্লগিং করা।”
    আপনাদের দু’জনেই যথার্থ বলেছেন। যদি আমরা পাণ্ডিত্য জাহিরের চেষ্টা করি, তখন নিজেদের মধ্যে জেতার একটা প্রবণতা তৈরি হবে। যা লেখক এবং পাঠকের জন্য কখনই সুখকর হবে না। বরং পরস্পর দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে, যা পরস্পরের সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। এটা কখনোই আমাদের কাম্য না। আলোচনা হওয়া উচিৎ পরস্পরের উন্নতির জন্য, বিজয়ের জন্য নয়। এই প্রসঙ্গে ফরাসী লেখক Joseph Joubert এর একটা উক্তি উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি বলেছেন, “The aim of argument, or of discussion, should not be victory, but progress.”
    আলোচনার মাধ্যমে আমাদের মধ্যে পারস্পারিক জ্ঞানের বিনিময় হয়, আর বিতর্কে হয় অজ্ঞতা বিনিময়। এই জন্যই অ্যামেরিকান সাংবাদিক Robert Quillen বলেছেন, “Discussion is an exchange of knowledge; an argument an exchange of ignorance.”
    আলোচনা যেমন সাহিত্যের ক্ষেত্রে কিংবা অন্য যেকোনো ব্যাপারেই অগ্রগতিতে ভুমিকা রাখে, সমালোচনাও ঠিক তাই করে। কখনো কখনো সমালোচনা বড় কোন ভুলের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। সমূহ বিপদের আগেই আমাদের সতর্ক করে দেয়। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Winston Churchill তাই যথার্থই বলেছেন, “Criticism may not be agreeable, but it is necessary. It fulfils the same function as pain in the human body. It calls attention to an unhealthy state of things.”
    অ্যামেরিকান পাদ্রি Norman Vincent Peale যা বলেছেন, সেটা সমালোচনাকে গ্রহণ করার মানসিকতাকে নিঃসন্দেহে আরও বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেছেন, “The trouble with most of us is that we would rather be ruined by praise than saved by criticism.”
    তবে যারা আমরা কোন মতেই সমালোচনাকে সহ্য করতে রাজি নই, তাদের জন্য অ্যামেরিকান লেখক Elbert Hubbard খুব সুন্দর উপায় বাৎলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “To avoid criticism, do nothing, say nothing, and be nothing.”
    আর কী অনেক হয়ে গেলো বোধ হয়! দুঃখিত। আপনার পোস্ট এবং সুমন ভাইয়ের মন্তব্য দুইয়ে মিলে যা আছে, যা আমাদের বুঝার জন্য এবং অনুধাবনের জন্য যথেষ্ট। দায়িত্বটা এখন আমাদের ওপর। আমরা কীভাবে আপনার পোস্ট এবং সুমন ভাইয়ের মন্তব্যটা গ্রহণ করছি এবং কীভাবে এটা নিজেদের মধ্যে প্রয়োগ করছি।
    অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাই। আপনার পোস্ট আমাদের সবার চোখ খুলে দিক। তবে হয়তো ব্লগিংটা সবার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠবে, যা আমাদের বাংলা সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বহুদূর। ব্লগিং তখন অমরত্ব পেয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      //আলোচনা হলো জ্ঞানের বিনিময়, বিবাদ হলো অজ্ঞানতার বিনিময়//
      -হাহাহা! দারুণ উদ্ধৃতি।

      //বাংলা ব্লগিং এখন বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার সাথে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলছে। যার প্রমাণ হিসাবে বই মেলায় ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকাই যথেষ্ট, যেখানে ব্লগগুলো সরাসরিও অংশগ্রহণ করছে। তাই ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের ওপর আলোচনা ও সমালোচনা সবই হওয়া উচিৎ এবং এগুলো সবাইকে ইতিবাচক হিসাবেই গ্রহণ করা উচিৎ এবং এগুলো গ্রহণের মন মানসিকতাও আমাদের মধ্যে গড়ে উঠা উচিৎ।//
      -চমৎকার সংযুক্তি!

      বিশাল বড় মন্তব্যটি যেন ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য প্রদানে সকলকে প্রেরণা দেয়।

      আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য সবসময় আমাকে উৎসাহ যোগায়, ঘাসফুল।
      ভালো থাকবেন……….

  • কে এম রাকিব বলেছেন:

    সমালোচনা হবে সাহিত্য সমালোচনা এবং যুক্তি ও মননশীলতার সুসমন্বয়।
    সুন্দর আলোচনা করেছেন। প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়েছেন।

    সমালোচককে আমি আমার প্রকৃত বন্ধু মনে করি। কারণ আমি তো জানি যা লিখি কিছু হয় না। কিন্তু কিছু সমালোচক ব্লগারের কাছ থেকে যা আমি শিখতে পেরেছি( যদিও আমার ব্লগিং লাইফ অল্পদিনের) তাকে অমূল্য মনে করি।

    ## পোস্টটিকে স্টিকি করতে সঞ্চালককে অনুরোধ করছি।

    শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জানুন মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাই।

  • সোহেল আহমেদ বলেছেন:

    তারপরও পাবলিক ব্লগ হিসেবে যদি ভুল ধরতেই হয়, সেখানে যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু থাকে। যিনি একটু বেশি জানেন, তাকে এ-ও প্রমাণ করতে হবে যে, তার জ্ঞান তাকে বিনয়ী করতে পেরেছে। প্রকৃত জ্ঞানের মানে যেহেতু ‘নিজের অজ্ঞনতার পরিমাপ’ সেহেতু জ্ঞানের প্রথম বহিঃপ্রকাশ হলো বিনয়ে।
    =============================
    পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু খুব জরুরী। অনেকসময় ভুলটা একটু কৌশলে ঠিক করে দেয়া যায় । ভুল শব্দটার শুদ্ধ ব্যবহার করে একটা মন্তব্য করা বা অন্য ভাবেও করা যেতে পারে। আজকের দিনে, শিক্ষকগণও বন্ধুর মতো।

    অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই

  • এম এ কাশেম বলেছেন:

    সহমত মাইনুল ভাই

    শুভেচ্ছা নেবেন।

  • হামিদ বলেছেন:

    আপনার সুচিন্তিত পোস্টে অকৃত্রিম সহমত ………………..

    ভুল যে ধরল তার এটিচিউড একটি বড় ফ্যাক্টর। এক জায়গায় আমি অনেক চেষ্টা করেও কীবোর্ডের সমস্যার কারণে রেফ দিতে পারছিলাম না। এখন একজন যদি আমাকে বলে:

    কী লেখেন এসব। আগে ভাষা শিখে তারপর লেখেন – তাকে আমি কষে গালি দিবই দিব।

    আমি ছাত্র জীবনে একটা প্রকাশনায় কাজ করতাম। যত বড় লেখকই হোক না কেন পান্ডুলিপিতে অসংখ্য বানান ভুল থাকবেই। এমন না যে লেখক বানান জানেন না। পান্ডুলিপি লেখার সময় বানানের লেখার ভাবের দিকে মন বেশি নিবদ্ধ থাকে। ব্লগ এখনকার ব্লগ লেখাটা পান্ডুলিপির জায়গায় ধরতে হবে। এখানে বানান ভুল ধরার কছিু নাই। যখন দরকার হবে ঠিক করে নয়ো যাবে। বানান সম্পর্কে কেউ অসচেতন নয় বা এটা এমন বিদ্যা নয় যে কেবল পন্ডিতগণ পারবেন। বরং পন্ডিতদের বানান ঠিক করার জন্য প্রেসে প্রূফরিডার রাখতে হয় যারা একটি ছোট্ট রচনা লেখারও যোগ্য নয়।

    সবচেয়ে বড় কথা আমি বাজি ধরে বলতে পারি যারা অন্যের বানান ভুল ধরে খুব ভাব নেয় তাদেরকে ইন্সট্যান্ট একটা পেজ অভিধান না দেখে লেখতে দেন দেখবেন বানান ভুলে তারাও এভারেজদের কাতারে।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      //ভুল যে ধরল তার এটিচিউড একটি বড় ফ্যাক্টর।//

      হুম। এর অনুপস্থিতি দেখে মাঝে মাঝে নিজেই লজ্জা পাই।

      অভিধান কীভাবে লেখককে অচল করে দেয় দেখুন: একজন বাঙলার প্রফেসরকে আমি দেখেছি একটি বাক্য লেখতে অন্তত তিনবার অভিধান বের করতে।

      শুভেচ্ছা জানবেন, হামিদ ভাই।

  • হামিদ বলেছেন:

    এ পোস্টটি স্টিকি করলে ভাল হয় ।

  • তাপসকিরণ রায় বলেছেন:

    বেশী না লিখে আমি শুধু ঘাস ফুলের মন্তব্যের সামান্য অংশ তুলে দিলামঃ
    আপনি(লেখক)নিজেই যথেষ্ট সুন্দর করে এবং গুছিয়ে লিখেছেন, সেখানে সংযোজন খুব একটা জরুরী নয়। পাশাপাশি সুমন ভাইও চমৎকার একটা মন্তব্য দিয়ে আপনার পোস্টকে ইতিমধ্যেই বেশ বিস্তৃত করে দিয়েছেন। যা অনুধাবন এবং প্রয়োগ করতে পারলেই আপনার পোস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটা পূরণ হয়ে যাবে।
    ধন্যবাদ।

  • আমির হোসেন বলেছেন:

    পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব নিয়ে ভুল ধরিয়ে দিতে পারেন। সেটা বানান হোক বা বাক্য হোক। অনেক সময় টাইপ মিসিং হয়। পাঠক যদি বিনয়ের সাথে সেই ভুলটা ধরিয়ে দেয় তাহলে লেখক বুঝতে পারবে তার কি ধরনের ভুল হয়েছে। টাইপ মিসিং নাকি সঠিক বানান না জানার ভুল। অনেকে আছে নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করার জন্য সবার লেখাতেই বানান ভুল ধরে থাকেন। যে বানানটাকে সারা জীবন যিনি শুদ্ধ জেনে আসছেন সে বানানটাকে তিনি ভুল বলছেন। এটা মোটেও উচিত নয়।

  • প্রহেলিকা বলেছেন:

    চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন, আপনি বলেছেন “দেখা যাবে যে, ‘পরিমিত ভাষাজ্ঞান’ অর্জনের সময়ই লেখকের হয় নি, অথবা পেশাগত কারণে সেদিকে বেশিদূর হাঁটতে পারেন নি। কিন্তু আমি একটি তুচ্ছ ভুল ধরে, তার লেখার স্পৃহাকে নষ্ট করে দিলাম অথবা আত্মবিশ্বাসকে বেলুনের মতো ফুটো করে দিলাম।”

    আপনার এই কথা বলার পর আর কোন কিছুই বলার থাকে না কারণ আপনি শেকড় পর্যন্ত পৌঁছে গেছেন। সম্পূর্ণ সহমত আপনার সাথে। পারষ্পারিক সহযোগিতার আবডালে একটি লেখকের (হোক সে আনাড়ি) স্পৃহা যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেই দিকে নজর রাখাটা অনেক প্রয়োজন। অনেক সময় টাইপিং জাতীয় একটি ভুলের জন্য অনেকে কটুবাক্য ছুড়ে দেন যা ঠিক না। কিছুদিন পূর্বে এক ব্লগারের একটি লেখায় কিছু বানান ভুলের কারণে এক বিশিষ্ট পণ্ডিত মন্তব্য করলেন যে, “আপনার ভুল বানান দেখে আমি অনেক বিরক্ত হয়েছি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত।” সেদিন থেকে সেই সদ্য কলম ধরা লেখকের লেখা আর পোষ্ট হয়নি কোন ব্লগেই। ফেবুতে ব্যক্তিগতভাবে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে উত্তর দিলো, ” ভাই আমার পিসি নেই মোবাইল থেকেই পোষ্ট লিখি ব্লগে পোষ্ট করি, তাই অনেক জানা বানানও ভুল হয়। নিজের কাছেই লজ্জা লাগে।” লক্ষ্য করলে দেখবেন মোবাইল থেকে “দূর” আর “দুর” এই দুটোর মাঝে পার্থক্য জুম করে না দেখলে খুঁজে পাওয়া যায় না। কোন পণ্ডিতের একটি কটুমন্তব্য একজন উঠতি লেখকের জন্য বিপদজনক মনে হয়।

    হ্যা আমার নিজেরও অনেক অনেক বানান ভুল হয় তাই বলে যদি কটুকথা শুনতে হয় তাহলে আমার এসবের দরকার নেই। তবে এটি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে যে একজন লেখক কখনোই ইচ্ছেকৃতভাবে বানানভুল করে না।

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় পোষ্টির জন্য। অনেক ভালো থাকুন।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      কটুকথা ছাড়া অনেকে জানেনও না! এ হলো আমাদের দৈন্যতা।

      আপনার দৃষ্টান্তগুলো পড়লাম।

      ব্লগে নবীন লেখক বেশি। তাই মন্তব্য করা উচিত দায়িত্বের সাথে।

      আমারও বানান ভুল হয়। এলেখায়ও বেশি কিছু ভুল হয়তো পাবেন।

      প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্ত দিয়ে আলোচনায় যুক্ত হবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, প্রহেলিকা:)

      শুভেচ্ছা জানবেন!

  • হামিদ বলেছেন:

    ১. বানান ভুল ধরার কিছু নাই। এটা যখন প্রয়োজন হবে লেখক নিজেই সময় করে দেখে ঠিক করে নিতে পারবেন।

    ২. বিতর্কিত বানানের ক্ষেত্রে নিজের মতটা চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করা একটা সভ্যতা বিবর্জিত কাজ।

    ৩. হ্যাঁ, যাদের সাথে ব্যাক্তিগত ভাল সম্পর্ক্ আছে তাদের বানানাট ঠিক করে দেয়াই যায়।

  • নীলসাধু বলেছেন:

    শুভেচ্ছা সুপ্রিয় ভ্রাতা!

    পোষ্টটি নিঃসন্দেহে মূল্যবান। ওজনদার অনেক কথা আছে পোষ্টে।
    সহ ব্লগারদের চমৎকার অংশগ্রহণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য আরও বেশী মূল্যবান।
    একটি পোষ্ট সবাই আগ্রহ নিয়ে পড়লে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্তব্য আদান প্রদান করলে সেই পোষ্টটি সত্যিকার অর্থে সফল এবং স্বার্থক হয়ে উঠে- এই পোষ্টটি তার প্রমাণ।
    ব্লগিং তখন শুধু নিছক ব্লগিং থাকে না হয়ে উঠে তার চেয়ে কিছুটা বেশী।

    শুভেচ্ছা নিরন্তর জানবেন।
    পোষ্ট
    মন্তব্যে ভুল ধরা বা
    কিভাবে কি করা যায়
    কি করলে ভালো হবে সে সব আলাপে গেলাম না।
    আমি এসব এড়িয়ে চলি ভ্রাতা!;);)

  • একজন প্রকৃত লেখকের কাজ নিজের লেখালেখি করা। অন্যের খুঁত খোঁজা নয়।
    চলমান সময়ের অনেকেই বানান বিষয়ে অর্ধজ্ঞাত- না হয় অজ্ঞ। এরা অভিধান দেখেন
    না। দৌড়ের উপ্রে কবি লেখক বনে যেতে চান। তাই তাদের লেখা নিয়ে মন্তব‌্য করাও
    কঠিন কাজ। এদের অনেকেই পড়াশোনা করেন না। কবিতার,সাহিত্যের,গদ্যের বিবর্তন
    কীভাবে হচ্ছে- তা তারা জানেন না, জানতে চান না।
    এই অবস্থায়, কেউ টিউটোরিয়াল খুলে কি কাউকে শিখাতে পারবেন ? না পারবেন না ।
    যদি নিজে কেউ অধ্যবসায়ী না হয়, অন্য কেউ কাউকে কিছু গিলাতে পারবে না।
    শুভেচ্ছা সবাইকে।

  • আরজু মুন জারিন বলেছেন:

    অসাধারন পোষ্ট।আপনি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট করেন।আপনি নিখূত বানান,শব্দের প্রয়োগে দক্ষ।আপনি ভূল ধরে দিলে বা শুদ্ধ করিয়ে দিলে কেও কিছু মনে করবেনা মইনুল ভাই।আমরা আপনার আন্তরিকতা টুকু বুঝতে পারি।

    আমার লেখা দিয়ে শুরু করুন।আমার বানানে সবাই ভূল ধরে।আপনি এখন ও ধরেন নি।আমার একটা প্রবলেম হচ্ছে ইদানীং বানানে।বানান ভূলে যাচ্ছি মনে হয়।লজ্জা!!

    চমৎকার পোষ্টটিতে কোটি কোটি লাইক।

    শুভেচ্ছা রইল।ভাল থাকবেন।

  • এই মেঘ এই রোদ্দুর বলেছেন:

    ১০২ বার ভুল ধরবেন ভুল না ধরলে শিখুম ক্যামনে।

    অসাধারণ পোষ্ট অনেক ভাল লাগা

  • আমার ভুল কেউ ধরলে আমি খুশি হই বা হবো। শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      ভাইজান…. ধরার মতো ভুল ক’জনের হয়?
      তাছাড়া, সেরকমের ভুল বুঝতেও কিছু তাকত লাগে, যেটা আমার মতো অনেকেরই নাই।

      কিন্তু ‘ভুল’ বিষয়ে আপনার উদারতায় আমি আনন্দিত….
      মালেক জমাদ্দার ভাইকে অনেক ধন্যবাদ!

  • লিনা জামবিল বলেছেন:

    আমরা যারা লিখি পড়ি আর মন্তব্য করি আমাদের মানসিকতা এমন হওয়া উচিত যে আমার ভুল যত ধরিয়ে দিবে তত আমি ভুল আর করবোনা ভবিষ্যতে। সচেতনের মাত্র বেড়ে যাবে তবে এখানে যে ইস্যুগুলো তুলে ধরা হয়েছে সেটা খুবই জরুরী ইস্যু — অনেক তথ্যবহুল আর শেখারও –অনেক অনেক শুভেচ্ছা

  • রুদ্র আমিন বলেছেন:

    অন্যের কথা বলতে পারি না, অনেকে এটা সহজে গ্রহণ করে না কিন্তু আমি মূর্খ মানুষ আমি শিখতে চাই। আমি নিজের কথা বলতে পারি শুধুই। আমার লেখা ভুল থাকলে সেগুলো ধরিয়ে দিলে আমি উপকৃত হবো ভাই। আমি শিখতে চাই।
    অতীতের ভুলগুলো আজ শুধুই তাড়া করে
    সময় আর নেই,
    অতীত তাই বর্তমানকে ধিক্কার জানায় আপন মনে
    আরও আপনাকে হারাই।

  • মাহমুদ০০৭ বলেছেন:

    সবকিছু ডেল কার্নেগী স্টাইলে হ্যান্ডল করতে হবে;)
    পোস্টের সাথে একমত ।
    ভাল থাকবেন প্রিয় মাইনুল ভাই:)

  • কামরুন্নাহার বলেছেন:

    আপনার মূল্যবান এই লেখাটির প্রতিটি চরণই উদ্ধৃত করার দাবি রাখে। ///ভুল ধরবো
    নাকি ধরবো না?/// আপনার এই প্রশ্নের পরে, দয়া কর আপনি আবারো প্রশ্ন রাখুন,” সংশোধিত ভুল গ্রহনের মানষিকতা আছে কি নেই?”

    নীল সাধু ভাই-এর কল্যাণে গত দু’বছরে “প্রিয় চিঠি আয়োজনের”- মাধ্যমে অনেক শিক্ষা হয়েছে আমার। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্লগার/লেখকের সাধারন একটি ভুল সংশোধন করেছিলাম। তাও করতাম না, যদি না তিনি সে ভুল আবারো না করতেন। একটি শব্দ তিনি তিন/চার বার ব্যবহার করেছিলেন, যার প্রতিটাই ভুল ছিল। বার্তার মাধ্যমে তাঁকে আমি জানিয়েছিলাম এবং তাও প্রতিষ্ঠিত আরেক লেখকের উক্তি দিয়ে। তার জবাবে তিনি মূল পোষ্টেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

    তাই ভুল শংশোধন আর আমাকে দিয়ে হবে না (আমার থলিতেই ভুলের বেড়ালের অবাধ বিচরন)।

========================================================

লেখাটি ঘুড়ি ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানা্ন্তরিত।

========================================================

পেয়েছিলাম প্রেমের স্বাদ – লিখে দিলাম বিচ্ছেদের রাগ!

    অক্টোবর ২৯, ২০১৪   ৭:৪৩ অপরাহ্ন   ৬১টি মন্তব্য

5450ee711ec60

বেহেস্ত হতে ‘ওহির’ মতো প্রাপ্ত মহামূল্যবান ভাবনাগুলোকে যখন ভাষায় রূপ দিতে যাই, ঠিক তখনই এসে হানা দেয় কয়েকটি পরিচিত শত্রু। এদেরকে এতো কাল বন্ধুই ভেবে এসেছিলাম। তাদের মধ্যে একনম্বর হলো ভাষার সৌন্দর্য্য; তারপর ছন্দ বা শব্দের তাল; তারপর আছে রূপক আর উপমা ব্যবহারের প্রচলিত প্রথা। ছন্দ মিলাতে গিয়ে ভুলে যাই কী ভেবেছিলাম। ভাষার সৌন্দর্য্য নির্ধারণ করতে গিয়ে ভাবনার ‘খেই’ হারিয়ে ফেলি। শেষে দেখি ‘ভাষা’ আমাকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। কী ভেবেছিলাম কী পেয়েছিলাম, তার কিছুই খেয়াল থাকে না। লেখতে গিয়েছিলাম ছড়া, হয়ে গেলো গদ্য; অথবা লেখতে গিয়েছিলাম বিষাদের গল্প, হয়ে গেলো অট্টহাসির রম্য রচনা। পেয়েছিলাম প্রেমের স্বাদ, লিখে দিলাম বিচ্ছেদের রাগ।

ভাষাগত আগ্রাসনে পড়ে সবচেয়ে করুণ পরিণতিটি হলো, লেখাটি আদৌ শেষ না হওয়া। ভাষাগত শুদ্ধতার আকাঙ্ক্ষায় অথবা, পরবর্তিতে আরও ভালো লেখার আশায় কোন লেখক হয়তো কোন একটি ‘নোবেলবিজয়ী’ লেখাকে চিরতরে স্থগিত করে দেন। ভাবনারা শুকপাখির মতো ওড়ে যায়, আর না ফেরার জন্য। এভাবে যে কত সহস্র লেখকের মৃত্যু হয়েছে কে জানে!

পরাজয় মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু শত্রুকে চিনতে না পারার ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়া যায় না। লেখার শুরুতেই ভাষাগত সৌন্দর্য, ব্যকরণগত শুদ্ধতা আর রূপক-উপমার দৌরাত্ম্য আমার কোমলমতি ভাবনাকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলে। অথচ আমি সেটাকে ভালো বলেই মেনে নেই, কারণ আমি চাই লেখাটি যেন শুদ্ধ হয়। মেষের চামড়া পরে ‘ভাষা’ এসে নেকড়ের মতো তাড়িয়ে দেয় আমার অমূল্য অনুভূতিগুলো। ভাবনাকে কাগজাশ্রয়ে নেবার জন্য স্বতস্ফূর্তভাবে প্রাপ্ত শব্দগুলোকে আমি বিশ্বাস না করে খুঁজতে থাকি শেকসপিয়ার- কিংবা রবীন্দ্র-উপমা। লেখকের মৃত্যু হয় বন্ধুবেশি অজানা শত্রুর আক্রমণে।

হায় ভাষা! তুমি কি প্রুফরিডারের উপাসনায় সন্তুষ্ট হতে পারো না? মহামান্য প্রুফরিডাররা, যেদিন আমার মহাকাব্যটি হাতে নেবেন, তখন তো তোমাকে যথার্থ অর্ঘ্য দেবেনই। তবে কেন তুমি আমার ভাবনায় এসে হানা দাও? ছন্দ। ছন্দ কি থাকতেই হবে? ভাষাগত শুদ্ধতা? তা কি শুরুতেই থাকতে হবে? রূপক উপমা সিমিলি মেটাফর। এগুলো কি শুরুতেই থাকতে হবে? প্রথমে ভাবনার প্রতিফলনটুকু কাগজে আশ্রয় নিতে দিলে না। তোমাকে তোমার উপযুক্ত পূজা পরে আরও ভালোমতো দেওয়া যেতো। কিন্তু তা তো তুমি বুঝলে না! লেখাই যদি না হলো, তবে হে রূপময় ভাষা, তোমায় আমি কোথায় রাখবো?

.
—————–
ফটো সোর্স: internet.philipmartin.info

———————————————————————————–

লেখাটি ঘুড়ি ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তরিত

———————————————————————————–

https://d19tqk5t6qcjac.cloudfront.net/i/412.html