ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মূল স্রোতে কি মিশতে পারছেন অনলাইন লেখকরা?

Capture

 

নক্ষত্র ব্লগঃ শুভেচ্ছা আপনার জন্য! কেমন আছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ধন্যবাদ। ভালো আছি ঈশ্বরের কৃপায়।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ, ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে সম সাময়িক লেখালেখি নিয়ে আপনার কি মতামত ?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: একটা সময় ছিলো যখন কোন সৃজনশীল লেখা প্রকাশিত হবে কিনা, তা সম্পাদকের মেজাজের ওপর নির্ভর করতো। জীবন-সায়াহ্নে এসে নিজ লেখার মর্যাদা পেয়েছেন অথবা মৃত্যুর পর তার লেখা প্রকাশিত হয়ে মরনোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন, আমাদের সমাজে এমন দৃষ্টান্তও আছে। কিন্তু এখন আমরা আছি অবাধ মত-প্রকাশের যুগে। মতপ্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালি এবং লেখক-বান্ধব মাধ্যম হলো ব্লগ বা ব্লগিং, সাম্প্রতিক কালে যার সংজ্ঞা ও ব্যবহার বিশালভাবে বিস্তৃত হয়েছে। তবে সবকিছুরই ভালো-মন্দ দিক আছে। মুক্তবাণিজ্যে যেমন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায় এবং মানসম্পন্ন পণ্যই টিকে থাকে, তেমনি মুক্ত-প্রকাশের এ সময়ে ভালো এবং মান-সম্পন্ন লেখাই টিকে থাকবে আর সফল হবে। সারভাইভাল অভ দ্য ফিটেস্ট!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ বর্তমানে ব্লগ, ফেসবুকসহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের মাঝে কাদের লেখা আপনার কাছে ভালো লাগে?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকের লেখাই ভালো লাগে। যাদের লেখা ভালো লাগে, তাদের ব্লগীয় আচরণ খুবই নেতিবাচক। ফলে তারা পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছেন না। তাদের লেখার প্রতি সম্মান হেতু নামগুলো উল্লেখ করতে চাই না। এখানে প্রবাসীদের সংখ্যাটি উল্লেখ করার মতো। মাঝে মাঝে মনে হয় যারা প্রবাসে থাকেন, গণতন্ত্র স্বদেশ ঐতিহ্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে আঙ্গুল চালনায় তাদেরই সাহস বেশি। এর পেছনেও কারণ থাকতে পারে!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের সমাজের প্রতি কতটুকু দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করেন? তারা কি তা পালন করছে বলে মনে করেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: তাদের দায়বদ্ধতা নানা কারণেই বেশি। আমার মতে, তারা তা অনেকটাই পালন করছেন। এধারা বজায় রাখতে একটি সুস্থ ব্লগসাইটের খুবই প্রয়োজন আজ। এবিষয়ে অনেক কিছুই বলার আছে, যা এখানে বলে শেষ করা যাবে না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সাম্প্রতিক সময়ের লেখক/ব্লগারদের মাঝে কাদেরকে আপনি প্রতিশ্রুতিশীল বলে ভাবছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ২০০৫, ২০০৬ বা ২০০৭ এর পোস্টগুলো দেখে আমি অনেক চমৎকৃত হই। পোস্টগুলো কালের সাক্ষী হয়ে যুগ-যুগান্তরে ভেসে ওঠবে কমমিউটারের পর্দায়। আমাদেরকে মনে রাখা প্রয়োজন যে, ব্লগাররা নিজের সময় ও অর্থকে খরচ করে, কোন বিনিময়ের আশা না করেই লিখে যাচ্ছেন। তারা লিখে যাচ্ছেন আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছেন একেকটি পদচিহ্ন। তাই সাধারণভাবে সকল ব্লগারকেই প্রতিশ্রুতিশীল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। টিকে থাকা বা নিয়মিত লিখে যাবার প্রশ্নে প্রতিশ্রুতিশীল ব্লগারের সংখ্যা খুব কম বলতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি ব্যক্তিগত, প্রযুক্তিগত বিষয়ে এবং সংবাদ ও তথ্যভাণ্ডার হিসেবে বাঙলা ব্লগের সংখ্যা বাড়ছে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগকে বলা হচ্ছে বিকল্প মিডিয়া? এই বিষয়ে আপনার কি মত?

মাঈনউদ্দিন মইনুল:  ‘বিকল্প’ গণমাধ্যম তো বটেই, কিছুদিনের মধ্যেই এটি হবে একমাত্র গণমাধ্যম।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার পড়া সবশেষ পোষ্ট কোনটি এবং তা কোন ব্লগে পড়েছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: আমাদের ছুটি ব্লগে আন্দামান ভ্রমণ

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগে ফেসবুকে লেখকদের লেখার মান কেমন বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: উন্নত, মাঝারি এবং নিম্ন সব মানের লেখাই ব্লগে আছে। লেখা যত উন্নত, লেখকের সংখ্যাও তত কম। নিম্নমানের লেখাই ব্লগে বেশি, এর কারণ হলো নবীন এবং লক্ষ্যহীন ব্লগারের উপস্থিতি। তবে পাবলিক ব্লগে একে নেতিবাচক হিসেবে আমি দেখছি না। অনেকেই লেখতে লেখতে পড়া শিখছেন, এবং তাতে তাদের লেখারও উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নত লেখা কম হলেও সমস্যা ছিলো না, যদি সেগুলো নিয়মিত প্রকাশিত হতো। ভালো লেখেন এরকম ব্লগাররা অনিয়মিত। তাৎপর্যপূর্ণ আন্তঃযোগাযোগ এবং মিথষ্ক্রিয়া বৃদ্ধি করতে পারলে আর ব্লগকে সৃজনশীল এবং প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের আড্ডাস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, ভালো লেখকদের সংখ্যা যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে নবীন লেখকদের লেখার মান।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মুল স্রোতে কি মিশতে পারছেন লেখক ব্লগাররা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: পত্রিকার মাধ্যমেই সাহিত্যের প্রথম প্রকাশ এবং ‘প্রথম প্রাপ্তি’ হয় – বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই হয়ে এসেছে দীর্ঘ দিন থেকে। পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমটি কিন্তু আজ বিবর্তিত রূপ নিয়েছে। সকলেই জানেন যে, দেশের সবগুলো পত্রিকা এখন গুরুত্বসহকারে অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করে। নিয়মিত আপডেটও করে। এমন পরিস্থিতিতে সাহিত্যের ‘মূল’ স্রোত অবশেষে কোনটি হয়, সে নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের বহুল প্রসারে প্রিন্ট মাধ্যমের সাহিত্য ‘মূল ধারাটিকে’ কতটুকু ধরে রাখতে পেরেছে বা পারবে, সেখানে প্রশ্ন আছে। সাহিত্যের প্রথাগত সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আসন্ন। অতএব অবশেষে ‘কার স্রোতে কে মেশে’ বলা মুশকিল।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সম্প্রতি ব্লগারদের লেখা বিভিন্ন সংকলন/বই প্রকাশিত হচব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে আসছে। এ বিষয়ে আপনার অবস্থান জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: যতদিন পর্যন্ত ব্লগ বা ইন্টানেটে প্রকাশিত লেখাগুলো ‘একমাত্র নির্ভরযোগ্য’ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা না পাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত বই/সংকলন ছাপানো যেতে পারে। পৃথিবীর সকল তথ্য ও সাহিত্য এখন চলে আসছে কমপিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্লগেই থেকে যাবার পক্ষপাতি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ একটি ব্লগ এবং ব্লগারদের ইতিবাচক দিক কোনটি বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রশ্নটি বেশ জটিল, কারণ এর বিভিন্ন উত্তর হতে পারে। এবিষয়ে বিভিন্ন লেখায় অনেক কথা বলেছি। এখানে শুধু এটুকুই বলতে চাই: ব্লগ এবং ব্লগারদের প্রত্যাশিত ইতিবাচক দিকটি হলো, সকল ধারার পাঠক-লেখকের সাথে মিশতে পারা এবং ভিন্নমতের সাথে সহাবস্থান করতে পারা। এটি অক্ষুণ্ন থাকলে বাঙলা ব্লগ আরও এগিয়ে যাবে অদূর ভবিষ্যতে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার শৈশব কোথায় কেটেছে? পারিবারের কথা এবং শিক্ষাজীবন নিয়ে কিছু কথা জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: শৈশব কেটেছে কিশোরগঞ্জের মেঘনা পাড়ে আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। একক পরিবারে আমরা দু’কন্যার জনক ও জননী। শিক্ষা জীবনের অধিকাংশ কেটেছে ঢাকায়। প্রথমে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করি ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। গ্রামীণ শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে ব্যাপ্ত ছিলাম বিগত কর্মজীবনের অধিকাংশ সময়। বর্তমানে ২০,০০০ শিশুর শিক্ষা ও বেড়ে ওঠার অধিকার নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার জীবনের আনন্দময় স্মৃতি কোনটি যা মনে হলে এখনো আপনার ভালো লাগে।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকগুলো। এমুহূর্তে উল্লেখযোগ্যটি মনে করা কঠিন। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্পনসরশিপে কাজাখস্তানে একটি সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্মৃতিটুকু বেশ আনন্দময় ছিলো। কারাখস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এখনও সেখানে সোভিয়েত রাশার জৌলুস দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আলমাতি শহরটি পর্বত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ণ।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ প্রিয় বই এর নাম?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এখানেও দু’একটি বলে শেষ করা যায় না। শুধু উল্লেখযোগ্য একটির নাম হলো: ক্রিস্টোফার মারলো’র ডক্টর ফস্টাস। মন্দের বিপক্ষে মানুষের আত্মিক যুদ্ধের একটি চমৎকার ছবি। এর প্লট ও ডায়ালগগুলো আমি পনের বছর পরও স্পষ্ট মনে করতে পারি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার প্রিয় লেখক কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রিয় লেখক বলা আর প্রিয় রাজনৈতিক দল বলা এখন একই রকম ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু রাজনীতিতে নয়, বই পড়াতেও এখন পলিটিক্স ঢুকে গেছে! রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলকে নিয়ে এখানে ব্যক্তিগত ঝগড়া হতে পারে। আমার প্রিয় লেখকেরা কারও কারও চোখে বিতর্কিত। তাই স্বদেশের অনেক প্রিয় লেখকের নাম বলা থেকে বিরত থাকলাম। প্রিয় কবিদের মধ্যে আছেন শামসুর রাহমান ও রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। আছেন নিমুলেন্দু গুণ। ছাত্র জীবনে আমি ব্রিটিশ লেখক রবার্ট ব্রাউনিং, টেনিসন, কোলরিজ এবং মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ওয়াল্ট হুইটম্যান ও রবার্ট ফ্রস্ট-এর ভক্ত ছিলাম। চলমান জীবনে স্বার্থপরের মতো পেশাগত বই পড়ে যাচ্ছি। তাছাড়া ব্লগারদের লেখা, বিশেষত যারা নবীন, তাদের পোস্ট পড়া আমার প্রিয় অভ্যাস, যদিও সবসময় মন্তব্য দেই না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ অবসর সময়ে আপনি নিশ্চয় সিনেমা দেখেন। আপনি কি জানাবেন আপনার প্রিয় মুভী/সিনেমার নামগুলো?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অবসরে খবর দেখি – বেশিরভাগই ‘বেখবর’! খুব বেশি সিনেমা দেখার সময় হয় না। তারে জামিন পার, রাং দে বাসান্তি, পা, থ্রি ইডিয়টস দেখে দারুনভাবে উপভোগ করেছি। দেশের চলচ্চিত্রে শঙ্খনীল কারাগার, শ্রাবণ বেঘের দিন, মুক্তির গান, থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার বা টেলিভিশনকে আমার কাছে বিশেষ মনে হয়। ইংরেজি Knowing বা 2012 সিনেমা দু’টো আত্মিকভাবে চেতনা-জাগানিয়া বলে মনে হয়েছে।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় গান কোনটি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ‘এমন একটি মা দেনা, যে মায়ের সন্তানেরা… ফেরদৌস ওয়াহিদ।আমি দেশীয় গানের ভক্ত এবং এবিষয়ে সর্বভুক! একটি বললে অনেকের প্রতি অবিচার হবে। বিশেষত লালন, রবীন্দ্রনাথ নজরুলের গানের ভীষণ ভক্ত আমি। আধুনিক গায়কদের মধ্যে এসডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, মান্না দে, ফেরদৌস ওয়াহিদ, নিয়াজ মোর্শেদ, শ্রীকান্ত, তপন চৌধুরি, নচিকেতা, এবং হায়দার হুসেনের গান ভালো লাগে। আইয়ুব বাচ্চু, জেমস বা হাসানের কয়েকটি ব্যান্ড সঙ্গীতও আমার প্রিয়।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় শিল্পী কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এক সাথে বলে দিয়েছি ওপরে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ নক্ষত্র ব্লগ নিয়ে আপনার মতামত/পরামর্শ/উপদেশ কি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অল্প সময়ে অনেক ব্লগারের সমন্বয ঘটিয়ে নক্ষত্র চমক দেখিয়েছে। সঞ্চালনাও এখন পর্যন্ত খুব ভালো। পরামর্শ/উপদেশ তো সকলেই দিতে পারে, উদ্যোগ নিতে পারে ক’জন? তবু জিজ্ঞাসার উত্তর দিচ্ছি: সব বাঙলা ব্লগেই একটি চ্যালেন্জ রয়েছে, নক্ষত্র’রও তাই। সেটি হলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। দ্বিতীয়ত, নিয়মিত বিচক্ষণ এবং ফলপ্রসূ সঞ্চালনা। আর্থিক স্বালম্বীতার জন্য ব্লগ নিজেই নিজের পথ বের করতে পারে – শুধু সুযোগ করে দিতে হবে। লেখার মান নির্ণয় করতে পারেন না বা সাহিত্য/ব্লগ রসিক নন, এমন ব্যক্তি যেন সঞ্চালনা পরিষদে না থাকেন। তবে নবীন ব্লগারদেরকে ওঠিয়ে নিয়ে আসার মতো মেকানিজমও থাকতে হবে ব্লগে। সামাজিক মূল্যবোধ, স্বদেশ চেতনা, মানবাধিকার এবং জলবায়ূ ইস্যুতে বাঙলা ব্লগকে আরও তৎপর হতে হবে।

 

নক্ষত্রঃ আমাদের সময় দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: নক্ষত্র ব্লগে শুভ কামনা করছি।

 

 

 

————-

১৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখের কথা।  তখন নক্ষত্র ব্লগ কেবল শুরু হলো। এখন তারা ই-কমার্সসহ বিশাল এক ওয়েবপোর্টালের মালিক। ব্লগ শুধুই একটি অংশ। নক্ষত্র চাইলো ব্লগারদেরকে প্রেরণা দিতে। আমিও তাদের প্রশ্নের জবাবে সেভাবেই নিজের কথা জানালাম। মূল সাক্ষাৎকারটি এখানে

 

 

 

————-

ব্লগ বিষয়ে সাম্প্রতিক কিছু লেখা

আদর্শবাদী ব্লগার বনাম সৃজনশীল ব্লগার

ব্লগ ও ব্লগিং সম্পর্কে এক্সপার্টদের ৩৯ উক্তি

একটি ব্লগসাইট যেভাবে প্রসার লাভ করতে পারে

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s