গীতিকার শফিকুল ইসলাম কোহিনূরের ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’

পাঠক প্রতিক্রিয়া: সফিকুল ইসলাম কোহিনূরের ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’

444
জীবনের প্রধান অংশটি অতিক্রম করে একজন ‘সংসার পরিব্রাজক’ ব্লগে এসে নিজেকে প্রকাশ করতে শুরু করলেন। রাজনীতি, ব্যবসায় এবং সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটানোর পর তিনি দেখলেন একটি বিষয়ে খুঁজ নেওয়ার খুবই দরকার। এজন্য তিনি আগেই প্রকাশে মনযোগ দিলেন – প্রকাশের চাপে অনুসন্ধান বেড়ে গেলো। গানকে তিনি বেছে নিলেন তার আত্মপ্রকাশের মাধ্যম হিসেবে। জীবন, সংসার, জীবনের গন্তব্য এবং ঈশ্বর ও ঈশ্বরের সৃষ্টি নিয়ে তিনি প্রকাশ করতে লাগলেন তার অনুভবগুলো। লেখতে লেখতে যেমন লেখকের পর্যবেক্ষণ ক্রমান্বয়ে ক্রমান্বয়ে শানিত হয়, তেমনভাবে তার অনুভবগুলো ক্রমেই ধারালো হতে থাকলো। ‘খোঁজার বিষয়টি’ নিয়েই তিনি খোঁজ শুরু করলেন। রচিত হতে থাকলো গান, একের পর এক। এক সময় ‘কী খুঁজবেন’ তা তিনি খুঁজে পেয়ে বলে ওঠলেন, কে বুঝিতে পারে দয়াল! “কোন্ পাথরে নুরি আছে, কে যে বুঝতে পারে/ মালিক নিজেই লুকাইয়া রয়, পাথরের ভিতরে (১)।” এর চেয়ে উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া আর কী হতে পারে! আসল সত্য যে কার নাগালে আছে, তা কে জানে?
.
যা হোক, জীবনের রহস্য অনুসন্ধানকারী সেই ব্যক্তিটি হলেন, সফিকুল ইসলাম কোহিনূর। ব্লগে তিনি ‘মেজদা’ নামে পরিচিত। তার প্রথম গ্রন্থ ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’ কে আমি মেজদা’র আত্মউপলব্ধির প্রথম খণ্ড বলতে চাই।  দেখি তার আত্মউপলব্ধি থেকে আমাদের কি পাওয়ার আছে।
.
সম্প্রতি দেশের এক খ্যাতিমান পর্বতারোহীর সবচেয়ে উঁচু পর্বতটিতে আরোহন নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে, কারণ তার উপলব্ধিগুলো অসংলগ্ন এবং প্রতিটি পর্বের পর্যাপ্ত বিবরণ তিনি দেন নি। তাই গীতিকার কোহিনূর কী খুঁজে পেলেন, সে বিষয়ে পরে আসছি। খোঁজাখুঁজির এই দার্শনিক ভ্রমণে কোথায় কী উপলব্ধি তার হলো, সেটিই আমার কৌতূহলের বিষয়।
.
জ্ঞান-বিজ্ঞান আর পুস্তক থেকে
কে শেখাবে তোমাকে
মহাজ্ঞানী বসে আছে
তোমার এই বুকে।
(২)
.
সৃষ্টির রহস্য কি জগতের জ্ঞানীদের কাছে আছে? এ এক বিরাট প্রশ্ন। বিজ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করা। জীবনের রহস্য কি তারা জানেন? খোদ অনুসন্ধান যন্ত্রটি নিয়েই সনাতন সৃষ্টি-সন্ধানীদের একটি প্রশ্ন আছে। যা থাকে ভেতরে, তাকে বাইরে কি পাওয়া যায়? প্রচলিত একটি তত্ত্ব হলো এরকম, ঈশ্বর তথাকথিত জ্ঞানীদের দৃষ্টি থেকে তার সৃষ্টির রহস্য লুকিয়ে রেখেছেন। তিনি তার রূপের রহস্য প্রকাশ করেছেন অর্বাচিন রাখাল বালকের কাছে।.

গীতিকার কোহিনূর বলেছেন, ‘দিলের ভেতর দয়ালের বই’। আমরা যেন সেই বইয়ের পাতা ওল্টাই। অন্য একটি গানে তিনি প্রায় একই কথা বলেছেন: “আমার মন মণ্ডপে যার বসবাস/ সে তো আমার মনতরী” (৩)।

.

ঈশ্বর যদি দেখা দিতো
চিনিতে পারিতাম
আমার রূপে রূপ মিশাইয়া
মিলাইয়া দেখিতাম।
(৪)

.

সৃষ্টির রহস্যে লুকিয়ে আছে ঈশ্বর রহস্য। এটি নিজের চেষ্টায় বা ধর্মকর্মে পুরোপুরি সিদ্ধ হয় কিনা তা নিয়ে বিতর্ক আছে। এজন্য ধর্মকর্মের পাশাপাশি প্রয়োজন একটি নিরহংকার মন। ঈশ্বর প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজন আত্মসংযম ও আত্মসমর্পন। ‘ঈশ্বর যদি দেখা দিতো চিনিতে পারিতাম’ বলে গীতিকার তা-ই বলতে চেয়েছেন। ঈশ্বর সমর্পিত হৃদয়ে দেখা দেন।

.

যেসব কথায় গীতিকারের উপলব্ধি আমার উপলব্ধিকে নাড়া দিয়েছে:

প্রায় সবগুলো গানই আত্মিক ভ্রমণের উপলব্ধিতে ভরা। প্রায় সব গানেই ঈশ্বরপ্রাপ্তির বাসনা। প্রেমের গানটিও গুরু বন্দনায় তিনি শেষ করেছেন। শেষ গানটিতেও তিনি গেয়েছেন, ‘জানিতে চাই গুরু তুমি ভালো আছো নি।’ কোহিনূরের মাতৃবন্দনায়ও সৃষ্টির গৌরব প্রকাশ পেয়েছে। আমার পছন্দের গানগুলো থেকে কয়েকটি উদ্ধৃতি দিচ্ছি। পাঠকের জন্য কিছু বাকি রাখলাম। সব দিচ্ছি না!

.

জীবন দর্শন ও দেহতত্ত্ব

•পৃথিবীতে ভরে আছে/কত জ্ঞানের বই/ ধর্ম-কর্ম সমাজতন্ত্র/ আসল বস্তু কই? [পৃ ২৪]
•আমি আছি তোমার পানে/ এক নিরিখে চেয়ে/ পূবের বেলা পশ্চিমে যায়/ দ্রুত বেগে ধেয়ে। [পৃ ৭৫]
•আমার ভেতর আমি কোনটুক/ তা তো জানি না/ দেহের ভেতর বাস করে যে/ সে কি আপন জনা? [৫৪]
•মন্দিরেতে নাই রে ঈশ্বর/ কে দেখেছে তারে/… [পৃ ৭৪]
•কী বলিবো দুঃখের কথা/ অন্তর জ্বালায় জ্বলি/ সুখের ঘরে বস করে/ মাওলাকে যায় ভুলি। [৮২]
•ঘরের ভেতর বসে রাজা/ কর্মে ব্যস্ত ছয়জন প্রজা/ আঠারো মোকামে তারা/ আদান-প্রদান করে রে। [৪০]
•দেহের মালিক বানায় মোরে/ ভেতরে দিলো মন/ মনের ভিতর বাস করিয়া/ থাকে সে গোপন। [৫৪]

.

মানবতাবাদি কথাগুলো:

•এমন সুন্দর ধরায় দেখি/ রক্তারক্তির খেলা/ মানুষ হয়ে মানুষ মারছে/ রক্তে ভাষায় ভেলা। [পৃ ৫৫]
•আমি তো ভেবে পাই না/ মানুষ কেন শ্রেষ্ঠ/ মানুষ দেখি পশুর অধম/ পশু নয় নিকৃষ্ট। [পৃ ৫৫]
•মানুষে মানুষে পিরিত/ করতো জোড়া জোড়া/ সকল জাতি মিলে করতো/ হিংসা বিদ্বেষ তাড়া। [পৃ ৯৮]
•বনের যত পশু পাখি/ তাদের মধ্যে একই দেখি/ সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে/ মা’ই বাঘের খাদ্য হয়। [পৃ ৮৩]

.

আমরা যারা সফলতার লক্ষ্য নিয়ে উল্টো পথে হাঁটি, তারা পঞ্চাশ-ষাট অতিক্রম করার পর কেবল বুঝতে শুরু করি যে, আসল বিষয়টি অধরাই থেকে গেছে। ‘আসল বিষয়টি’ খুঁজতে গিয়ে গীতিকার কী খুঁজে পেলেন, তারই অনুসন্ধান করেছি আমি তার একশ ছ’টি গানে। গানগুলো সত্যিই সুখপাঠ্য। আরেকটি কথা, আমি দেখেছি, ব্লগের পড়ার চেয়ে বইয়ের পড়া অনেক মনযোগ আকর্ষণ করে এবং আরও বেশি অনুভব সৃষ্টি করে। অর্থাৎ বই এখনও ভারচুয়াল জ্ঞানের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠতে পারে নি!

.

সমালোচনা:

গীতিকার যতটুকু গভীরতায় জীবনকে উপলব্ধি করেছেন, সমালোচনা করার জন্য পর্যাপ্ত গভীরতায় যেতে পারি নি। তবে সাহিত্য হিসেবে শুধু এটুকু বলা যায়, ছন্দ এবং ভাষাগত বিষয়ে কিছু বিচ্যুতি আছে। বানান এবং সাধু-চলিত মিশ্রণের দোষও আছে। কিন্তু এগুলো আমি গণনা করার মতো মনে করছি না। গানে প্রাণ দেবার জন্য ভাষা ও ছন্দে অনেক প্রখ্যাত গীতিকার তাদের লেখায় কিছু বিচ্যুতি এবং কিছু ব্যতিক্রম করেছেন। সেই বিচারে গীতিকার কোহিনূরের গানগুলোও বেশ আরামসে উতড়ে যায়। সমালোচনা শেষ!

.

ব্লগে প্রকাশিত লেখাগুলো সাধারণত অন্য একজন ব্লগারই পড়ে থাকেন। ব্লগার হিসেবে নিবন্ধিত নন এরকম পাঠক অবশ্যই আছেন, তবে তাদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। ব্লগার পড়েন অন্য ব্লগারের লেখা। লেখার বিষয় বা তাৎপর্য যা-ই হোক আমরা একে বলি, ব্লগ পোস্ট। পড়ার পর কেউ মন্তব্য দেন, কেউ দেন না। অনেকেই মন্তব্য দেন, বিনিময়ে আরেকটি মন্তব্য পাবার জন্য। বিনিময় পাঠক – মানে পড়ার বিনিময়ে পড়া। ‘আপনার লেখা আমি পড়ে দেবো, বিনিময়ে আপনি আমার লেখা পড়ে দেবেন। এখানে বিনিময়ের বিষয়টি হলো মন্তব্য। মন্তব্যে মন্তব্য আনে, যেমন টাকায় টাকা আনে। শুনতে ‘শ্রোতিকটু’ হলেও বাস্তবের সমীকরণটি এরকমই। পাঁচ বছরের পুরাতন ব্লগার, যতই ভালো লিখুন, তিনি অনিয়মিত। তিনি মন্তব্য পাবেন দু’টো! বিষয়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে অথবা লেখার তাৎপর্যে আকৃষ্ট হয়ে পড়তে এসেছেন, ব্লগে এরকম পাঠক খুবই কম। পুরো সমাজেই পাঠক কম, ব্লগের পাঠক আসবে কোত্থেকে! ওই রকমের পড়াকে ‘সামাজিক পড়া’ বলা যায়।

.

উপলব্ধির সমান্তরালে না গেলে লেখার মর্ম বুঝা যায় না। ‘সামাজিক’ পড়ায় পাঠক কিছুই উদ্ধার করতে পারেন না। ব্লগার যদি ভালো লেখক হতে চান, তবে ভালো পাঠক তাকে হতেই হবে। ‘সামাজিক পড়া’ যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, তাতে আমার সমর্থন নেই। পড়ার জন্য এবং নিজের আনন্দের জন্য যেসব পাঠক ব্লগ পড়েন, তারা মেজদা’র লেখায় শুধুই আনন্দ পাবেন না, জীবনের সত্যও খুঁজে পাবেন।

.

উপসংহারের কথা:

প্রচলিত শব্দাবলী দিয়ে লেখেন বলে মেজদা’র গানগুলো দেখতে সাদামাটা মনে হলেও পড়তে গেলে তা কখনও হালকা মনে হয় নি। বরং মনে হয়েছে, এতে গভীরে তিনি কীভাবে গেলেন! তার অধিকাংশ গানের রচনার সময়টি হলো রাত দু’টা অথবা তিনটা, এমনকি রাত চারটাও! গীতিকার কোহিনূর তার বইয়ের ভূমিকায় কয়েকটি গানের উল্লেখ করেছেন, যা তার দৃষ্টিতে বিশিষ্ট। কিন্তু বিষয়ের গভীরতায় আমি দেখেছি তার প্রতিটি গান আলাদাভাবে বিশিষ্ট। প্রতিটি গান নিয়ে একেকটি প্রবন্ধ লেখা যায়। কিন্তু নিজেকে সংবরণ করেছি – লেখেও আবার কেটে দিয়েছি। ব্লগের পাঠকের বিষয়টি বিবেচনা করে এবং প্রথম প্রকাশিত বইটির প্রসারের বিষয়টি মনে রেখে আলোচনাটি সংক্ষিপ্ত রাখার চেষ্টা করেছি। ব্লগ পোস্টের মত করেই লেখেছি। ভবিষ্যতে কোন প্রিন্ট প্রকাশনায় আরও বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা আছে।

.

ব্লগারদের প্রকাশিত বইগুলো নিয়ে ‘পাঠক প্রতিক্রিয়া’ চলতে থাকবে। এরপর আসছে আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলামের ‘স্বপ্নবাসর’ যা নিয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু ব্লগের প্রাজ্ঞ লেখক জমির হায়দার বাবলা পূর্বেই ‘স্বপ্নবাসর’ নিয়ে একটি চমৎকার লেখা উপহার দিয়েছেন। একই বিষয়ে ছড়াকার শহিদুল ইসলাম প্রামানিকও অসাধারণ একটি ছড়া দিয়েছেন। তাই ‘স্বপ্নবাসর’ দ্বিতীয়তে রাখলাম। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম… পর্বের বিষয়গুলো ক্রমান্বয়ে জানানো হবে।

 

 

—————-
(১) গানের শিরোনাম: কে বুঝিতে পারে দয়াল। পৃষ্ঠা ৭।
(২) গানের শিরোনাম: জ্ঞান-বিজ্ঞান আর পুস্তক থেকে। পৃষ্ঠা ২৪।
তার গানের কথাগুলো পড়ে ব্লগেও আমি চমকে ওঠতাম, কিন্তু মন্তব্য দেবার উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করছিলাম।
(৩) গানের শিরোনাম: আমার মন মণ্ডপে যার বসবাস। পৃষ্ঠা ২৫।
(৪) গানের শিরোনাম: মন্দিরেতে নাইরে ঈশ্বর। পৃষ্ঠা ৭৪।

 

—————-

 

.

.

.

প্রথম আলো ব্লগে প্রাপ্ত মন্তব্য ============================================

৫৬ টি মন্তব্য

anindyaantarঅনিন্দ্য অন্তর অপু০৬ জুন ২০১৪, ২১:৪৫

অসাধারণ একটা পোস্ট প্রিয় মইনুল ভাই । লেখাগুলোর ভেতরে গিয়ে এর নির্যাস উপলব্ধি করে যেন ছড়িয়ে দিতে চাইছেন পাঠক অন্তরে ।শুভ কামনা নিরন্তরউত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০১

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মুছে ফেলুন
pramanik99শ‍হীদুল ইসলাম প্রামানিক০৬ জুন ২০১৪, ২১:৫৩

উপলব্ধির সমান্তরালে না গেলে লেখার মর্ম বুঝা যায় না। ‘সামাজিক’ পড়ায় পাঠক কিছুই উদ্ধার করতে পারেন না। চমৎকার সমালোচনামূলক বই আলোচনা। মইনুল ভাই যে এত ভাল সমালোচক এই আলোচনাটি না পড়লে বুঝতে পার‍তাম না। বই আলোচনা খুবই ভাল লাগল। ধন্যবাদ মইনুল ভাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল সেই সাথে কোহিনুর ভাইকেও।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০২

প্রিয় ছড়াকার প্রামানিক ভাই, দরাজ দিলের প্রশংসার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা মুছে ফেলুন
Rabbaniরব্বানী চৌধুরী০৬ জুন ২০১৪, ২১:৫৪

লেখক ও সাধক কবি আমাদের সকলের প্রিয় মেজদা / কহিনূর ভাইকে আমাদের প্রাণ ঢালা অভিনন্দন।পরে আলোচনায় আসব একে বারে রোববার। ভালো থাকবেন ততক্ষণ পর্যন্ত।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০৩

উপস্থিতির জন্য অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই মুছে ফেলুন
abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক০৬ জুন ২০১৪, ২২:০৫

“কোন্ পাথরে নুরি আছে, কে যে বুঝতে পারে/ মালিক নিজেই লুকাইয়া রয়, পাথরের ভিতরে ,মেজদার ভাবপ্রকাশ সহজ কিন্তু সুগভীর।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০৪

মেজদা’র সরল ভাষা তার গড়ল তত্ত্বের পোশাক কৃতজ্ঞতা জানবেন, মুরুব্বি মুছে ফেলুন
abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০৮

“মেজদা’র সরল ভাষা তার গড়ল তত্ত্বের পোশাক “মা রে মা মাইর দিছে আমারে!মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:১২

হ্যাঁ বড়াইছাব, কথা কিন্তু ঠিকই কইছি।
সহজ ভাষা মনে করে পড়তে যাবেন, ভেতরে গিয়ে পড়বেন ফ্যাসাদে…
অতএব সাবধান… মুছে ফেলুন
abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক০৬ জুন ২০১৪, ২৩:১৩

জবর চালু মানুষ!জি সত্য বলেছেন।মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:১৬

জবর চালু মানে!… সংসার পরিব্রাজক!আপনি তো আমার চাইতে আরও ভালো চেনেন, জনাব!মুছে ফেলুন
abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক০৬ জুন ২০১৪, ২৩:১৭

না গো ভাই না। এক্কেবারে নাদান মানুষ।মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:২২

আব্দুলহাক ভাইয়ের বিনয়, ব্লগের সবাই জানেন।আপনি অনেক জানেন, কিন্তু তবু অন্যকে জিজ্ঞেস করায় আপনার জুড়ি নেই।
অন্যের মুখে নিজের কথা শুনায় আপনার তৃপ্তি মুছে ফেলুন
abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক০৭ জুন ২০১৪, ০০:৫০

আপনারে ভাই ডাকি আর লজ্জা দিলেন। (অপমান বলতে চাই না)আমার চেয়ারে বসলে আপনিও দুই হাত তুলে বলবেন, ভাইগো আমি কোনতা জানি না।
আমার দৌড় তো অভিধান পযর্ন্ত। আমি সত্যি জানি না। তবে জানতে সময় লাগে না। এই জন্য অনেকে মনে করে আমি অনেক কিছু জানি।
আমার মন আরশের দরজায় ঠুকে বলে, মাবুদ ভিক্ষা দাও।
আমি ভিক্ষা পাই। প্রয়োজন হলে নফল নামাজ পড়ে সিজদায় কেঁদে বলি, মাবুদ জ্ঞান দাও।(আজ সিকরেট বলেদিলাম। দয়াকরে আর কখন এমন করে লজ্জা দেবেন্না। আমি সত্যি জানি না। আপনাদের পাশে বসতে বললে আমি সত্যি মাটিতে বসব। কারণ আমি চেয়ারে যোগ্য নয়। মজা করছি না)মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩১

বড়াইছাব, আপনার কথায় আপনার প্রতি শ্রদ্ধা আরও বেড়ে গেলো।
আমরা সবাই মানুষ… ‘রেল লাইন বহে সমান্তরাল’
সবাই এক জায়গায় এসে মিশে যাবো।
যে যা-ই হই না কেন, যেখানেই ঘুমাই না কেন, মাটির ঘর হবে গন্তব্য…এখানে আর কোন বিষয় না থাকুক সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন, মুরুব্বি মুছে ফেলুন
neelsadhuনীল সাধু০৬ জুন ২০১৪, ২২:১১

অসাধারণ –
পোষ্ট ভালো লেগেছে।
আমি মেজদার বইটি পড়েছি। আমার কাছেও বেশ মুল্যবান মনে হয়েছে।
খুব হেসে খেলেই মেজদা এই ব্লগেই সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য গান যা আমাদের ভাবনার আকাশকে করবে বিস্তৃত অসীম। যা খুব সহজে বলা হলে অর্থের দিক দিয়ে বেশ গভীর বানী সমৃদ্ধস্যালুট ভ্রাতা মাঈউনদ্দিন ভাইকে উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০৬

মেজদার গীতিকার হয়ে ওঠার পথ পরিক্রমাটি পাঠক হিসেবে সহজই মনে হয়।
বাস্তবে হয়তো তত সহজ ছিলো না।
এর ভেতরে আরও তত্ত্ব আছে হয়তো, যা ভবা পাগলায় বাকিটা বলতে পারবেন অনেক ধন্যবাদ নীলসাধু ভাই মুছে ফেলুন
neelsadhuনীল সাধু০৬ জুন ২০১৪, ২৩:২৫

হুম তিনি ভাবের সাগরে ডুব দিতে পেরেছেন বলেই এমন সব অনুভবের কথা লিখতে পেরেছেন অবলীলায়।
ভাব ছাড়া কেমনে কিমুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৫

//ভাব ছাড়া কেমনে কি// কথা কিন্তু ঠিক। ভাব না থাকলে ভাষা দিয়া কি তরকারি খামু
অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস হলো, ভাব আসে না
মাথায় হাতুড়ি পেটালেও হয় তো আসবে না! ভাবের কাঙ্গাল… অনেকেই পেয়ে কাঙ্গাল
আমি না পেয়ে কাঙ্গাল দোয়া খায়ের করবেন… মুছে ফেলুন
PulakBiswas67পুলক বিশ্বাস০৬ জুন ২০১৪, ২২:৩৫

কোহিনূর ভাইয়ের গানের কথা বেশ সুন্দর ভাব ও বিশ্লেষণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন মইনুল ভাই। যা আমাদের মতো অবোধকে বুঝতে সাহায্য করবে।নিরন্তর ভালোবাসা জানবেন।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:০৭

কৃতজ্ঞতা জানবেন, কবি পুলক বিশ্বাস মুছে ফেলুন
MainulAminমাইনুল আমিন০৬ জুন ২০১৪, ২২:৪৪

আজ অনেকদিন পরেই প্রিয় আলোব্লগ আর প্রাণের মানুষগুলোর জন্যে প্রাণ কেদে উঠলো হঠাৎ করে | মাঝে মধ্যে আস্তে চাইলেও ব্যস্ততার কারণে লগ ইন করা হয় না কোনমতে | আজ একদিকে আমার ভাবগুরু মেজদার প্রথম গানের বই অন্যদিকে আমার প্রিয় মিতা মইনউদ্দিন মইনুল’ এর জ্ঞানগর্ব গভীর বিশ্লেষণাত্মক সমালোচনার শৈল্পিক ব্যঞ্জনা ! মনকে আর দূরে ধরে রাখতে পারলাম না |পুরো সমালোচনাটি পড়েছি গভীরে ডুব দিয়ে | অসাধারণ এক শব্দের মায়াজাল বুনেছেন প্রিয় গীতিকার এবং নান্দনিক শব্দের মেস্তুরি কবি ও অনুবাদক, এবং গবেষক মাইনউদ্দিন মইনুল ভাই |
সাবাস প্রিয় গীতিকার ! সাবাস শব্দ কারিগর ! ……………….।দুজনকেই অধমের সালাম |আশা করি সামনের মেলায় আসলে বইটি কিনবো | ভালো থাকুন মেজদা, ভালো থাকুন প্রিয় মিতা মইনুল ভাই |
উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৬ জুন ২০১৪, ২৩:১০

প্রিয় মিতা কবি মাইনুল আমিন ভাই, আপনার ছায়াটি কোথায় দেখে যেন শুভেচ্ছা দিয়ে এসেছি। আমার লেখায় আপনাকে পাওয়া মানে তো বিশাল কিছু পাওয়া।
আপনার উদার হৃদয়ের প্রশংসা সবসময়ই আমার প্রেরণা ছিলো। আজও তাই।শব্দের কারিগর বললে কিন্তু একজনের নাম প্রথমে আসে, সে হলেন আপনি।
সময় পেলে বলবো আরও বলবো কোনদিন।অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানবেন, মিতা।
সময় নিয়ে নিয়মিত হোন মুছে ফেলুন
MirHamidহামি্দ০৬ জুন ২০১৪, ২৩:২৮

তার প্রথম গ্রন্থ ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’ কে আমি মেজদা’র আত্মউপলব্ধির প্রথম খণ্ড বলতে চাই। আমি যতটুকু পড়েছি তাতে আমি আপনার এমূলায়নের সাথে একমত। মইনুল ভাই এবং মেজদার জন্য শুভেচ্ছা রইল………..উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৫

জি… দ্বিতীয় খণ্ডের অপেক্ষায় আছি, হামিদ ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা মুছে ফেলুন
AhmedRabbaniআহমেদ রব্বানী০৭ জুন ২০১৪, ০০:০০

চমৎকার একটি গানের বই ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’।ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাইকে বইটির সমালোচনা লেখার জন্য।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৬

ধন্যবাদ জানবেন, কবি ও গীতিকার আহমেদ রব্বানী ভাই মুছে ফেলুন
diponkar07দীপংকর চন্দ০৭ জুন ২০১৪, ০০:৩৭

আপনার অসাধারণ বিশ্লেষণ একজন পাঠককে বইটি পাঠে উৎসাহিত করবে অনিবার্যভাবে।
আপনার অনেক লেখা আমার পড়া হয়নি। আশাকরি পড়ে ফেলবো সময় করে। পড়ার আগেই অনুচিত হলেও যে কথাটা সাহস করে বলে ফেলতে ইচ্ছে করছে, অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়তো যুক্ত হবে আমার স্বল্প অভিজ্ঞতার ঝুলিতে।শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন। সবসময়।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৭

প্রেরণা পেলাম
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, দীপংকর চন্দ … মুছে ফেলুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৭

Mzarin31আরজু মুন জারিন০৭ জুন ২০১৪, ০২:৩৬

মেজদাকে অভিনন্দন বইয়ের প্রকাশনায় আর মইনুল ভাইকে ধন্যবাদ পোস্ট টির জন্য। শুভেচ্ছা জানবেন।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৭

আরজু মুন জারিন আপা, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ…
ভালো থাকুন প্রবাসে মুছে ফেলুন
missildhakaভোরের মিছিল০৭ জুন ২০১৪, ০২:৫৪

সালাম জানবেন ভাই ,আপনি অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারেন ।আপনার সব লেখা গুলো দারুন গুছানো ।এই পোস্তটিও খুব সুন্দর করে সাজিয়েছেন ।
মেজদা ভাই অনেক সুন্দর লিখেন তার কিছু লেখা আমি পড়েছি ,খুবি ভাল লেখেন
আপানাদের দুজন কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৩৮

ধন্যবাদ।আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা, ভোরের মিছিল
ভালো থাকবেন…মুছে ফেলুন
aihena039আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম০৭ জুন ২০১৪, ০৭:১৫

বই হিসাবে মেজদার “কে বুঝিতে পারে দয়াল’ পড়ার সুযোগ হয়নি। তবে বইটির কিছু সংগীত পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে, যা মেজদা নিজেই ব্লগে পোস্ট দিয়েছিলেন। এক কথায় সত্যিই অনবদ্য। মইনুল ভাইয়ের পর্যবেক্ষণের প্রতি আমার শতভাগ আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। পুরো বইটি পড়তে পারলে মিলিয়ে দেখতে পারতাম। আশা করি, আগামীতে পড়তে পারবো।চমৎকার বই আলোচনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, মইনুল ভাই।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৪২

‘দাদাজানের কথায় আস্থা রেখেই তার কথা না শুনে ঘুমিয়ে পড়লাম।’
-ব্যাপারটা এরকম না তো? মজার মানুষের সাথে মজা না করে থাকতে পারি না। চুলকায় আরকি অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আবুহেনা ভাই
হৃদযন্ত্রের যত্ন নেবেন কিন্তুমুছে ফেলুন
aihena039আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম০৮ জুন ২০১৪, ২১:০৯

আরে না মইনুল ভাই! আমার সাথে রসিকতা করবেন না তো কার সাথে করবেন? তেতাল্লিশ বছর ধরে আমি তো রং তামাশার মধ্যেই বেঁচে আছি ভাই। তা’ না হলে কবেই ফুটুস হয়ে যেতাম। তারপরেও তো একবার স্ট্রোক (২০০৬ সালে) আর একবার হার্ট এ্যাটাক (কয়েকদিন আগে) হয়ে বেঁচে গেলাম। আপনাদের সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা আমাকে মরতে দিচ্ছে না ভাই।আমার শরীরের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, মইনুল ভাই।মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
kamaluddinকামাল উদ্দিন০৭ জুন ২০১৪, ০৮:৩৯

আপানাদের এমন বিশ্লেষনী লিখা পড়লে নিজেকে অতি ক্ষুদ্র মনে হয়, আমি আসলে কোন জ্ঞানই রাখি না।মেজদা ও মইনুল ভাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছাউত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৪৬

ভাইজান, এভাবে বলে লজ্জা না দিলেই কি নয়?
একেক মানুষ একেক দায়িত্ব/গুণ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছেন।
একই কথা আপনার পোস্ট নিয়েও কিন্তু বলা যায়। তখন তো আমার স্থানই হবে না অনেক ধন্যবাদ, কামাল ভাই
ভালো থাকবেন… মুছে ফেলুন
Ami123আমি..০৭ জুন ২০১৪, ১১:২১

সঞ্চালক ভাই,সালাম, আমি “আমি মেজদা” নাম নিয়ে লেখা লেখি করতে চাই। এটার সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। প্রথম আলো ব্লগে আমি নতুন। শুরুতেই এরকম একটি ধাক্কা খেয়ে আমি হতাশ। -আমি কালপুরুষ- যদি কালপুরুষ নামের সাথে লেখালেখি করতে পারে তবে আমি নই কেণ? এখানে সকলের স্বাধীনতা রয়েছে। প্রথম আলো মুক্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আপনি আমার পূর্বের নামটি ফিরিয়ে দিন। এটা ব্লগারদের প্রতি জুলুম। আমার নাম ঠিক করে না দেয়া পর্যন্ত আমি আন্দোলন চালিয়ে যাব। ইশ্বর আমার সাথে আছেন।আমি মেজদাউত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা০৭ জুন ২০১৪, ১৫:৫১

প্রচলিত শব্দাবলী দিয়ে লেখেন বলে মেজদা’র গানগুলো দেখতে সাদামাটা মনে হলেও পড়তে গেলে তা কখনও হালকা মনে হয় নি। বরং মনে হয়েছে, এতে গভীরে তিনি কীভাবে গেলেন!–প্রিয় মইনুল ভাই যথার্থ লিখেছেন। আমরা বাইরে থেকে সবাই কমবেশী সুখী মানুষ। কিন্তু সে মানুষটির ভেতরে আরেকটি অতৃপ্ত মানুষ বাস করে যে কখনো তৃপ্ত হয় না। তাঁর কাছে বাইরের পৃথিবীর চেয়ে ভেতরের জগতের মর্ম অনেক বেশী । তাই তো ভাব সাগরে ডুব দিয়ে অসীমের খোজ করতে থাকেন। তারা জানেন এ অসীমের ভাব সাগরের কেন তল নেই আবার সেই অতলেরও কোন তল নেই। সে অতল দরিয়ায় ডুব সাতার দিয়েছেন আমাদের মেঝদা। মাঝে মাঝে ভাব সাগরের ছোয়া আমরা পেয়ে ধন্য হয়। মেঝদা সবচেয়ে বড়গুন তিনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রতে ভাবের জগতের ছায়া দেখেন । যা সত্যি আমাকে বিস্মিত করে।
মইনুল ভাই অসাধারণ লিখেছেন।দুজনকেই শ্রদ্ধা জানাই।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৪৮

//সে অতল দরিয়ায় ডুব সাঁতার দিয়েছেন আমাদের মেঝদা। মাঝে মাঝে ভাব সাগরের ছোঁয়া আমরা পেয়ে ধন্য হই। মেঝদা সবচেয়ে বড়গুন তিনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রতে ভাবের জগতের ছায়া দেখেন। যা সত্যি আমাকে বিস্মিত করে। // আমাকেও বিস্মিত করেছে। ছাপার বইয়ে তার গানগুলো অন্য আবহ তৈরি করে।অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, বাবলা ভাই মুছে ফেলুন
aihena039আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম০৭ জুন ২০১৪, ২১:২২

মেজদা একজন ব্যতিক্রমী গীতিকার। তাঁর লেখা গানগুলো ভালো শিল্পীরা গাইলে অবশ্যই তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত গীতিকারের মর্যাদা পেতেন।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৪৯

//তাঁর লেখা গানগুলো ভালো শিল্পীরা গাইলে অবশ্যই তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত গীতিকারের মর্যাদা পেতেন।//-আমিও সেরকম ধারণা করি, আবুহেনা ভাই
অল্প কথায় যথার্থ মূল্যায়ন করেছেন।রসিক গল্পকারের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা মুছে ফেলুন
jadobযাদব সূত্রধর০৮ জুন ২০১৪, ১০:৫৯

শরীর ভাল নেই। তাই ব্লগে নিয়মিত আসা হয়না। মেজদাকে নিয়ে পোস্ট দেখে আর না এসে পারলাম না।বইটা পড়া হয়নি। তবে ব্লগ ও ফেইসবুকে বেশ পড়েছি। অনেক ভাল গান লিখেন মেজদা।অসুস্থতা থাকার কারনে একটি চলচ্চিত্রের কাহিনী অর্ধেক লিখে ফেলে রেখেছি। এই চলচ্চিত্র লিখতে গিয়ে মেজদার কয়েক্টা গানের লাইন আমার চোখে ভেসে উঠলো। মনে মনে মেজদার গান নিয়ে ভাবছি। নিসচই মেজদার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তিনির গান আমার ফিল্মে
নেব।মেজদাকে শুভেচ্ছা।
সুন্দর লেখার জন্য মাইনুল ভাইকে ধন্যবাদ.উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৫১

অসুস্থ অবস্থায়ও লেখা পড়ে মন্তব্য দেওয়ায় বিশেষভাবে সম্মানীত বোধ করছি, প্রিয় যাদব সুত্রধর দয়া করে সুচিকিৎকার ব্যবস্থা নিন।
আপনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।
দোয়া করি সুস্থ হয়ে চলচ্চিত্র কাজটুকু শেষ করুন…অনেক শুভেচ্ছা মুছে ফেলুন
Rabbaniরব্বানী চৌধুরী০৮ জুন ২০১৪, ১৪:৫৬

এই পোষ্টের উর মন্তব্য করার আমার কিছু নেই বরং শুধু আবাক হয়েছি মারাত্মক ভাবে এই কারণে যে, একটি পার্থক্য বের হয়ে আসাতে। একই সময়ে সফিকুল ইসলাম কোহিনূর ভাইয়ের ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’ বইটি হাতে পেয়েছিলাম কিন্তু আপনার মত গভীর দৃষ্টি কোন দিয়ে দেখা হয় নি। আপনি দেখেছেন সঠিক ভাবে বিশ্লষন করতে পেরেছেন।আপনার ও মেজদার পরিশ্রম আমাদের সামনে চলার পথ দেখায়।অনেক অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাই।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ জুন ২০১৪, ২০:৫২

অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই আপনার মন্তব্য সবসময় আমার লেখার গভীরতাকে তুলে ধরে।
এটি আমার জন্য বিরাট উপহার।অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা রইলৈা…মুছে ফেলুন
lnjesminলুৎফুন নাহার জেসমিন০৮ জুন ২০১৪, ২১:১০

আরও একটি দারুণ উদ্যোগ । তার জন্য জানাই সাধুবাদ মেজদার অনেক লেখা পড়েছি । সহজ ভাষায় গভীর ভাবের লেখা । কিছু কিছু লেখা বুঝতে পেরে থমকে গিয়েছি , কিছু পড়ে আনন্দ পেয়েছি । আবার কিছু কিছু বুঝিও নি । নীরবে বের হয়ে এসেছি ।
মানুষটা এভাবেই তার সৃষ্টি বাড়াতে থাকুক । আহারে আমিও যদি একটা বই বের করতে পারতাম
বাকিগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম ।উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৯ জুন ২০১৪, ২২:২০

সবার আগে আপনাকেই বই বের করতে হতো…
আপনার পরে যারা লিখতে শুরু করেছেন, তারা কিন্তু বই বের করেছেন।এতটা দেরি করা আপনার উচিত হয় নি আপনার ভ্রমণ পোস্টগুলো নিয়ে বেশ চমৎকার একটি বই হতে পারে।
লিখুন, আমি রিভিউ লিখে দেবো ক্ষণ শুভেচ্ছা, গিসেন আপার জন্য মুছে ফেলুন
ayesha1960আয়েশা আহমদ০৮ জুন ২০১৪, ২২:০৫

মেজদার গানের বই নিয়ে মইনুলভাইয়ের চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী লেখা পড়ে মুগ্ধ হলাম ।
দুজনের জন্যেই রইলো শুভকামনা —উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৯ জুন ২০১৪, ২২:২১

আয়েশা আপা, আপনার মন্তব্য পেয়ে বেশ ভালো লাগলো শুভেচ্ছা জানবেন, হে সু্বচন কবি …. মুছে ফেলুন
Shimi12ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী)০৯ জুন ২০১৪, ০৯:১৮

প্রথমেই সফিকুল ইসলাম কোহিনূর ভাই উরফে মেজদাকে এবং উনার ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’ এই প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থটির জন্য রইলো আমার আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা আর শুভকামনা। মেজদার এই বইটি আমার সংগ্রহে থাকবে ইন শা আল্লাহ! যদিও এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছেনি। ‘কে বুঝিতে পারে দয়াল’ গ্রন্থটির চমৎকার মূল্যায়ন করেছেন মইনুল ভাই, পড়ে সত্যিই মুগ্ধ হলাম। চমৎকার সমালোচনামূলক অপর এই বই আলোচনা পোষ্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম। আপনাদের দুইজনার জন্যই ফুলেল শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
উত্তর দিন | মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল০৯ জুন ২০১৪, ২২:২৩

ফেরদৌসী আপা, আপনার আন্তরিক মন্তব্য বিগলিত হয়ে আমি অভ্যস্ত হয়ে আছি। তাই থামাবেন না পিলিস তারপর, কবিতা কই? অনেক দিন কিন্তু আপনার কবিতা পাচ্ছি না… অনেক শুভেচ্ছা….

 

 

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s