এ দুই রকমের ম্যানেজার থেকে সাবধান থাকুন…

banner7-crop

প্রজেক্ট ম্যানেজার থেকে ড্রিম ম্যানেজার, পর্ব ৭। প্রকল্প ব্যবস্থাপককে সফল হতে হলে শুধু ভালো পরিকল্পনা আর পরিশ্রম করলেই চলবে না, প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের সাথে মানানসই হতে হয়। তাকে জানতে হয় প্রতিষ্ঠানের স্বভাব সংস্কৃতি ও আন্ত:বিভাগীয় যোগাযোগ। জানতে হয় বিষক্রিয়াশীল জৈষ্ঠ্য ব্যবস্থাপকদের ক্ষতিকারক প্রবণতা, যা প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এসব জানতে হয় শেখার জন্য নয়, কিন্তু নিজেকে ও প্রকল্পকে রক্ষা করার জন্য। ভয়ানক কিছু ব্যবস্থাপক বা পরিচালক আছেন, যারা মিড-লেভেল ম্যানেজারদের মনে প্রভাব ফেলে ‘মন্দকে ভালো’ বলে প্রতিষ্ঠিত করেন। তারা উচ্চ পর্যায়ে কিছুই করতে পারেন না বা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, কিন্তু নিম্নপর্যায়ের কর্মীদের অন্দরমহল পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চান। অধীনস্ত কর্মীর জন্য একটাকা বেতন বাড়াতে পারেন না, কিন্তু পান থেকে চুন কষলে শো’কজ লেটার দিয়ে জীবন নরক করে তোলেন। কাজ শেখাবার বেলায় কিছুই করতে পারেন না, কিন্তু কাজে ভুল হলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন অধীনস্ত কর্মীর ওপরে। এসব হিপোক্রিটদের দৌড় বেশি দূর যায় না! এপর্বে আলোচনা করবো ওসব বিষক্রিয়াশীল কর্মকর্তাদের স্বভাব ও প্রভাব নিয়ে। উভয়পক্ষই সচেতন থেকে যেন নিজেদেরকে উৎপাদনমুখী আচরণে উন্নয়ন করতে পারেন, এ উদ্দেশ্যেই লেখাটি।

প্রতিষ্ঠানের জৈষ্ট্য ব্যবস্থাপকরা অভিজ্ঞ; তারা সিনিয়র এবং তারা জানেন অনেক বেশি। প্রতিষ্ঠানের সব পর্যায়ের কর্মীর সাথে তাদের যোগাযোগ থাকে। একারণে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বা গ্রহণযোগ্যতাও বেশি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা-বিধির অপপ্রয়োগ করে অথবা ঊর্ধ্বতর কর্তৃপক্ষের অজ্ঞতা/শৈথিল্য/অযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীল পরিবেশকে খারাপ করে তোলেন। শুরু হয় আন্ত:বিভাগীয় ক্ষমতার রাজনীতি, যা ‘খালি চোখে’ দেখা যায় না, কিন্তু নিরবে কর্মীদের মনে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিকে ব্যহত করে।

একই ভাবে এবং একই উদ্দেশ্যে, মাঝারি পর্যায়ের ম্যানেজাররাও একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারেন তাদের প্রকল্প কার্যালয়ে। দলাদলি, তোষামোদি, স্বজনপ্রীতি এবং হিংসাহিংসি যখন প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতিতে গেঁথে যায়, সেটি সকলকে প্রভাবিত করে। এখানে অপেক্ষাকৃত ভালো যারা, তারা হয় পরিবর্তিত হয়, অথবা সকলের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়, নয় তো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে পালায়।

 

toxic_managers

আজ দু’প্রকার ম্যানেজার নিয়ে আলোচনা করা যাক:

১) দ্য ফ্রেন্ডলি ডেন্জারাস বস্: অসম্ভব বন্ধুত্ব দিয়ে তিনি কর্মীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেন

এধরণের ম্যানেজারদের সম্পর্কে ফোর্বস ডট কমের নিয়মিত লেখক ট্রাভিস ব্র্যাডবেরি বলেছেন, “এরা অসম্ভব রকমের বন্ধুত্বের ভাণ করেন, যা মজার নয় গঠনমূলকও নয়। কাজের সময় নষ্ট করে অফিস আড্ডায় মেতে ওঠেন এবং নিজের প্রভাব খাটিয়ে সবাইকে আটকে রাখেন। তিনি তার প্রিয়ভাজনদেরকে বিভিন্ন কাজে বেছে নেন এবং কর্মীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেন। তিনি প্রয়োজনের সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।” অন্যের দুর্বলতা নিয়ে দুর্বোধ্য ভাষায় মজা করা, অথবা প্রতিপক্ষের কোন ঘটনা নিয়ে খুশখুশ হাসিতে মেতে ওঠা অথবা অসংখ্যবার বলা হয়েছে এমন কিছু কৌতুক বলা, এসব কখনও কর্মীকে গড়ে তুলতে পারে না।

এধরণের অসম বন্ধুত্ব কখনও ভালো ফল দেয় না। চায়ের টেবিলের আড্ডা দিয়ে এসব ম্যানেজার বুঝাতে চান যে, তার সাথে সময় কাটালে সেটি সময়ের অপচয় নয়, কারণ তিনিই তো সব নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনিই প্রতিষ্ঠানের সব এবং কর্মীর বিপদের কাণ্ডারি, এরকম কিছু মিথ্যা প্রত্যাশার সৃষ্টি করেন কর্মীর মনে। ম্যানেজার যা করেন, যা বলেন, কর্মী সবই গলাধকরণ করেন। একসময় নিজের কাজে মনসংযোগ না করে, কেবল খোসামোদিতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। তাতে কাজ ও সম্পর্কের মধ্যে অপেশাদারি মনোভাব সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানের গতিশীলতায় সৃষ্টি হয় ‘এক মধুর প্রতিবন্ধকতা’ যা শুরুতে বুঝতে পারা যায় না।

তারা এমন ভাণ করবেন যে, আপনার জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত। অফিসের টাকায় উদারতা দেখাবে, খাওয়াবে। সিদ্ধান্ত অথবা দিকনির্দেশনা দেবার ক্ষেত্রে তারা প্রধানত দুর্বল, কারণ মৌলিক জ্ঞানের ঘাটতিই এসব ম্যানেজারদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। কিন্তু তারা সেটি আপনাকে বুঝতে দেবেন না, কারণ ‘আপনি যা করেন, সেটিই উত্তম হবে বলে তার বিশ্বাস’। এর পরিণতি খুবই খারাপ। কাজের ফল যদি ভালো হয়, তবে ম্যানেজার তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একাই কৃতীত্ব নেবেন। যদি ফলাফল খারাপ হয়, তবুও তার কোন দায় নেই; এবং আপনিও তাকে দায় দিতে পারবেন না। তিনিও তার বসকে বলবেন যে, এটি আপনিই একা করেছেন, তার সুযোগ হয়নি চেক করে দেখার। সবাই এসব মারপেঁচ বুঝে না, বরং ‘কাজের স্বাধীনতার জন্য’ মনে মনে ওই ম্যানেজারের প্রতি কৃতজ্ঞ হয়।

কমপ্লেক্স ম্যাট্রিক্স-এর প্রতিষ্ঠানে, যেখানে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, ক্রয়, প্রশাসন ইত্যাদি বিষয়ের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ রয়েছে, এধরণের দলীয়পনা খুবই ক্ষতিকারক। কারণ এসবের উদ্দেশ্য হলো, ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে কর্মীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার করা।

এখানে আশঙ্কার বিষয়টি হলো প্রতিষ্ঠানের নতুন কর্মীদের নিয়ে, যারা প্রতিষ্ঠানের কালচারের সাথে পরিচিত হন নি অথবা এধরণের জৈষ্ঠ্য কর্মকর্তাদের মতিগতি সম্পর্কে অবগত নন। তারা এধরণের ম্যানেজারদের দেবতা-জ্ঞান করেন এবং নিজের মনের সব কথা বলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

 

এদের থেকে বাঁচার উপায়?

  • এবিষয়ে ট্রাভিস ব্র্যাডবেরি বলেছেন, প্রথম কাজ হলো ওই ধরণের কর্মকর্তাদের সাথে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারণ। চেষ্টা করতে হবে, যেন ম্যানেজার/পরিচালক তার পজিশন দিয়ে আপনাকে আতঙ্কিত না করতে পারেন।
  • বস তো বসই, নিজে বিপদে পড়লে কখনও তিনি আপনাকে অস্বীকার করতে দ্বিধা করবেন না। অতএব নিজের দায়িত্বের প্রতি অবহেলা নয়। সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি যখন ‘না’ বলার সময় আসে তখন বিনয়ের সাথে সেটি প্রকাশ করা উচিত।
  • প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকতা কখনও ষোলআনা বন্ধু হবেন না, হতে পারেন না। বন্ধুত্ব হয় সমান্তরালে। একজন উঁচু আরেকজন অনেক নিচু অবস্থানে থাকলে সম্পর্কের খারাপ পরিণতি জুনিয়রকেই বহন করতে হয়।
  • পেশাদারিত্ব হলো সবাইকে উপযুক্তভাবে মূল্যায়ন করা। অন্যের অনুপস্থিতিতে তার সমালোচনা করা অথবা তাকে নিকে মজা করা, কোন পেশাদারিত্বের পর্যায়ে পড়ে না।
  • যত দ্রুত সম্ভব নিজের প্রতিষ্ঠানের অতীত ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে নেওয়া একটি  উত্তম দক্ষতা। জৈষ্ট্য কর্মকর্তাদের আচরণ ও মনোভাবকে বুঝার জন্য এর চেয়ে ভালো কোন পন্থা নেই।

 

 

২) দ্য মাইক্রোম্যানেজার: এরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে ‘প্রতিষ্ঠানের মুসোলিনি’ হতে চায়

নিজের পদ নিয়ে সদা সন্ত্রস্ত এসব ব্যবস্থাপক সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চান: অফিসের স্ন্যাকস আইটেম থেকে শুরু করে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সবকিছুতে তাদের অনুমতি নিতে হয়, অবগতিতে রাখতে হয়। সবাইকে মনে করেন তার প্রতিপক্ষ। ক্ষুদ্রকে ধরে রাখেন, বৃহৎ থাকে অধরা। কাজের ‘উদ্দেশ্য’ নয়, কাজের ‘প্রক্রিয়া’ নিয়ে তার মাথাব্যথা। উৎপাদন যা-ই হোক, তিনি চান ‘তার নির্দেশের সফল প্রয়োগ’।

তিনি ফল যদি না-ও চান, প্রতিবেদন থাকতে হবে পাকা। তিনি অর্জনের তথ্য চান না, তিনি চান তার প্রতিবেদন ছকের পরিপূর্ণ ব্যবহার। তারা বৃহৎ আকৃতিতে বিষয়টুকু দেখতে পারেন না, পারেন না ভবিষ্যত সম্পর্কে পরিকল্পনা করতে।

তিনি কাজকে কখনও সহজ করতে পারেন না, অথবা চান না। প্রতিবেদন ছক সৃষ্টি করা, নতুন নির্দেশ জারি করা এবং এসব করে প্রতিষ্ঠানের কর্মচঞ্চলতাকে তার দিকে ‘নিবিষ্ট রাখা’ তার দৈনন্দিন কাজ। তাতে তার স্বাক্ষর দেবার সুযোগ বেড়ে যায়, বেড়ে যায় প্রভাব খাটানোর সুযোগ।

প্রতিষ্ঠানের কাজ যা-ই হোক, এদের কাজ হলো কর্মী ব্যবস্থাপনা। সেটি নিশ্চয়ই ভালো পথে নয়, ধ্বংসাত্মক পথে। সব পর্যায়ের কর্মীকে তার ভয়ে ভীত রেখে এসব ম্যানেজার আনন্দ লাভ করেন।

মাইক্রোম্যানেজাররা কর্মীর জন্য সমান সুযোগে বিশ্বাসী নন। তারা জানেন না, অথবা জানতে চান না যে, সুযোগ আর স্বাধীনতা পেলে সবাই তার সর্বোচ্চটুকু দেবার চেষ্টা করে।

তারা ক্ষমা করতে পারেন না, কারণ সেই নৈতিক জোর নেই। কর্মীর ক্ষুদ্র বিচ্ছুতিটুকু তারা মনে ধরে রাখেন এবং প্রতিশোধপরায়ন হয়ে ওঠেন। তারা মানেন না, এটি কর্মক্ষেত্র। কর্মীর প্রতি ইতিবাচক থাকলে সে সংশোধন করে এগিয়ে যাবেই। এখানে কর্মই সবকিছু নির্ধারণ করে। কিন্তু মাইক্রোম্যানেজার চান তোষামোদ আর অন্ধ ভক্তি। কর্মী নয়, তিনি চান ভক্ত।

তারা চেইন-অভ্ কমান্ড ভাঙার ওস্তাদ, যদি সেটি হয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা সুযোগ। ছলে-বলে-কৌশলে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা তার সখ। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ, অথবা প্রতিপক্ষের প্রতিপক্ষ তৈরিতে তার জুরি নেই। সব কাজ বাদ দিয়ে, কাগজপত্র তৈরি বা ফাইলদস্তাবেজ সংরক্ষণে এসব কর্মকর্তারা দিনভর শ্রম দেন অথবা অধিনস্ত কর্মীকে চাপের ওপর রাখেন।

 

এদের থেকে বাঁচার উপায়?

  • একজন পেশাদার প্রকল্প ব্যবস্থাপকের জন্য এসব কোন সমস্যা নয় – এমনিতেই সবকিছু অনুকূলে চলে আসে। বসের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে কীভাবে নিজেরটুকু পুরোপুরি প্রয়োগ করতে হয়, পেশাদাররা সেটি জানেন।
  • মাঝারি পর্যায়ের কর্মকর্তার জন্য বলছি, ভুলেও এদের কোন কথার প্রতিবাদ করে ‘প্রকাশ্য প্রতিপক্ষ’ হতে যাবেন না; আপনার কর্মজীবনকে ধ্বংস করে দেবে। আবার পক্ষেও যাবেন না, কারণ সকলেই এদের মন্দ দিক সম্পর্কে অবগত এবং যথা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখে। আপনিও তা-ই করুন।
  • নিজেকে ভিকটিম হতে দেবেন না। পরিস্থিতি কতটুকু খারাপ হবে তা নির্ভর করে আপনি কীভাবে/কতটুকু প্রতিক্রিয়া করেন। অতএব ভাবাবেগ থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
  • মাইক্রোম্যানেজাররা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অযোগ্য/অদক্ষ হয়ে থাকে। ফলে তাদের প্রধান ভয় হলো নিজের পদ ও মর্যাদা নিয়ে – প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি নিয়ে নয়। তাই নিজের প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের আস্থা অর্জন করতে পারলে ফলাফল আপনার পক্ষে থাকবে।
  • সবাইকে খুশি করার অসম্ভব চেষ্টা থেকে দূরে থাকুন। দেখুন আপনি কিসে খুশি। নিজের মূল্য বুঝুন এবং কাজের মধ্যে সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করুন।
  • নিজের সততার জন্য কারও কাছে দুঃখিত হতে যাবেন না এবং অসম্ভব লক্ষ্যমাত্রার পেছনে দৌড়াতে যাবেন না। দেখে নিন আপনার প্রজেক্টকে প্রভাবিত করে এমন কিছু বাদ পড়ছে কিনা। বিনয় ধরে রাখুন, কিন্তু ‘না’ বলতে শিখুন।

 

 

প্রজেক্ট মানে হলো একটি মিশন, যারা বাস্তবায়নের জন্য শ্রম, মূলধন ও যন্ত্রপাতির সুব্যবস্থাপনা করতে হয়। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রকল্পের পক্ষ/বিপক্ষকে সনাক্ত করতে পারা। প্রকল্পের অগ্রগতিতে কার প্রভাব ইতিবাচক বা নেতিবাচক, এটি জানতে পারলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পঞ্চাশ শতাংশ সহজ হয়ে যায়। তাই অন্য যেকোন কাজের চেয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় বেশি দায়িত্বশীলতার প্রয়োজন হয়।

বিষক্রিয়াশীল ম্যানেজারদের নিয়ে আরও দু’একটি পর্ব লেখার ইচ্ছে আছে।

 

 


পূর্বের পর্বগুলো:

▶ পর্ব ৬: ১৩ উপায়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপনাকে রাখুন হাতের মুঠোয়!

▶ পর্ব ৫:  প্রকল্প ব্যবস্থাপনা: পেশাদারিত্ব কার দায়?

▶ পর্ব ৪:  প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ৫টি প্রক্রিয়া: পেশাদারিত্বের শুরু

▶ পর্ব ৩:  ৯টি তত্ত্বে প্রকল্পের সংজ্ঞা এবং সহজ কিছু দৃষ্টান্ত

▶ পর্ব ২:  যে ৫টি কারণে দৈনন্দিন জীবনে প্রকল্প আমাদেরকে উপকৃত করে

▶ পর্ব ১:  প্রকল্প ম্যানেজার থেকে স্বপ্ন ব্যবস্থাপক: কেন এবং কীভাবে

Advertisements

2 comments

  1. পিংব্যাকঃ প্রজেক্ট ম্যানেজার: পেশাদারিত্বের ৭টি বিষয় | আওয়াজ দিয়ে যাই…
  2. পিংব্যাকঃ ম্যানেজার হিসেবে আপনি কতটুকু দক্ষ? | আওয়াজ দিয়ে যাই…

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s