প্রিয় ব্লগ সংকলন: প্রথম আলো ব্লগ (closed)

*প্রিয় ব্লগ সংকলন: ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ৮ (মূল শিরোনাম)

ব্যক্তিগত প্রিয় তালিকার পোস্টগুলো নিয়ে এই সংকলন। সংকলিত লেখাগুলো অনেকেরই আগ্রহের বিষয় হবে, এবিশ্বাস থেকেই আলাদা পোস্ট দেওয়া। এবং আশা করছি নতুন পুরাতন সকলের জন্যই মজাদার হবে। কিছু লেখা এমনভাবে বিদগ্ধ করেছে যে, সেটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে চাইলাম। সহব্লগারদের অধিকাংশ লেখাই আমার প্রিয় – প্রিয় তালিকা এখানে চূড়ান্ত নয়। তাছাড়া সব সময় প্রিয়তে নেবার কথা মনেও থাকে না।

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না। এটি আমার স্বভাবও না। মন্তব্য করার ক্ষেত্রেও কাউকে অযাচিতভাবে খুশি করার চাপে আমি থাকি না। সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি। তবে একদম খারাপ লাগে এরকম লেখা খুবই কম পেয়েছি। সাধারণভাবে প্রায় সব লেখাই মঙ্গলজনক। চূড়ান্ত করার জন্য ব্লগে অনেক সমঝদার লেখক আছেন।

প্রথম সংকলন নিয়ে আরেকটু বলছি। নতুন, পুরাতন, অতি পুরাতন এবং প্রয়াত ব্লগারের উৎকৃষ্ট পোস্টগুলো (সংকলকের মতো) নিয়ে এই পোস্টটি সংকলিত হয়েছে। এবার শুধু ‘প্রিয় তালিকার’ পোস্টগুলো দিলাম, পরবর্তিতে প্রিয় ব্লগারদের লেখাগুলো নিয়ে সংকলন দেবার ইচ্ছা আছে।

ব্লগ ও লেখালেখি বিষয়ক পোস্টগুলো

নতুন এবং পুরোনোদের বলছি: একটি ব্লগ আলোচনা: সাইফ ভূঁইয়া (প্রয়াত!) [৩২]

চুম্বক অংশটুকু: প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ব্লগার তথা নিক নিবন্ধন হচ্ছে। এদের অনেকের লেখা বেশ মান সম্মত। চর্চাটা অব্যাহত রাখলে তাঁরা একসময় ব্যাপক নন্দিত হতে পারেন। সুযোগটা কেউ কেউ নিচ্ছেন না যে তা কিন্তু নয়। অন্যের লেখা পড়ে,সুচিন্তিত মতামতের মাধ্যমে এরা এক ধরনের আত্মিক বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এর ভিন্নতাও দেখি। সেটাই বেশি ভাবায়। অনেকে লেখা দিয়ে অপেক্ষা করেন তাঁর লেখায় কত মন্তব্য আসে। তাঁর চিন্তা চেতনা শুধু নিজেকে ঘিরে, চারপাশে কি হচ্ছে তা নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই। (প্রথম আলো ব্লগ এবং সামহোয়ারইন ব্লগের একজন জনপ্রিয় ব্লগার। তার অকাল প্রয়ানে সামুতে অনেক দিন শোকবার্তা লাগানো ছিলো। প্রথম আলো ব্লগেও ছিলো শোকের ছায়া। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রবাসী ছিলেন।)

ব্লগিং কি এমন হতে হবে? সুস্থ ধারার ব্লগিং কাকে বলবো? মুক্তমন৭৫ [২১৪]

চুম্বক অংশটুকু: আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আমি প্রায়শই দেখছি, ব্লগিং এ ব্লগার কত দিন ধরে ব্লগে লিখছেন সেই জিনিসটিকে যতখানি মুল্যায়ন করা হয়, তার চেয়ে অনেক অনেক কম মুল্যায়ন করা হয় এখানে ব্লগের তার লিখাটিকে। এই ঘটনার বহিঃপ্রকাশ আমি অনেক আলোচিত আর সমালোচিত পোস্টে প্রায়শই করতে দেখছি অনেক ব্লগারকে। কেউ একজন কোন কিছুতে মন্তব্য করলে তার বিপরীতে উত্তর হিসেবে এখানে লিখা হচ্ছে, কত মাস বা কত দিন ধরে কতটি পোস্ট এসেছে আর মন্তব্য এসেছে সেই ব্লগারের। তার মন্তব্যটিকে গুরুত্ব না দিয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে তার অবস্থান আর মেয়াদকে। এটি কি ঠিক বলে আপনারা মনে করেন? সেক্ষেত্রে সেই নবীন ব্লগারের মনবল আপনারা কতখানি দুর্বল করে ফেলছেন, তা আপনারা অনেকেই অনেক অনেক প্রবীন ব্লগার হবার পরেও ভুলে যাচ্ছেন। আমার কাছে এই বিষয়টি একদম অনুচিত মনে হয়েছে। লেখার যোগ্যতা পরিমাপ করা উচিত লেখার মান বিশ্লেষণ করে লেখকের লেখক জীবনের বয়সকালকে হিসেবে নিয়ে নয়। (মুক্তমন৭৫ বাস্তবেও একজন মুক্তমনা ব্লগার। সমস্যা হলো উনি সাগর বাসিন্দা হবার কারণে সবসময় ইন্টারনেট পান না। ফলে আমরাও তাকে নিয়মিত পাই না। )

মন্তব্য বিষয়ক ইতিহাস ও বর্তমান: নীল সাধু [৭৬]

চুম্বক অংশটুকু: এক সময় আমাকে ব্লগ পাহারাদার বলা হত। কারন দিনের সবটূকু সময় আমি ব্লগে থাকতাম। ব্লগার সুজন ছিল মন্তব্যের ব্যাপারে সবার আগে। তার আগে মন্তব্য করা ছিল কঠিন। এমন কোন ব্লগার নেই যার ওখানে তিনি মন্তব্য করেননি। মধ্যে আমি তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিলাম। আমি চেষ্টা করেছি সবার ব্লগে যেতে মন্তব্য বা কিছু একটা বলে তাদেরকে উৎসাহিত করতে। মন্তব্যের ব্যাপারে ব্লগার সুজনের সঙ্গে পেরে উঠিনি আমি। তিনি সেরা মন্তব্যকারী। ইদানীং তিনি ব্লগে আসেন না। … ব্লগার দেবদাস যিনি এই ব্লগে পরিচিত ছিলেন কিং অফ কমেন্ট হিসেবে। যার পোষ্টের চেয়ে আমাদের কাছে মুল্যবান ছিল মন্তব্য। এমন মজার বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য এই ব্লগে খুব কম এসেছে। দুঃখজনক তিনি ব্লগে এখন অনিয়মিত। তীব্র বিদ্রুপ এবং অসাধারন সব মন্তব্য দিয়ে তিনি তার অবস্থান তৈরী করেছেন সবার হৃদয়ে। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি আমার কথা বলতে পারি আমি যখনই দেখতাম দেবদাস কোথাও মন্তব্য করেছে আমি সঙ্গে সঙ্গে সেই মন্তব্য দেখার জন্য ছুটে যেতাম সেই ব্লগে।… আ শ ম এরশাদ যিনি মন্তব্যের আর এক রাজকুমার। দীর্ঘ, সমালোচনামুলক, বিশ্লেষনধর্মী, মজার কথা- সব ধরনের মন্তব্যে ইনি পারদর্শী। যেখানেই তিনি মন্তব্য করেছেন সংস্লিষ্ট ব্লগার খুশী মনে তা গ্রহন করেছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক মতাদর্শের পোষ্টগুলোতে ব্লগার খালেদ এবং ব্লগার আ শ ম এরশাদ এই দুজনের মন্তব্য ছিল দারুন ইনফরমেটিভ। চুলচেরা বিশ্লেষনধর্মী মন্তব্যের জন্য ব্লগার এরশাদ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। (আ শ ম এরশাদের একটি পোস্ট আমার প্রিয় তালিকাভুক্ত।)

কী লিখবো, কীভাবে লিখবো: মাহবুব আলী [১২]

চুম্বক অংশটুকু: প্রথমেই যদি এই প্রশ্ন ধরে চিন্তা করি যে, কী উদ্দেশ্যে লিখছি? তাহলে অনেকেই হয়তো জবাবে সহজবোধ করবেন না। কেননা, বনের পাখি আপন মনে গান গায়, তার আবার উদ্দেশ্য কী? কিন্তু যৌক্তিক কথা এই যে, পাখি কিন্তু এমনি এমনি গান গায় না। তার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো উদ্দেশ্য আছে। গানের পাখি কোকিল গাছের ফাঁকে লুকিয়ে যখন ডাকে বা গান গায় মানুষ হিসেবে তা শুনে আমরা মুগ্ধ হলেও ওই পুরুষ কোকিলের উদ্দেশ্য বায়স-ফিঙেকে তার বাসা থেকে বের করে আনা, যাতে স্ত্রী কোকিল সেখানে ডিম পাড়তে পারে। তাই প্রতিটি লেখার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য অবশ্যই আছে। লেখককে সেই উদ্দেশ্যের সঙ্গে কাদের জন্য লিখছেন তার সমন্বয় ঘটাতে হয়। (সাথে আছে ১০টি চমৎকার টিপস!)

বাংলা ব্লগ কোন পথে: আ.শ.ম. আরশাদ [১৩৮]

চুম্বক অংশটুকু: ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গের দেবাশীষ ও সুকন্যা বাংলা ভাষায় অনলাইন ব্লগিং শুরু করেন এবং পরিচিতজনদের ব্লগিংয়ে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন বলে কথিত হয়। কিন্তু তখন বাংলা ভাষায় ব্লগিং করাটা খুবই ঝামেলার ছিলো। ফন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকেই ব্লগিংয়ে আগ্রহী হতেন না। এখনও সে সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি। ২০০৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর “বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ” বাংলাদেশী ব্লগসাইট হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। হাসিন ও এমরান এমবেডেড এডিটর ব্যবহার করে বাংলার প্লাটফর্ম সমস্যার সমাধান করে দেন। এখন ভার্চুয়াল কীবোর্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই ফোনেটিক বাংলা লেখা যায়। ২০০৬ সালে ব্লগটিকে ইউনিকোডে নিয়ে আসা হয়। মূলত তখনই একটি বিপ্লব ঘটে যায়। (২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলা ব্লগের একটি ডায়েরি হিসেবে বিবেচনা করা যায় লেখাটিকে।)

এক নজরে প্রথম আলো ব্লগ মিট আপ: First to Last: ইঊসুফ [৪৩]

চুম্বক অংশটুকু: কিছুদিন আগে হয়ে গেল প্রথম আলো ব্লগের প্রথম মিট আপ। …এই দীর্ঘ সময়ে ছিল কত পোষ্ট, কত মন্তব্য… কত সুখ, কত দুঃখ… কতগুলো মানুষের অনুভূতি, প্রচেষ্টা আর প্রেরণা কাজ করেছে এ মিট আপকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে.. সেগুলোকে এক জায়গায় একত্রিত করার ইচ্ছায়ই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। এতে মিট আপের প্রস্তাবনার শুরু থেকে মিট আপের পর পর্যন্ত প্রায় সব পোষ্টের লিংক একত্রিত করার চেষ্টা করেছি। (২০০৯ সাল পর্যন্ত ব্লগারদের পারস্পরিক সাক্ষাৎ করার বিষয়টি ছিলো রোমাঞ্চকর এবং বহুল প্রত্যাশিত। তার পূর্বে থাকতো অনেক আনুষ্ঠানিকতা ও প্রস্তাবনা।)

বইপড়া; সাহিত্য আলোচনা, কবিতা, ছড়া, ভ্রমণ, ব্যক্তিত্ব

বাঙালির পাঠ্যাভ্যাস: মেহেদী হাসান মঞ্জুর [৮]

চুম্বক অংশটুকু: একদিনের একটা ঘটনা বলি, যাতে বিষয়টা আরেকটু স্পষ্ট হয়ে উঠবে । মেট্রো রেলে যাতায়তের সময় দেখি, ষ্টেশনের এক কোনে দাঁড়িয়ে একজন ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে; তার পায়ের কাছে একটি টুপি রাখা, সেখানে লোকজন রুবল(রাশিয়ান মুদ্রা) ফেলছে, তার বাম হাতে ধরা একটি কার্ড, যেখানে লেখা ‘পামাগাত মিনিয়া’ (আমাকে সাহায্য করুন) এবং ডান হাতে ধরা একটি বই। হাজার কোলাহলের মাঝখানেও লোকটি বই পড়ে যাচ্ছে । টুপিতে কতগুলো রুবল জমা হচ্ছে, সেদিকে তার কোন খেয়ালই নেই। বাংলাদেশের কোন জায়গায় এরকম দৃশ্য, আমরা সম্ভবত কল্পনাতেও আনতে পারবনা। (এই ব্লগারকে এখন আর বাত্তি লাগিয়ে পাত্তা পাওয়া যায় না )

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ওপর বাংলাদেশ এবং লালন সাঁইজির প্রভাব: জমির হায়দার বাবলা[২০]

চুম্বক অংশটুকু: রবি ঠাকুর বাংলাদেশের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন বলেই তাঁর জীবনে “বাংলাদেশ” অধ্যায়টি সাহিত্য সৃষ্টির রত্নগর্ভা হয়ে আছে। এ অধ্যায়ের কারণে রবি ঠাকুর তাঁর সাহিত্যে ঝুলিতে অসংখ্য মানিক তুলে নিতে পেরেছিলেন। এ অধ্যায়েই রবি ঠাকুর সৃষ্টি করেছেন করেছেন অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম। (বাবলা ভাইয়ের সাহিত্য-বিষয়ক প্রবন্ধগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।)

ভং ছাড়ো কাঙ্গাল: বিধুভূষণ ভট্টাচার্য্য [১০০]

চুম্বক অংশটুকু:

আমরাউ চাষাভূষা
আমরাউ বাঙ্গাল
অউ দেশ আমরার
ভং ছাড়ো কাঙ্গাল

ছড়াকারের কথা: এই ছড়াটি সিলেটের স্বনামধন্য আবৃত্তি সংগঠন মৃত্তিকায় মহকাল-এর প্রধান, বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সংগঠক সৈয়দ সাইমূম আঞ্জুম ইভান (প্রথম আলো ব্লগের ‘সাইমূম ইভান’)-এর অনুরোধে রচিত এবং গত বছর ও চলতি বছর নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মৃত্তিকায় মহকাল কর্তৃক মনমুগ্ধকর ভাবে পরিবেশিত হয়েছে। আলো ব্লগের বন্ধুদের জন্য এখানে নিবেদন করলাম। (আমার ব্লগে আসার প্রথম সময়টিতে বিধু’দা এতই নিয়মিত ছিলেন যে, সর্বোচ্চ মন্তব্যকারীদের তালিকায় তার নাম থাকতো। তখন জিনজির নামেও আরেকজন ব্লগারকে খুব দেখা যেতো।)

ঈদের ছুটিতে ভারত ভ্রমণ: রব্বানী চৌধুরী [৫৫]

চুম্বক অংশটুকু: গত ৩০শে অক্টোবর ছিল প্রকৃতির ভূ-স্বর্গ মানালিতে আমাদের শেষ দিন। বিকাল পাঁচটায় পর্যটকদের বাসে করে দিল্লীতে যাওয়ার সময়সূচি। সকাল থেকে আমাদের অবসর, আর মালানি ও পুরাতন মানালি ঘুরে দেখার দিন। বাজার-ঘাট, পার্ক, আর টুকি-টাকি সোপিং। ঝকঝকে রোদে হোটাল থেকে তোলা পাহাড়ে রোদের বন্ধুত্ব। (যুক্ত আছে বেশকিছু চমৎকার ছবি। পেয়ে যাবেন জনপ্রিয় এই ব্লগারের সুখময় পারিবারিক জীবনের সচিত্র প্রতিবেদন।)

আদিবাসী নারী: এইচ এস মং মারমা [৪০]

চুম্বক অংশ:
অগ্নিমাখা বিস্তীর্ণ প্রান্তরে ক্রমান্বয়ে তুমি
হারিয়ে যাও, হারিয়ে যেতে থাকো;
একদিন তুমি আর ফিরে আসো না,
কল্পনা চাকমাও আর ফিরে আসেনি।

কবিকে আমি এই বলে সেদিন অনুভূতি জানিয়েছিলাম: “এতো আহত আমি আর কখনও হই নি।” ব্লগ থেকে মং মারমা ভাইয়ের অন্তর্ধান নিয়ে একবার আলাদা পোস্ট দিয়েছিলাম। তারপর তিনি ছিলেনও কয়েকদিন। তারপর আবারও উদাও! আদিবাসীদের ওপর যতবার উপদ্রুব এসেছে ততবারই তাদের বিবেকের প্রতিনিধি হয়ে কবি মং মারমা আমাদের সাথে তার কবিতায় কেঁদেছেন। কাঁদিয়েছেন আমাদেরকেও। ভালো থাকুন কবি!

শৈল্পিক হাততালী: কবি কুহক [৬২]

চুম্বক অংশ: “টুপ করে খসে পড়ে তার নব যৌবন
সুযোগ বুঝে বাতাসী উড়িয়ে দেয় মার্কসবাদী চুল”

কবির সাথে আমার কথোপকথন:
আমি: হাহাহা, ভালো লাগলো সমগ্র কবিতাটি। কোন এক সময় আরও বিস্তারিত বলার ইচ্ছা আছে।
কুহক: দুহাই লাগে আর বিস্তারিতো কিছু কইয়েন না। পুরাই লজ্জায় পইড়া যামুগা।আমি:

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: তুহিন সরকার [১০০]

চুম্বক অংশটুকু: বান্দরবন জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি আছে, এলাকার বাসিন্দাদের মুখে প্রচলিত রূপকথায় অত্র এলাকায় এ সময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশ মুখে ছড়ার পাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অতি বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পেলে বানরের দল ছড়া পাড় থেকে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পার হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে জায়গাটি “ম্যাঅকছি ছড়া” হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মার্মা ভাষায় ম্যাঅক শব্দটির অর্থ হল বানর আর ছি শব্দটির অর্থ হল বাধঁ। কালের প্রবাহে বাংল ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম বান্দরবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তবে মার্মা ভাষায় বান্দরবনের প্রকৃত নাম “রদ ক্যওচি চিম্রো’।

মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান: নূর মোহাম্মদ নূরু [১৬]

চুম্বক অংশটুকু: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদের স্মরণে হামিদুর রহমানের নকশা অনুসারে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। উল্লেখ্য হামিদুর রহমানের রূপকল্পনা অনুসারে ১৯৬২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়। (কৃতী মানুষের জীবনী লেখে এই ব্লগার বাংলা ব্লগকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছেন মহাকালের জন্য।)

রেলপথ ধরে বাংলাদেশ ভ্রমণ: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, লক্ষ্য আখাউড়া [২৩]

চুম্বক অংশটুকু: সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাঁটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাঁটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাঁটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব । এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি চিটাগাংএর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি চিটাগাং পৌঁছতে পারি । (ব্লগের ট্যুরিস্ট ব্লগার কামাল উদ্দিন ভাইয়ের একটি জনপ্রিয় আয়োজন এটি।)

ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ৭
ব্লগিং নিয়ে ব্লগিং ১

——————————
*‘প্রিয়’ কথাটি নিয়ে কৈফিয়ত এবং এপোলজি আছে: সকল ‘প্রিয়কে’ এক সংকলণে আনা যায় নি। আগেই বলেছি তালিকার বাইরেও অনেক প্রিয় পোস্ট আছে। প্রিয় ব্লগারের তালিকাটিও এক্ষেত্রে আমার সহায়ক। তাই পাঠক যেন মনে না করেন যে প্রিয় তালিকা এখানেই শেষ। পরে আরও আসবে।

.
.
.
.
.
[লেখাটি প্রথম আলো ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তর করা হয়েছে। ২৮ অগাস্ট ২০১৪]

৬৫ টি মন্তব্য
sagar923রফিকুল ইসলাম সাগর১৭ মে ২০১৪, ২১:১৩

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।
সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি।
আপনার সাথে একমত।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

অনেক ধন্যবাদ
fardoushaফেরদৌসা১৭ মে ২০১৪, ২১:১৪

চুম্বক অংশটুকু পড়ে উনাদের পুরো পোস্ট পড়ার লোভ হচ্ছে। যদিও রব্বানী ভাই আর কামাল ভাইয়ের পোস্ট দেখা আছে ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

চুম্বক অংশ নেবার মতলবই হলো আকর্ষণ করা… হেহেহেধন্যবাদ ফেরদৌসা আপা

MirHamidহামি্দ১৭ মে ২০১৪, ২১:১৮

সময় নিয়ে পড়তে হবে। প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট…………………………….
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৫

হামিদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
neelsadhuনীল সাধু১৭ মে ২০১৪, ২১:২০

বাহ। চমৎকার।আপনার প্রিয় পোষ্ট মানে অনেক কিছু। আমার প্রায় পোষ্ট পড়া আছে।
একটি পোষ্ট পড়ে আসি। সেটা চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল মনে হচ্ছে।

এভাবেই আমরা ভালো লেখাগুলোকে সবার সামনে নিয়ে আসতে পারি। মুল্যায়িত হতে পারে সেরা/প্রিয় পোষ্টগুলো।

ধন্যবাদ জানবেন।
ভালোবাসা সহ

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৬

অনেক ধন্যবাদ নীলসাধু ভাই…
শুভেচ্ছা
ANIKA2012আমির হোসেন১৭ মে ২০১৪, ২১:২১

বিশাল আলোচনা কখন পড়ুম ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৭

ধন্যবাদ
shohel121পরানের কথা১৭ মে ২০১৪, ২১:২৩

অনেক ভালো লাগলো এই আলোচনা । আমার মতো নতুনদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
ধারাবাহিকের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রলাম।অফুরান আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৮

পরানের কথা, মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
neelsadhuনীল সাধু১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৪

ইহা একটি বিজ্ঞাপন মন্তব্য

প্রথম আলো ব্লগে চলছে “প্রথম আলো-ঘুড়ি প্রিয় চিঠি আয়োজন ২০১৪”

মে ১৫ থেকে পোষ্ট-কৃত সকল চিঠি এই আয়োজনের জন্য বিবেচিত হবে। চিঠি পোষ্ট করার শেষ সময় জুন ১৫।

চিঠি লিখুন। চিঠি পড়ুন।
প্রথম আলো ব্লগে পোষ্ট করুন আপনার নিজের লেখা চিঠিটি!

ধন্যবাদ।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৭ মে ২০১৪, ২১:৩৮

Mzarin31আরজু মুন জারিন১৭ মে ২০১৪, ২১:৪২

কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না। (*চমৎকার মইনুল ভাই।আপনার সব লেখায় আমার মুগ্ধতা সিল মেরে বলে দিলাম।আমার লেখায় যখন আমি আপনার কমেন্টস দেখি নিজেকে সন্মানিত বোধ করি গুরুত্বপূর্ন মনে করি।কমেন্টসে বুঝতে পারি আপনার উদারতা।পুরা লেখা নিখূঁতভাবে পড়ছেন বিশ্লেষন করছেন।কিন্তু কমেন্টস করার সময়ে লেখককে আপনি তাই বলছেন যা তাকে প্রেরনা দেওয়ার মত আপনার দৃষ্টিতে প্রেরনা পাওয়ার মত।আপনার এই মানসিক গঠনকে আমার শ্রদ্ধা।

আর লেখাতো সবসময় অসাধারন লিখেন।আপনার লেখা বিশ্লেষন করার স্পর্ধা আমার নাই।অনেক ভাল লাগা/মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম।

ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য।অনেক শুভকামনা রইল আপনার চলার পথে।ভাল থাকবেন কেমন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৫

আরজু মুন জারিন আপা, আপনার উদার প্রশংসায় কৃতজ্ঞা জানাই।অনেক শুভেচ্ছা জানবেন

PulakBiswas67পুলক বিশ্বাস১৭ মে ২০১৪, ২১:৪৫

ব্লগিং মুক্তভাবে লেখার ও মত প্র্রকাশের দারুণ এক প্লাটফরম হতে পারে যদি আমরা একটু ধীরস্থিরভাবে শুদ্ধ-অশুদ্ধ যাচাই করে নিজের পোস্টটাকে সমৃদ্ধ করি। আমাদের মতো নতুনদের নিজের জায়গা তৈরি করে নিতে একটু সময় লাগবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এটা নিয়ে আমার কোন খেদও নেই। অগ্রজদের, ভাল লেখকদের মূল্যায়ণ করা যেমন জরুরি তেমনি নতুনদের ভাল লেখাকেও অনেকে মূল্যয়ণ করেন যা আমাদেরকে অণুপ্রাণিত করে সবসময়।মইনুল ভাইকে অনিঃশেষ শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন।

sularyআলভী১৭ মে ২০১৪, ২১:৫৫

এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী পোষ্ট আশা করছি আমার মত সবার ভালো লাগবে। এক পোষ্টেই অনেক কিছূ জানা সম্ভব বিশেষ করে যারা নতুন ব্লগার তাদের জন্য অনেক ভালো লাগবে কারন আমাদের পুরাতন অনেক প্রিয় ব্লগা্র আজ যারা ব্লগে যে কারনেই হোক সক্রিয় না তাদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানা সম্ভব হচ্ছে। ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৭

পুলক বিশ্বাস ভাই, সংকলনটি সেজন্যই দেওয়া হয়েছে, যেন নতুন পুরাতন সকলেই কিছু বাছাইকৃত লেখার স্বাদ পান।মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:০৮

হ্যাঁ আলভী ভাই, লেখাটি ঠিক সেজন্যই।আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা

শুভেচ্ছা জানবেন

BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা১৭ মে ২০১৪, ২২:১০

প্রথমে মইনুল ভাইকে ধন্যবাদ জানাই অনেকগুলো পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
এ পোস্টগুলো বাছাই করতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে সাথে বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়েছে। ব্লগিং নিয়ে পোস্টগুলো প্রত্যেকটিতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।আগের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের সম্পের্কে ধারনা পেলাম।আপনি যেই পোস্টগুলোর কথা লিখলেন সেই পোস্টগুলোর সূত্র ধরে আগামীতে আরো আগাতে পারবো।
মইনুল ভাইকে আমাদের বড়বেশী দরকার। কারণগুলোর একটি আজকের মতো পোস্টগুলি।
শুভকামনা।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১২

লেখার মান নিয়ে লেখক যত অসন্তুষ্ট থাকবেন, তার লেখা ততই ভালো হবে।
তাই আমার দৃষ্টিতে ভালো লেখকদেরকে সামনে তুলে ধরলাম।আপনার মন্তব্য সবসময়ই আমার লেখাকে সমৃদ্ধ করে। এবারও

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, বাবলা ভাই

BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা১৭ মে ২০১৪, ২২:২০

কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না,
যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।মাঝে মাঝে কিছু পোস্টে সতর্কতার সাথে “দারুন” “অসাধারণ” কথাগুলো না লিখে কেবল কোথায় বা কোন কথাগুলো ভালো লেগেছে তা উল্লেখ করেই বলি “ভালো লেগেছে”।
আমি মাঝে মাঝে মনে করি-ডাহা মিথ্যাচারিতা না করে উৎসাহমূলক মন্তব্য ব্লগিং এ তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে মনে হয় না। অনেকে উৎসাহিত হতে পারেন।
“ব্লগরত্ন” কথাটি আবারো প্রমানিত হলো।
শুভেচ্ছা মইনুল ভাইকে।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১৪

সহব্লগারদের কাছে নিজের অবস্থানটুকু পরিষ্কার রাখার দায় থেকে মুক্ত হলাম আরকি !আপনার মন্তব্যের ধরণ আমি বুঝি।

অনেক শুভেচ্ছা আবারও

sularyআলভী১৭ মে ২০১৪, ২২:২৭

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:১৪

Rabbaniরব্বানী চৌধুরী১৭ মে ২০১৪, ২২:৪৩

অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানবেন প্রিয় মইনুল ভাই।
“লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি। তাই প্রিয় বিষয়টি একটু পক্ষপাতিত্বমূলক হলেও এনিয়ে আমি কোন চাপে থাকি না। প্রকাশ করতেও দ্বিধা রাখি না।”একজন লেখক কতটা নিরপেক্ষ, মেধার বিচারে, দক্ষতার কলম দিয়ে লিখে থাকেন উপরের কথাগুলি খুব স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে। এ লেখার যোগত্যা নিয়ে যারা চিন্তা করবেন আমার ধারণা মতে তাঁরা একদিন লেখকের খাতায় নাম লেখাবে। আমাকে দিয়ে যে এমন লেখা হবে না, এ আমার সৌজন্যতা করে বলা নয়, মন থেকেই বলা তবে আমারও নাম লেখকের খাতায় উঠতে পারে যদি আমার যোগ্যতা আমাকে লিখায়।

এ পোষ্টটি আমাদের শিখাবে এক একটি পোষ্ট থেকে আর একটি পোষ্টের পার্থক্য কত !! আপনার প্রিয় কিছু পোষ্ট যুক্ত করে দিয়ে আমাদের পড়ার পরিধী বাড়িয়ে দিলেন। আর আমরা বুঝে নিলাম কোন পোষ্টগুলিকে কি ভাবে গুরুত্ব দিতে হয়, নবীন কবি ও লেখকদের জন্য একটি ভুবন তৈরী করে দিলেন অতীতকে জানার।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো ভালো থাকবেন মইনুল ভাই।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২০

//একজন লেখক কতটা নিরপেক্ষ, মেধার বিচারে, দক্ষতার কলম দিয়ে লিখে থাকেন উপরের কথাগুলি খুব স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে। এ লেখার যোগত্যা নিয়ে যারা চিন্তা করবেন আমার ধারণা মতে তাঁরা একদিন লেখকের খাতায় নাম লেখাবে।// বিশাল বড় প্রশংসা আমার জন্য। সহব্লগারদের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চাই। এজন্যই ভূমিকাটুকু দিলাম।

//আপনার প্রিয় কিছু পোষ্ট যুক্ত করে দিয়ে আমাদের পড়ার পরিধী বাড়িয়ে দিলেন। আর আমরা বুঝে নিলাম কোন পোষ্টগুলিকে কি ভাবে গুরুত্ব দিতে হয়, নবীন কবি ও লেখকদের জন্য একটি ভুবন তৈরী করে দিলেন অতীতকে জানার। //

ঠিক এজন্যই এই সংকলন। প্রথম সময়ের লেখাগুলো অনেক দিক দিয়ে ভিন্ন রকম। তখনকার ব্লগাররা একটু বেশিই সংগ্রামী ছিলেন মনে হয় : )

প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই, আপনার মন্তব্যে সবসময়ই পাই আন্তরিক কিছু মূল্যায়ন। এটি যেকোন লেখকের জন্য শক্তি।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

kabirbdboyকাছের মানুষ১৭ মে ২০১৪, ২২:৫৯

চমৎকার একটা পোষ্ট, এর মাঝে কিছু পোষ্ট আগেই পড়েছিলাম !!চুম্ভক অংশটি দিয়ে আবারো লেখা গুলো পড়ার জন্য লোভ বাড়িয়ে দিলেন।

আপনার এই উদ্দগটি ব্লগারদের লেখার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং লেখার প্রতি উৎসাহ এই বিষয় গুলোতে গুরুত্বপূর্ন্য ভুমিকা রাখবে ।

আপনার পোষ্ট মানেই ভিন্ন কিছু পাই, এবারো তার ব্যাতিক্রম হল না

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২২

//আপনার এই উদ্দগটি ব্লগারদের লেখার প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং লেখার প্রতি উৎসাহ এই বিষয় গুলোতে গুরুত্বপূর্ন্য ভুমিকা রাখবে।//-এটাই সংকলনের উদ্দেশ্য। প্রিয় কাছের মানুষকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

baganbilas1207কামরুন্নাহার১৭ মে ২০১৪, ২৩:১৭

লেখককে যেমন প্রেরণা পেতে হবে, তেমনি তার লেখার মেরিট অনুযায়ি মতামতও পেতে হবে। তা না হলে লেখক উন্নয়নের পথ দেখতে পাবেন না। কারো লেখা ভালোমতো না পড়ে মন্তব্য দেওয়া অথবা লেখার মান ভালো না হলেও ‘মিথ্যা প্রশংসা করা’ আমার পক্ষে সম্ভব হয় না, যদিও অনুপ্রেরণা দেবার কাজটি আমি আমার মতোই করে থাকি।
সময় পেলে এবং ভালো লাগলে পড়ি, প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য দেই। কারও লেখায় বা মন্তব্যে ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত পেলে নিজে হজম করি। সামগ্রিকভাবে কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে হেয় করা হয় এরকম লেখাকে এড়িয়ে চলি অথবা ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবাদ করি।

আপনার এই লেখাটুকু আবারও প্রমাণ করলো আপনিই ব্লগরত্ন।
আপনার গঠনমূলক মন্তব্য, সমালোচনা, একজন লেখককে কতখানি অনুপ্রাণিত করে তা’ একবাক্যে সবাই স্বীকার করবেন। এমনটাই সবার প্রয়োজন। যা আপনি দিয়ে আসছেন, দিচ্ছেন, দিতে থাকবেন।
আপনার লেখায় ডাহা-মিথ্যাচার করবার প্রশ্নই আসে না। আপনি এমন করে লিখতে থাকুন, ব্লগকে এগিয়ে নিয়ে চলুন তার পরিপূর্ণতায়, প্রাপ্তিতে।

আপনি সে সব ঐতিহাসিক লেখাগুলো আবারও আমাদের সামনে এনে দিলেন, তা’ সত্যিই অসাধারণ !!
ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য।অনেক শুভকামনা রইল। এমনটাই আরো চাইব, এ আমার দাবি।

baganbilas1207কামরুন্নাহার১৭ মে ২০১৪, ২৩:১৮

**** আপনার লেখা পড়তে যেয়ে লগ আউট হয়ে গেলাম যে !!!
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৫

লেখাগুলো সত্যই ‘ঐতিহাসিক’। ওখান থেকে অনেক কিছু জানার ও শেখার আছে। এজন্যই শেয়ার করলাম সংকলনের মাধ্যমে।আমার লেখা ও মন্তব্য সম্পর্কে যে মূল্যায়ন করেছেন, তাতে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ আমি।
কামরুন্নাহার আপার মন্তব্য, ব্লগারের জন্য প্রেরণার।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৫

এরকম সমস্যা তো সকলেরই হয়। তবে আজকাল একটু কম
KohiNoorমেজদা১৮ মে ২০১৪, ০১:১৯

বিভিন্ন জনের কথা জানলাম। ভাল লাগলো। কয়েকজনকে চিন্তে পারি নাই। সেটা আমার ব্যর্থতা। ধন্যবাদ মঈনুল ভাই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৭

অনেক আগের ব্লগার আছেন কয়েকজন।
প্রাসঙ্গিকতার বিচারে তাদের লেখাগুলো আমার কাছে দরকারী মনে হয়েছে।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, মেজদা

missildhakaভোরের মিছিল১৮ মে ২০১৪, ০১:২৪

ভাল লাগলো
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৭

ধন্যবাদ, ভোরের মিছিল
lnjesminলুৎফুন নাহার জেসমিন১৮ মে ২০১৪, ০১:২৯

বেশ কিছু পোস্ট আগেই পড়েছিলাম । আজ আবার একটু করে উকি দিয়ে এলাম । না পড়াগুলো পড়ে ফেলতে হবে খুব তাড়াতাড়ি ।
এমন অসাধারণ আর সময়সাপেক্ষ চিন্তা মাথায় এনে তা আবার প্রকাশ করার সময় পান কিভাবে ? আসলেই যারা গুণী তারা সবদিকেই তার ছাপ রাখে । শুধু আমার মত বে গুণীরা চেয়ে চেয়ে দেখে আর অবাক হয় ।আর বেশি কিছু কইতে পারুম না । আমার স্টক অল্প থাকে আপ্নে জানেন । এই নিয়ে এক মজার ঘটনা বলি । আমাদের এখানে এক ভাবীর( পলাশের কলিগ ) বিদায় উপলক্ষে আমরা সবাই মিলে একসাথে হলাম । ভাবী চলে যাচ্ছে তাই সবাই তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলছিলেন । দুই তিনজন বলার পর আমার পালা এলো । আমি অল্প কথার মানুষ । দুই লাইন বলেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে দিলাম । এরপর আর বেশিক্ষণ কথা চলে নি । কিন্তু আমার ঐ দুই লাইন সবাইকে আবেগাক্রান্ত করে দিল ।

ওরে বাবা অনেক কথা বলা হয়ে গেল । ভাল থাইকেন

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:২৯

হাহাহা, অনেক তো বলে দিলেন জেসমিন আপা। আপনার মন্তব্য সম্পর্কে যা বলার আলাদাভাবে একদিন বলেছি।মজার ঘটনাটি সত্যিই মজার…. বক্তব্য কত দীর্ঘ তাতে কিছু যায় আসে না, সেটি তাৎপর্যপূর্ণ হলেই হলো

আপনি ঠিক সেরকম একজন ব্লগার।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

Hafizplpহাফিজুল ইসলাম১৮ মে ২০১৪, ০২:০৮

এইসব ঘোড়ার ডিম না কইরা যা করলে সমাজের কোন কামে লাগে হেইডা করতে পারেন না? মানুষের মধ্যে কোন রকম সচেতনতা ছড়াইতে পারেন না? বড় একখান পোস্ট দিছেন তাতে আবার এত্ত প্রশংসা! ভাই, ব্লগটারে খাজুইরা আলাপের আর গুছানো কিছু মিষ্টি কথার বিতরণের স্থান না বানাইয়া পারলে কামের কাম কিছু করেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি তুইলা ধরেন, সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন নইলে সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে মিষ্টির মাঝে যেমনে ওষুধ খাওয়ায়- তেমনে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেন।
আর সহজ বাংলায় মন্তব্য করলে কি মাইনষের কষ্ট হয়? “ভালোলাগা রেখে গেলাম, শুভেচ্ছা শতত, পাশে রইলাম” এইসব আঁতেল মার্কা কথা বাদ দিয়া লেখার ব্যাপারে সরাসরি মন্তব্য করতে পারেন না? লেখার মান বা লেখার বিষয়- এইসব নিয়া?
বহুত তো করছেন, এইবার ভণ্ডামি বাদ দেন। পাগলের বোর্ড বসাইছে একলগে। আর ব্লগরত্ন আবার কী? ফাইজলামির টাইটেল??
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ০৬:৪৪

আপনার মনের কথা অবিকৃতভাবে প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি ভালো লেগেছে।মন্তব্য সম্পর্কে যা বলেছেন, সেটি আমারই কথা।

তাছাড়া অন্যান্য যা বললেন, তা অনেক ভারি এবং সিরিয়াস, কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক। এটি তো একটি সংকলন।
আমি কেবলই একজন ব্লগার। লেখকও নই, সমাজ সংস্কারকও নই।

ভারি কথা লিখার আগে আমার পূর্বের লেখা ও মন্তব্যগুলোতে একটু চোখ বুলাতে পারতেন না, হাফিজুল ইসলাম?
অন্তত আমার নামটি লিখে সার্চ দিলেও তো বুঝতে পারতেন আপনার অভিযোগটুকু কতটুকু প্রাসঙ্গিক

হাফিজুল ইসলামকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

neelsadhuনীল সাধু১৮ মে ২০১৪, ১৫:৩৩

হাফিজুল ইসলাম ভাই আপনি দড়ি ছিড়া কই থেইকা বাইর হইলেন?
কে ছাড়লো আপনারে?
এতো জ্ঞান নিয়ে সাগরে ঝাপ না দিয়ে ব্লগে কি করেন?

এমন বেয়াদপি মন্তব্য আমি অনেকদিন পর দেখলাম।
ভ্রাতা মাঈনউদ্দিন খুব ভদ্র এবং সজ্জন একজন মানুষ। তাই বেঁচে গেলেন। আমাদের হাতে পড়লেতো ভাই মাফ চাইয়া কুল পাইতেন না। আপনারে একটা উপদেশ দেই। দৌড়ের উপর থাকেন। নিজের চিন্তা করেন।
ইয়াহ নাফসি ইয়াহ নাফসি করেন।

আশা করি বুঝেছেন।
আপনার এমন অশালীন কুরুচিপুর্ন মন্তব্যের প্রতিবাদে আমার রুঢ মন্তব্য- মাঈনদ্দিন ভাই এর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

missildhakaভোরের মিছিল২০ মে ২০১৪, ০১:৪৫

Hafizplp
হাফিজুল ইসলাম
১৮ মে ২০১৪, ০২:০৮
এইসব ঘোড়ার ডিম না কইরা যা করলে সমাজের কোন কামে লাগে হেইডা করতে পারেন না? মানুষের মধ্যে কোন রকম সচেতনতা ছড়াইতে পারেন না? বড় একখান পোস্ট দিছেন তাতে আবার এত্ত প্রশংসা! ভাই, ব্লগটারে খাজুইরা আলাপের আর গুছানো কিছু মিষ্টি কথার বিতরণের স্থান না বানাইয়া পারলে কামের কাম কিছু করেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি তুইলা ধরেন, সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন নইলে সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে মিষ্টির মাঝে যেমনে ওষুধ খাওয়ায়- তেমনে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেন।
আর সহজ বাংলায় মন্তব্য করলে কি মাইনষের কষ্ট হয়? “ভালোলাগা রেখে গেলাম, শুভেচ্ছা শতত, পাশে রইলাম” এইসব আঁতেল মার্কা কথা বাদ দিয়া লেখার ব্যাপারে সরাসরি মন্তব্য করতে পারেন না? লেখার মান বা লেখার বিষয়- এইসব নিয়া?
বহুত তো করছেন, এইবার ভণ্ডামি বাদ দেন। পাগলের বোর্ড বসাইছে একলগে। আর ব্লগরত্ন আবার কী? ফাইজলামির টাইটেল??
এই সব সবুজ ঘাস খোর পুলা পাইন পাইলে চটকায়তে মন চায়

দেখেন এই জ্ঞানীর অবস্থা

অবস্থানDhaka
ব্লগে আছেন৩ বছর, ৮ মাস, ১ দিন, ১ ঘন্টা, ৫৬ মিনিট
সর্বমোট পোস্ট৫৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য৮১ টি

Hafizplpহাফিজুল ইসলাম২৮ মে ২০১৪, ২০:১০

ক্যান নীলসাধু সাহেব, কলিজায় লাগলো সত্যকথাগুলান? আর আপনে নিজেই তো বেশি পণ্ডিত। আর আপনের কাছে মাপ চাইতাম মানে? আপনে তো মিয়া একটা চামচা। চামচামির বাইরে কিছু বুঝেন নাকি পারেন? সারদিন তো শুধু আজাইরা লেখা লেইখাই কাম সারেন।
আর শোনেন, বলদামি সবার লগে করন ঠিক না। আমি আপনার মত চামচামি পছন্দ করি না আর করিও না। বুঝছেন? আপনি না কইছেন আমি বেয়াদব? আমি মনে করি আপনি একখান আসল আঁতেল। আর মনে রাইখেন, দেশে ব্লগ কিন্তু একটা না।
Hafizplpহাফিজুল ইসলাম২৮ মে ২০১৪, ২০:১৩

ভোরের মিছিল, আপনি আবার কে ভাই? আমি ব্লগে কয়দিন আছি আর কয়টা মন্তব্য করছি তাতে আপনার কী? আপনি নিজের পথ দেখেন।
আর চটকাইতে মন চায়? তাইলে চটকানোর বহুত কিছু আছে, দরকারে নিজের কান চটকান।
আর আতলামি না কইরা থাকতে কী খুব কষ্ট লাগে?? নাকি চুলকায়??
kamaluddinকামাল উদ্দিন১৮ মে ২০১৪, ০৭:২৫

ব্লগ ও ব্লগারদের নিয়ে আপনার এমন গবেষণা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। আমি সব সময় হালকা ব্লগিং করি, আমার মাঝে কখনো আপনাদের মতো গভীরতা খুজে পাবেন না, কারণ সবাকে দিয়ে সব কিছু হয়না। ধন্যবাদ মইনুল ভাই।………………………………………………………………………………………………………………..
(ব্লগের ট্যুরিস্ট ব্লগার কামাল উদ্দিন ভাইয়ের একটি জনপ্রিয় আয়োজন এটি।)

আমি নিজেকে কখনো টুরিষ্ট ব্লগার বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি না, আমি আমাকে ট্রাভেলার ব্লগার হিসাবেই ভাবতে চাই।

এবার দেখে নেই টুরিষ্ট আর ট্রাভেলারের পার্থক্য
টুরিস্ট আসলে কারা? টুরিস্ট হচ্ছে, অবকাশ যাপন আর সাথে বিনোদনের জন্য যারা ছুটিতে ঘুরতে বেড়োয়। টুরিস্টদের সাথে থাকে কাঁধে ঝুলানো ক্যামেরা, জামা কাপড়ে ফিটফাট-কেতারদুস্তর। বেড়ানোর জায়গাগুলো হয় বিখ্যাত সব স্থান অথবা স্থাপনা। টুরিস্টরা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের ফ্রেমে বন্দী হয়ে একটি সীমাবদ্ধ গণ্ডীতে আনন্দ খুঁজে বেড়ায়। এরা ফিটফাট বাবু সেজে স্থান অথবা স্থাপনা’র সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলতে ব্যাস্ত থাকে ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন (নাকি প্রমাণ) ধরে রাখতে। টুরিস্টরা ব্যাস্ত থাকে ভালো মানের হোটেলে থাকা, আরামদায়ক যানে ভ্রমণ আর সাথে সুস্বাদু লোভনীয় মুখরোচক খাবারের স্বাদ নেয়ায়।

ট্রাভেলার

১. ট্র্যাভেলার সবসময় যে কোন পরিস্থিতিতে নিজের মত করে খাপ খাইয়ে নেয়। একজন টুরিস্ট প্ল্যান মোতাবেক ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু ট্র্যাভেলারের স্বাতন্ত্র্য হল সে প্রতিনিয়ত প্ল্যান আপডেট করতে থাকে সময়ের দাবী মেনে।

২. টুরিস্ট মাত্রই যে কাজটি বেশী করে তা হল, সব দর্শনীয় স্থান কাভার করতে হবে, তাই মিনিট পাঁচেকের জন্য হলেও সেখানে যেতে হবেই। কিন্তু একজন ট্র্যাভেলারের কাছে স্থান বা স্থাপনার কাভারেজ সংখ্যা মুখ্য নয়। মুখ্য সেগুলোর পরিপূর্ণ রূপসুধা পান করতে সক্ষম হওয়া।
৩. ছোট ছোট সেই সব বিষয়ে লক্ষ্য করা যা সাধারণত চোখ এড়িয়ে যায়।
৪. পায়ে হেটে অথবা সাইকেলে বা লোকাল পরিবহণে করে ভ্রমণের স্থানের চারিপাশ, লোকালয়, জনবসতি ঘুরে দেখা।
৫. খুব বিখ্যাত নয়, সচরাচর কেউ তেমন একটা বেড়াতে যায় না এমন জায়গাগুলোতে ভ্রমণে বের হওয়া।

এক কথায়, বেড়াতে গিয়ে যারা টুরিস্টদের থেকে দূরে পালিয়ে যান, তারাই ট্রাভেলার!

ANIKA2012আমির হোসেন১৮ মে ২০১৪, ০৯:৩৩

কামাল ভাই টুরিষ্ট ও ট্রাভেলার জটিল সংজ্ঞা দিয়েছেন।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৩

প্রিয় কামাল উদ্দিন ভাই, ‘লেখার বিষয়’ নিয়ে নয় কিন্তু আপনার ‘উপাধিটি’ নিয়ে এত দীর্ঘ একটি মন্তব্য দিলেন – মজা পেলাম! কিন্তু একটু বিশ্লেষণ যদি না করি, তাহলে ট্যুরিজম সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতার প্রতি অবিচার হবে। না হলে পাবলিক ব্লগে সাধারণ পাঠক বিভ্রান্ত হবেন। প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই, কারণ আমার লেখায় মন্তব্য দিয়ে আজ আপনি দু’টি রেকর্ড করে ফেলেছেন।

প্রথম রেকর্ড: আমার লেখায় সবচেয়ে দীর্ঘ মন্তব্যটি আজ দিলেন; দ্বিতীয় রেকর্ড – আমার লেখায় প্রথম স্ববিরোধী মন্তব্যটিও আজই দিলেন!

আপনি হালকা ব্লগিং করেন এবং সেখানে গভীরতা পাওয়া যাবে না – এটি আপনার কথা। কিন্তু ভ্রমণ বিষয়ে আজ এতো গভীর মন্তব্য দিলেন যে, শুধুমাত্র ভ্রমণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরাই এর তাৎপর্য বুঝার চেষ্টা করবে। অতএব আপনি যে প্রকৃতপক্ষে হালকা ব্লগিং করেন না, তা একই মন্তব্যে ফুটে ওঠলো।

আপনি নিজেকে ‘ট্রাভেলার’ ভাবতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। আপনার যুক্তিতেও দ্বিমত নেই। কিন্তু ট্যুরিস্ট বলে আপনাকে আমি ছোট করি নি, বরং অপেক্ষাকৃত বড় উপাধিটিই আপনাকে দিয়েছি।

ট্রাভেলার শব্দটি ট্যুরিস্ট-এর একটি বিশেষায়িত নাম। যেমন: মেডিসিন স্পেশালিস্ট ‘ডাক্তার’-এর বিশেষায়িত নাম।কোন দেশে ট্রাভেলার শিল্প নেই – আছে ট্যুরিজম বা পর্যটন শিল্প। তাতে ট্রাভেলাররা অপমানিত হন না। ট্যুরিজম/ট্যুরিস্ট-এর মধ্যে ট্রাভেলার এবং ট্যুরিস্ট উভয়ই আছে।

যারা ভ্রমণ করেন, ছবি তুলেন, সাংস্কৃতিক বা ভৌগলিক বৈচিত্র নিয়ে দেশ-দেশান্তরে স্থান-স্থানান্তরে যান, তারা স্থানীয়/আন্তর্জাতিকভাবে পর্যটক/ট্যুরিস্ট হিসেবে পরিচিত, ট্রাভেলার হিসেবে নয়।

এবার ট্যুরিস্ট এবং ট্রাভেলারের আভিধানিক অর্থটি দেখুন: tourist> যে ব্যক্তি travel করে, বিশেষত আনন্দের জন্য। traveler> ব্যক্তি বা বস্তু, যা travel করে। এই অর্থ কিন্তু আমার বানানো নয়। শুধু ট্রাভেল শক্তটিকে আমি বাংলায় অনুবাদ করি নি। শব্দগুলো ডিকশনারি ডট কমে গিয়ে পেস্ট করলেই পেয়ে যাবেন।

ভ্রমণকে আপনি ভালোবাসেন। তাই এরজন্য আলাদা আবেগ, আলাদা কিছু ব্যাখ্যা আপনার থাকতেই পারে। আপনার সেই জায়গাটিতে আমি সবসময় শ্রদ্ধা জানিয়েছি এবং জানাবো। কিন্তু আপনার দেওয়া পার্থক্যে আমি একমত হতে পারলাম না, কিন্তু আপনার উপস্থাপনায় মুগ্ধ হয়েছি।

আমার কোথাও ভুল হলে আপনি কিন্তু সংশোধন করে দেবেন। ভ্রমণ বিষয়ে এত গভীরভাবে আমি ভাবতে পারি না। সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় না – আপনিই তো বললেন!

আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন ফটো ভাই….

kamaluddinকামাল উদ্দিন২০ মে ২০১৪, ০৭:৩১

ডিকশনারী আমাকে মাইর দিয়ে দিয়েছে, এবার দেখলেন আমার ব্লগিং হালকা না পাতলা
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২০ মে ২০১৪, ১৯:০৯

শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন, প্রিয় ফটো ভাই
nuru07নূর মোহাম্মদ নূরু১৮ মে ২০১৪, ০৯:৩২

অনেক যত্ন নিয়ে, অনেক খাটুনির
অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।
আশা করি
যারা গবেষণাধর্মী কাজের সাথে সম্পৃক্ত
তাদের উপকারে আসবে।
ধন্যবাদ মাইনুল ভাই
আপনার অসাধারণ
লেখার জন্য।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৪

নূরু ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
ssangrammগোলাম মোস্তফা১৮ মে ২০১৪, ১৫:১০

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৫

সংগ্রাম ভাইকে একরাশ ভালোবাসা
Ami123আমি..১৮ মে ২০১৪, ১৭:৪৬

সঞ্চালক ভাই,সালাম, আমি “আমি মেজদা” নাম নিয়ে লেখা লেখি করতে চাই। এটার সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। প্রথম আলো ব্লগে আমি নতুন। শুরুতেই এরকম একটি ধাক্কা খেয়ে আমি হতাশ। -আমি কালপুরুষ- যদি কালপুরুষ নামের সাথে লেখালেখি করতে পারে তবে আমি নই কেণ? এখানে সকলের স্বাধীনতা রয়েছে। প্রথম আলো মুক্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আপনি আমার পূর্বের নামটি ফিরিয়ে দিন। এটা ব্লগারদের প্রতি জুলুম। আমার নাম ঠিক করে না দেয়া পর্যন্ত আমি আন্দোলন চালিয়ে যাব। ইশ্বর আমার সাথে আছেন।

আমি মেজদা

khalidumarখালিদ উমর১৮ মে ২০১৪, ১৮:০৪

কেমন আছেন মইনুল ভাই?
অসাধারণ একটা বিশ্লেসনি প্রবন্ধ লিখেছেন। একেবারে বাস্তব চিত্র এঁকেছেন। বোঝাই যাই অনেক দিন ধরে পর্যবেক্ষনের ফল।
ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ মে ২০১৪, ১৯:২৬

হাই… খালিদ উমর ভাই! ভালো আছি ভাই
আপনি ভালো তো?বেশি কিছু করি নি ভাই, প্রিয় তালিকা থেকে কপি এবং পেস্ট

আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন

PARVESহাসান পারভেজ১৮ মে ২০১৪, ১৯:৩৮

অামার মত নতুন ব্লগকর্মীর জন্য এটা নিশ্চয়ই দরকারী পোস্ট। তাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা মাঈন ভাইকে।
প্রিয়তে যুক্ত হ’ল।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২০ মে ২০১৪, ১৯:১০


‘ব্লগকর্মী’
ভালো বলেছেন….

অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় হাসান পারভেন

mukto75মুক্তমন৭৫২২ মে ২০১৪, ১৭:১৯

অনেকদিন পর প্রিয় মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাইকে ব্লগে লিখছি।
ফেসবুকে না গেলে জানতেও পারতাম না আপনার এত সুন্দর পোষ্ট এর কথা, যেখানে আমার নিজের লেখাও একটা পোষ্ট দেখতে পারছি।যাহোক, কর্মক্ষেত্রের প্রচন্ড চাপে এবং সেই সংগে অনিয়মিত নেট কানেকশনের জন্য বেশ কঠিনভাবেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছি আপনাদের থেকে।

তবে চেষ্টা থাকবে যখনই নেট পাবো, অন্তত হাই হ্যালো বলে যাবো

শুভকামনা রইলো। ভালো থাকবেন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২২ মে ২০১৪, ২১:৩৪

আমিও অনেক দিন পর প্রিয় মুক্তমন৭৫ ভাইকে ব্লগে পেয়েছি।
আপনি যে ব্লগের গুরুত্বপূর্ণ এক ব্লগার ছিলেন, তা অনুপস্থিতিতে বুঝেছি।
বুঝার পালা শেষ। এবার ফিরে আসুন ভাই… নেট পেলেই যেন একবার ঢু মারেন….অনেক শুভেচ্ছা…
সমুদ্রনিবাসে ভালো থাকা হোক… প্রিয় নাবিক

mukto75মুক্তমন৭৫২৩ মে ২০১৪, ০২:২৬

অবশ্যই প্রিয় মঈন ভাই।আমিও খুব মিস করি আপনাকে সহ সহ ব্লগার সকলকেই।

নেট পেলেই পাশে পাবেন ফ্রি সময় গুলোতে।

ভালো থাকবেন।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২৩ মে ২০১৪, ০৮:২৮

আপনাকে দেখে মনে পড়লো, ব্লগারদের কলকাকলিতে কত গরম ছিলো প্রথম আলো ব্লগ

Shimi12ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী)০৯ জুন ২০১৪, ০৮:২৯

আপনার ব্যক্তিগত প্রিয় তালিকার পোস্টগুলো নিয়ে এই সংকলনে লেখা আপনার মূল্যবান কথাগুলো পড়ে খুবই ভালো লাগলো এবং চুম্বক অংশটুকু পড়ে অনেক কিছু জানা হলো। আপনাদের মত গুণীজনেরাই পারেন সেরা/প্রিয় পোষ্টগুলো সঠিক মূল্যায়ন করতে। আপনার প্রিয় পোষ্টগুলো শেয়ার করার জন্য এবং আমাদেরও দেখার সৌভাগ্য করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ মইনুল ভাইকে। আপনাকে সহ আপনার প্রিয় পোষ্টের লেখকদের জন্যও রইলো অনাবিল শুভেচ্ছা।
Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s